ঢাকা ১১:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেই রায় কার্যকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন দিল্লিতে বসে হুংকার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী মোনাফেক গুপ্তরা থেমে নেই: ছাত্রদল সভাপতি পদত্যাগ করলেন ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী শিক্ষককে ঘরে আটকে মাথায় ১০ কোপ, শিক্ষার্থীর মা গ্রেফতার আগ্রাসন চালিয়ে হরমুজ কখনোই উন্মুক্ত করা যাবে না, ইরানের হুঁশিয়ারি ‘ফার্মের মুরগি’ এই ছাত্ররা রাস্তায় নেমেছিল বলেই আপনি এখন শিক্ষামন্ত্রী কুসুম্বা মসজিদের দানবাক্সে মিলল পৌনে ১৩ লাখ টাকা ও স্বর্ণের চামচ দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী

গ্রাম্য চিকিৎসককে হত্যার দায়ে ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৬ জনের যাবজ্জীবন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রায় ৭ বছর আগে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ থানা এলাকায় গ্রাম্য চিকিৎসক রেজাউল করিম ওরফে আবু ডাক্তারকে হত্যার দায়ে তিন আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন—বাবলু সরদার, টোকন সরদার ও গাজীয়ার সরকার। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত অপর ছয়জন হলেন—সাবেক চেয়ারম্যান আতর আলী, রায়হান সরদার, হাবিবুর রহমান ওরফে হবি সরদার, হেলাল খান, জিল্লুর রহমান ও জিয়া মণ্ডল।

এদিকে রায়ে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১৩ আসামিকে খালাস দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। মামলার বিচার চলাকালে মতিয়ার এবং আলাল সরদার (মাঝি) মারা যাওয়ায় তাদেরও অব্যাহতি দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৪ অক্টোবর গোয়ালন্দ থানার ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলন চলাকালীন সাবেক চেয়ারম্যান আতর আলীর ছেলে যুবলীগ নেতা বাবলু সরদারের সঙ্গে দেবগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফিজুল ইসলাম বাবলু সরদারের কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরে আতর আলীর নেতৃত্বে বাবলু সরদার, টোকন সরদার, রায়হান সরদার, গাজীর সরদারসহ বেশ কয়েকজন আতর আলী বাজারের তিন রাস্তার মোড়ে অবস্থান নেয়। হাফিজুল চেয়ারম্যানের সমর্থকরা সেই পথ দিয়ে ফেরার পথে তাদের আটকে মারধর করা হয়।

সেই সময় সেখান দিয়ে ফিরছিলেন আবু ডাক্তার। তাকেও আটক করে মারধর করা হয়। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে তাকে উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায় গোয়ালন্দ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকেে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে সেখানেই মারা যান আবু ডাক্তার।

এই ঘটনায় মো. মোবারক মোল্লা বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০২২ সালের ৫ অক্টোবর মামলাটি তদন্ত করে ২২ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। মামলাটির বিচারকালে ২৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেই রায় কার্যকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গ্রাম্য চিকিৎসককে হত্যার দায়ে ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৬ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৪:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রায় ৭ বছর আগে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ থানা এলাকায় গ্রাম্য চিকিৎসক রেজাউল করিম ওরফে আবু ডাক্তারকে হত্যার দায়ে তিন আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন—বাবলু সরদার, টোকন সরদার ও গাজীয়ার সরকার। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত অপর ছয়জন হলেন—সাবেক চেয়ারম্যান আতর আলী, রায়হান সরদার, হাবিবুর রহমান ওরফে হবি সরদার, হেলাল খান, জিল্লুর রহমান ও জিয়া মণ্ডল।

এদিকে রায়ে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১৩ আসামিকে খালাস দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। মামলার বিচার চলাকালে মতিয়ার এবং আলাল সরদার (মাঝি) মারা যাওয়ায় তাদেরও অব্যাহতি দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৪ অক্টোবর গোয়ালন্দ থানার ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলন চলাকালীন সাবেক চেয়ারম্যান আতর আলীর ছেলে যুবলীগ নেতা বাবলু সরদারের সঙ্গে দেবগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফিজুল ইসলাম বাবলু সরদারের কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরে আতর আলীর নেতৃত্বে বাবলু সরদার, টোকন সরদার, রায়হান সরদার, গাজীর সরদারসহ বেশ কয়েকজন আতর আলী বাজারের তিন রাস্তার মোড়ে অবস্থান নেয়। হাফিজুল চেয়ারম্যানের সমর্থকরা সেই পথ দিয়ে ফেরার পথে তাদের আটকে মারধর করা হয়।

সেই সময় সেখান দিয়ে ফিরছিলেন আবু ডাক্তার। তাকেও আটক করে মারধর করা হয়। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে তাকে উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায় গোয়ালন্দ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকেে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে সেখানেই মারা যান আবু ডাক্তার।

এই ঘটনায় মো. মোবারক মোল্লা বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০২২ সালের ৫ অক্টোবর মামলাটি তদন্ত করে ২২ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। মামলাটির বিচারকালে ২৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।