ঢাকা ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বাড্ডায় ঠিকাদারকে অপহরণ করে চাঁদাবাজি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর বাড্ডায় নির্মাণাধীন ভবনের গ্রিলের ঠিকাদারকে অপহরণের পর ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আল আমিন। তাঁর বিরুদ্ধে গত ১৪ মে বাড্ডা থানায় মামলা করেন ঠিকাদার আবু সাঈদ। আল আমিন ওই ভবনের অংশীদার মোস্তাফিজুর রহমানের জামাতা (মেয়ের স্বামী)। এর আগে চাচাশ্বশুর মুশফিকুর রহমানও আল আমিনের বিরুদ্ধে জিডি করেছিলেন।

বাড্ডা থানার ওসি কাজী মো. নাসিরুল আমীন বলেন, চাঁদাবাজি ও অপহরণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামি আল আমিনকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে। তিনি ওই ঠিকাদারের কাছ থেকে চাঁদার কিছু টাকা আদায়ও করেছেন।

পুলিশ জানায়, দক্ষিণ বাড্ডার বাসিন্দা মুশফিকুর রহমান ও তাঁর ভাই মোস্তাফিজুর রহমান আবাসন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মধ্যবাড্ডার ঠ-৫২/১ হোল্ডিংয়ে বাড়ি নির্মাণ করছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ভবনের নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে। ইতোমধ্যে চারটি পরিবার সেখানে বসবাস করছে। প্রায় এক বছর ধরে আল আমিন নানাভাবে ঠিকাদার আবু সাঈদকে হয়রানি করে আসছিলেন। গত ১২ মে আল আমিনসহ অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জন নির্মাণাধীন ভবনে গিয়ে ঠিকাদারকে ভয়ভীতি দেখান ও হুমকি দেন। তাঁকে মারধরের পর নির্জন স্থানে তুলে নিয়ে ৫০ হাজার চাঁদা দাবি করা হয়। প্রথমে তিন হাজার টাকা আল আমিনকে দেন আবু সাঈদ। পরে আবাসন কোম্পানির প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর আলমগীর হোসেনকে ফোন করে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আরও পাঁচ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এরপর মুক্তি পান তিনি। পরদিন আল আমিন ওই ভবনে গিয়ে আবার টাইলস মিস্ত্রি রুবেলসহ অন্য শ্রমিকদের কাজ বন্ধ করার হুমকি দেন।

ঠিকাদার আবু সাঈদ বলেন, ‘আল আমিনের মূল বিরোধ আবাসন কোম্পানি কর্তৃপক্ষ, মুশফিকুর রহমান ও মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে। ভবনে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিলেন তিনি। পরে আমাকে মারধরের পর অপহরণ করে নিয়ে চাঁদা দাবি করে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বাড্ডায় ঠিকাদারকে অপহরণ করে চাঁদাবাজি

আপডেট সময় ০৯:৪৮:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর বাড্ডায় নির্মাণাধীন ভবনের গ্রিলের ঠিকাদারকে অপহরণের পর ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আল আমিন। তাঁর বিরুদ্ধে গত ১৪ মে বাড্ডা থানায় মামলা করেন ঠিকাদার আবু সাঈদ। আল আমিন ওই ভবনের অংশীদার মোস্তাফিজুর রহমানের জামাতা (মেয়ের স্বামী)। এর আগে চাচাশ্বশুর মুশফিকুর রহমানও আল আমিনের বিরুদ্ধে জিডি করেছিলেন।

বাড্ডা থানার ওসি কাজী মো. নাসিরুল আমীন বলেন, চাঁদাবাজি ও অপহরণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামি আল আমিনকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে। তিনি ওই ঠিকাদারের কাছ থেকে চাঁদার কিছু টাকা আদায়ও করেছেন।

পুলিশ জানায়, দক্ষিণ বাড্ডার বাসিন্দা মুশফিকুর রহমান ও তাঁর ভাই মোস্তাফিজুর রহমান আবাসন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মধ্যবাড্ডার ঠ-৫২/১ হোল্ডিংয়ে বাড়ি নির্মাণ করছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ভবনের নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে। ইতোমধ্যে চারটি পরিবার সেখানে বসবাস করছে। প্রায় এক বছর ধরে আল আমিন নানাভাবে ঠিকাদার আবু সাঈদকে হয়রানি করে আসছিলেন। গত ১২ মে আল আমিনসহ অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জন নির্মাণাধীন ভবনে গিয়ে ঠিকাদারকে ভয়ভীতি দেখান ও হুমকি দেন। তাঁকে মারধরের পর নির্জন স্থানে তুলে নিয়ে ৫০ হাজার চাঁদা দাবি করা হয়। প্রথমে তিন হাজার টাকা আল আমিনকে দেন আবু সাঈদ। পরে আবাসন কোম্পানির প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর আলমগীর হোসেনকে ফোন করে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আরও পাঁচ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এরপর মুক্তি পান তিনি। পরদিন আল আমিন ওই ভবনে গিয়ে আবার টাইলস মিস্ত্রি রুবেলসহ অন্য শ্রমিকদের কাজ বন্ধ করার হুমকি দেন।

ঠিকাদার আবু সাঈদ বলেন, ‘আল আমিনের মূল বিরোধ আবাসন কোম্পানি কর্তৃপক্ষ, মুশফিকুর রহমান ও মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে। ভবনে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিলেন তিনি। পরে আমাকে মারধরের পর অপহরণ করে নিয়ে চাঁদা দাবি করে।’