ঢাকা ০১:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সৌদি আরবসহ তিন দেশের সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি ইউক্রেনের

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইউক্রেন। এসব চুক্তিতে ড্রোন সহযোগিতা এবং প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছেন।

সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এই চুক্তিগুলো ইউক্রেনের সরকারি ও বেসরকারি খাতে বিভিন্ন ধরনের বাস্তব চুক্তিতে রূপ নেবে।’

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া ব্যাপকভাবে শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করছে, যা উপসাগরীয় অঞ্চলেও ইরানের হামলায় ব্যবহৃত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে জেলেনস্কি বলেন, একটি শাহেদ ড্রোনের দাম যেখানে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার, সেখানে এটি ভূপাতিত করতে ব্যবহৃত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মাত্র ১০ হাজার ডলারেই সম্ভব—যা প্রচলিত আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় অনেক সাশ্রয়ী।

তিনি বলেন, ‘আমরা তাদেরকে নিজেদের রক্ষা করতে সহায়তা করতে চাই এবং ভবিষ্যতেও অন্যান্য দেশের সঙ্গে এ ধরনের অংশীদারিত্ব গড়ে তুলব।’

ইউক্রেন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, সফটওয়্যার সমন্বয় এবং কম খরচে ড্রোন সরবরাহের পাশাপাশি যৌথ উৎপাদন ব্যবস্থাও গড়ে তুলতে প্রস্তুত বলে জানান তিনি।

জেলেনস্কি আরও বলেন, ‘এই সহযোগিতা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও সম্প্রসারিত হওয়া উচিত। আমরা যদি এটি করতে পারি, আমি গর্বিত হব, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।’

এই চুক্তিগুলো এমন সময়ে হলো যখন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার পর উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। ইরানের অভিযোগ, উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রকে হামলা চালাতে সহায়তা করেছে এবং এর জবাবে এসব দেশে মার্কিন স্বার্থ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

তবে উপসাগরীয় দেশগুলো এসব অভিযোগ বারবার অস্বীকার করেছে এবং জানিয়েছে, তারা তাদের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে হামলার সুযোগ দেয়নি।

গত মার্চে জেলেনস্কি এই অঞ্চল সফর করেন এবং তখনই সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

সৌদি আরবসহ তিন দেশের সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি ইউক্রেনের

আপডেট সময় ১১:৫০:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইউক্রেন। এসব চুক্তিতে ড্রোন সহযোগিতা এবং প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছেন।

সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এই চুক্তিগুলো ইউক্রেনের সরকারি ও বেসরকারি খাতে বিভিন্ন ধরনের বাস্তব চুক্তিতে রূপ নেবে।’

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া ব্যাপকভাবে শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করছে, যা উপসাগরীয় অঞ্চলেও ইরানের হামলায় ব্যবহৃত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে জেলেনস্কি বলেন, একটি শাহেদ ড্রোনের দাম যেখানে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার, সেখানে এটি ভূপাতিত করতে ব্যবহৃত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মাত্র ১০ হাজার ডলারেই সম্ভব—যা প্রচলিত আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় অনেক সাশ্রয়ী।

তিনি বলেন, ‘আমরা তাদেরকে নিজেদের রক্ষা করতে সহায়তা করতে চাই এবং ভবিষ্যতেও অন্যান্য দেশের সঙ্গে এ ধরনের অংশীদারিত্ব গড়ে তুলব।’

ইউক্রেন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, সফটওয়্যার সমন্বয় এবং কম খরচে ড্রোন সরবরাহের পাশাপাশি যৌথ উৎপাদন ব্যবস্থাও গড়ে তুলতে প্রস্তুত বলে জানান তিনি।

জেলেনস্কি আরও বলেন, ‘এই সহযোগিতা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও সম্প্রসারিত হওয়া উচিত। আমরা যদি এটি করতে পারি, আমি গর্বিত হব, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।’

এই চুক্তিগুলো এমন সময়ে হলো যখন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার পর উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। ইরানের অভিযোগ, উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রকে হামলা চালাতে সহায়তা করেছে এবং এর জবাবে এসব দেশে মার্কিন স্বার্থ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

তবে উপসাগরীয় দেশগুলো এসব অভিযোগ বারবার অস্বীকার করেছে এবং জানিয়েছে, তারা তাদের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে হামলার সুযোগ দেয়নি।

গত মার্চে জেলেনস্কি এই অঞ্চল সফর করেন এবং তখনই সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।