ঢাকা ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এনসিপি ক্ষমতায় এলে ভারত অত্যাচার করতে পারবে না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জীবনমান উন্নয়নে আইএলও সহযোগিতা করতে পারে: মির্জা ফখরুল এখনও একদলীয় শাসনের ধারাবাহিকতা চলছে: রুমিন ফারহানা জন্মের পরই শিশুর থাইরয়েড পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি পল্লবীতে রামিসাকে পাশের ফ্ল্যাটে নিয়ে হত্যা, মূল সন্দেহভাজন আটক গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের চরিত্র গঠন হয়: মাহদী আমিন যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে ‘রক্তক্ষয়ী পরিস্থিতি’ হবে: কিউবা চীনে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ১০ জনের মৃত্যু দেশের স্বার্থেই শিক্ষার্থীদের রাজনীতিতে আসতে হবে: এ্যানি

হাম নিয়ন্ত্রণে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে ৬টি বিশেষ নির্দেশনা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সাম্প্রতিককালে বেসরকারি হাসপাতালে হাম ও হাম সন্দেহজনক রোগী ভর্তি না করার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখা) ৬টি জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে। নির্দেশনাটি স্বাক্ষর করেছেন পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মোঃ মঈনুল আহসান।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সকল বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে আবশ্যিকভাবে হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগীদের চিকিৎসার জন্য আলাদা ওয়ার্ড বা কেবিন নির্ধারণ করতে হবে এবং ভর্তির আগেই চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে হবে।

প্রতিটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ন্যূনতম ১০ শতাংশ শয্যা দরিদ্র জনগণের জন্য বিনামূল্যে সংরক্ষিত থাকার বিধান রয়েছে। এর মধ্যে অর্ধেক অর্থাৎ ৫ শতাংশ শয্যা হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগীদের জন্য নির্ধারিত রাখতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, ২৫০ শয্যার হাসপাতালে কমপক্ষে ১২টি শয্যা এই উদ্দেশ্যে বরাদ্দ থাকতে হবে।

এছাড়া প্রতিটি ভর্তি রোগীর সঙ্গে সর্বোচ্চ একজন অভিভাবক বা দর্শনার্থী থাকতে পারবেন। ভর্তি রোগীর তথ্য প্রতিদিন ইএমএআইএস সার্ভারে (surveillance.dghs.gov.bd) আপলোড করতে হবে। প্রয়োজনে হটলাইন নম্বর ০১৭৫৯১১৪৪৮৮-তে যোগাযোগ করা যাবে। পাশাপাশি হাম রোগীদের চিকিৎসায় স্থানীয় সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করতে বলা হয়েছে।

এক নজরে ৬টি মূল নির্দেশনা:

১. সকল বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড/কেবিন নির্ধারণ করবে।
২. ভর্তির আগেই চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে হবে।
৩. ১০% বিনামূল্যের শয্যার অর্ধেক (৫%) হাম রোগীদের জন্য বরাদ্দ থাকবে; যেমন ২৫০ শয্যার হাসপাতালে ন্যূনতম ১২টি শয্যা।
৪. প্রতিটি ভর্তি রোগীর সঙ্গে সর্বোচ্চ ১ জন অভিভাবক/দর্শনার্থী থাকতে পারবেন।
৫. ভর্তি রোগীর তথ্য প্রতিদিন ইএমএআইএস সার্ভারে (surveillance.dghs.gov.bd) আপলোড করতে হবে; প্রয়োজনে হটলাইন ০১৭৫৯১১৪৪৮৮ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।
৬. হাম রোগীদের চিকিৎসায় স্থানীয় সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এনসিপি ক্ষমতায় এলে ভারত অত্যাচার করতে পারবে না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

হাম নিয়ন্ত্রণে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে ৬টি বিশেষ নির্দেশনা

আপডেট সময় ০২:৫৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সাম্প্রতিককালে বেসরকারি হাসপাতালে হাম ও হাম সন্দেহজনক রোগী ভর্তি না করার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখা) ৬টি জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে। নির্দেশনাটি স্বাক্ষর করেছেন পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মোঃ মঈনুল আহসান।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সকল বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে আবশ্যিকভাবে হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগীদের চিকিৎসার জন্য আলাদা ওয়ার্ড বা কেবিন নির্ধারণ করতে হবে এবং ভর্তির আগেই চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে হবে।

প্রতিটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ন্যূনতম ১০ শতাংশ শয্যা দরিদ্র জনগণের জন্য বিনামূল্যে সংরক্ষিত থাকার বিধান রয়েছে। এর মধ্যে অর্ধেক অর্থাৎ ৫ শতাংশ শয্যা হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগীদের জন্য নির্ধারিত রাখতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, ২৫০ শয্যার হাসপাতালে কমপক্ষে ১২টি শয্যা এই উদ্দেশ্যে বরাদ্দ থাকতে হবে।

এছাড়া প্রতিটি ভর্তি রোগীর সঙ্গে সর্বোচ্চ একজন অভিভাবক বা দর্শনার্থী থাকতে পারবেন। ভর্তি রোগীর তথ্য প্রতিদিন ইএমএআইএস সার্ভারে (surveillance.dghs.gov.bd) আপলোড করতে হবে। প্রয়োজনে হটলাইন নম্বর ০১৭৫৯১১৪৪৮৮-তে যোগাযোগ করা যাবে। পাশাপাশি হাম রোগীদের চিকিৎসায় স্থানীয় সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করতে বলা হয়েছে।

এক নজরে ৬টি মূল নির্দেশনা:

১. সকল বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড/কেবিন নির্ধারণ করবে।
২. ভর্তির আগেই চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে হবে।
৩. ১০% বিনামূল্যের শয্যার অর্ধেক (৫%) হাম রোগীদের জন্য বরাদ্দ থাকবে; যেমন ২৫০ শয্যার হাসপাতালে ন্যূনতম ১২টি শয্যা।
৪. প্রতিটি ভর্তি রোগীর সঙ্গে সর্বোচ্চ ১ জন অভিভাবক/দর্শনার্থী থাকতে পারবেন।
৫. ভর্তি রোগীর তথ্য প্রতিদিন ইএমএআইএস সার্ভারে (surveillance.dghs.gov.bd) আপলোড করতে হবে; প্রয়োজনে হটলাইন ০১৭৫৯১১৪৪৮৮ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।
৬. হাম রোগীদের চিকিৎসায় স্থানীয় সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করতে হবে।