আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
ঢাকার ধামরাইয়ে নাহিদা আক্তার (১৬) নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ঘরের ভেতর গলা কেটে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত নাহিদার মরদেহ শুক্রবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে তাকে গলা কেটে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে জানা পরিবারসূত্রে জানা গেছে।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ শামীম হোসেন (৩৩) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে। শামীম পেশায় রাজমিস্ত্রি। তিনি নিহত নাহিদার পাশের কক্ষে স্ত্রী নিয়ে ভাড়া থাকেন।
নাহিদা ধামরাই সেন্ট্রাল স্কুলের বাণিজ্য বিভাগ থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। নিহতের মা লিজা আক্তার সৌদি প্রবাসী আর তার বাবা ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা এলাকায় থাকেন। নাহিদা তার নানি দেলুয়ারা বেগমকে নিয়ে ধামরাই পৌরসভার পশ্চিম লাকুরিয়াপাড়ার দুবাই প্রবাসী হিমেলের বাসায় দুটি কক্ষ নিয়ে ভাড়া থাকতেন।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানায়, নাহিদা বৃহস্পতিবার এসএসসি পরীক্ষা শেষে দেড়টার দিকে বাসায় ফেরেন। বিকেলে সোয়া ৪টার দিকে তার নানি দুধ আনার জন্য বাইরে যান। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে বাসায় ফিরে দেখেন মেঝেতে গলা কাটা অবস্থায় নাহিদার নিথর দেহ পড়ে আছে।
তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে নাহিদাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় মমতাজ ক্লিনিক ও পরে সাভারের গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের নানি দেলুয়ারা বেগম দুলন বলেন, তার নাতনির কানে তিন আনা ও গলায় সাত আনার স্বর্ণের চেইন ছিল। তা দুর্বৃত্তরা নিয়ে গেছে। তিনি তার নাতনির খুনিদের শনাক্ত করে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।
ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘাতককে শনাক্ত করার চেষ্টা করছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুতই গ্রেপ্তার করা হবে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 


















