আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
রাজধানীর বাড্ডায় নির্মাণাধীন ভবনের গ্রিলের ঠিকাদারকে অপহরণের পর ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আল আমিন। তাঁর বিরুদ্ধে গত ১৪ মে বাড্ডা থানায় মামলা করেন ঠিকাদার আবু সাঈদ। আল আমিন ওই ভবনের অংশীদার মোস্তাফিজুর রহমানের জামাতা (মেয়ের স্বামী)। এর আগে চাচাশ্বশুর মুশফিকুর রহমানও আল আমিনের বিরুদ্ধে জিডি করেছিলেন।
বাড্ডা থানার ওসি কাজী মো. নাসিরুল আমীন বলেন, চাঁদাবাজি ও অপহরণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামি আল আমিনকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে। তিনি ওই ঠিকাদারের কাছ থেকে চাঁদার কিছু টাকা আদায়ও করেছেন।
পুলিশ জানায়, দক্ষিণ বাড্ডার বাসিন্দা মুশফিকুর রহমান ও তাঁর ভাই মোস্তাফিজুর রহমান আবাসন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মধ্যবাড্ডার ঠ-৫২/১ হোল্ডিংয়ে বাড়ি নির্মাণ করছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ভবনের নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে। ইতোমধ্যে চারটি পরিবার সেখানে বসবাস করছে। প্রায় এক বছর ধরে আল আমিন নানাভাবে ঠিকাদার আবু সাঈদকে হয়রানি করে আসছিলেন। গত ১২ মে আল আমিনসহ অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জন নির্মাণাধীন ভবনে গিয়ে ঠিকাদারকে ভয়ভীতি দেখান ও হুমকি দেন। তাঁকে মারধরের পর নির্জন স্থানে তুলে নিয়ে ৫০ হাজার চাঁদা দাবি করা হয়। প্রথমে তিন হাজার টাকা আল আমিনকে দেন আবু সাঈদ। পরে আবাসন কোম্পানির প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর আলমগীর হোসেনকে ফোন করে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আরও পাঁচ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এরপর মুক্তি পান তিনি। পরদিন আল আমিন ওই ভবনে গিয়ে আবার টাইলস মিস্ত্রি রুবেলসহ অন্য শ্রমিকদের কাজ বন্ধ করার হুমকি দেন।
ঠিকাদার আবু সাঈদ বলেন, ‘আল আমিনের মূল বিরোধ আবাসন কোম্পানি কর্তৃপক্ষ, মুশফিকুর রহমান ও মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে। ভবনে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিলেন তিনি। পরে আমাকে মারধরের পর অপহরণ করে নিয়ে চাঁদা দাবি করে।’
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















