ঢাকা ১০:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড গাইবান্ধার ৫ ইউনিয়ন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ভয়াবহ কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন। উপজেলার মহিমাগঞ্জ, শালমারা, শিবপুর, কোচাশহর ও রাখালবুরুজ ইউনিয়নের ওপর দিয়ে মূলত এই ঝড়টি বয়ে যায়।

রবিবার বিকেল ৩টার দিকে শুরু হওয়া এই ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রায় শত পরিবার মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ড সদস্য মো. মজনু মিয়া বলেন, আমার এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। অনেক দরিদ্র মানুষের ঘরবাড়ি সব শেষ হয়ে গেছে। রাতে তারা কোথায় থাকবে, সেই জায়গাটুকুও নেই। আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করছি, তারা যেন দ্রুত এই অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ান।

কোচাশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহুরুল হক জাহিদ জানান, তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের চেষ্টা করছেন।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, ঝড়ে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। পুলিশ সদস্যদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় নজরদারি রাখতে এবং মানুষের পাশে থাকতে বলা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড গাইবান্ধার ৫ ইউনিয়ন

আপডেট সময় ১০:০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ভয়াবহ কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন। উপজেলার মহিমাগঞ্জ, শালমারা, শিবপুর, কোচাশহর ও রাখালবুরুজ ইউনিয়নের ওপর দিয়ে মূলত এই ঝড়টি বয়ে যায়।

রবিবার বিকেল ৩টার দিকে শুরু হওয়া এই ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রায় শত পরিবার মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ড সদস্য মো. মজনু মিয়া বলেন, আমার এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। অনেক দরিদ্র মানুষের ঘরবাড়ি সব শেষ হয়ে গেছে। রাতে তারা কোথায় থাকবে, সেই জায়গাটুকুও নেই। আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করছি, তারা যেন দ্রুত এই অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ান।

কোচাশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহুরুল হক জাহিদ জানান, তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের চেষ্টা করছেন।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, ঝড়ে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। পুলিশ সদস্যদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় নজরদারি রাখতে এবং মানুষের পাশে থাকতে বলা হয়েছে।