ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন দিল্লিতে বসে হুংকার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী মোনাফেক গুপ্তরা থেমে নেই: ছাত্রদল সভাপতি পদত্যাগ করলেন ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী শিক্ষককে ঘরে আটকে মাথায় ১০ কোপ, শিক্ষার্থীর মা গ্রেফতার আগ্রাসন চালিয়ে হরমুজ কখনোই উন্মুক্ত করা যাবে না, ইরানের হুঁশিয়ারি ‘ফার্মের মুরগি’ এই ছাত্ররা রাস্তায় নেমেছিল বলেই আপনি এখন শিক্ষামন্ত্রী কুসুম্বা মসজিদের দানবাক্সে মিলল পৌনে ১৩ লাখ টাকা ও স্বর্ণের চামচ দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী আমাকে ঋণখেলাপি বলে জাতির কাছে ছোট করা হয়েছে: সংসদে এমপি সারোয়ার

লোকসভায় ভোটে মোদির বড় পরাজয়

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

সংসদীয় ইতিহাসে নরেন্দ্র মোদি সরকারের বড় পরাজয় হয়েছে। নারী আসন সংরক্ষণ ও লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধির সংশোধনী বিল ভারতের লোকসভায় পাশ হতে ব্যর্থ হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) লোকসভায় বিলটির পক্ষে পর্যাপ্ত ভোট না পড়ায় এটি বাতিল হয়ে যায়। খবর দ্য হিন্দুর।

জানা গেছে, বিলের পক্ষে ২৯৮ জন সদস্য ভোট দিলেও বিপক্ষে ভোট পড়ে ২৩০টি। প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় বিলটি বাতিল হয়। বিলটি ২০২৯ সাল থেকে আইনসভায় নারী কোটা কার্যকর করা এবং লোকসভার আসন সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রস্তাব করা হয়েছিল। এই বিলটির পরাজয়ের পর সংশ্লিষ্ট আরও দুটি বিল থেকেও সরে আসার ঘোষণা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার জানায়, তারা এই সংক্রান্ত অন্য দুটি বিল নিয়েও আর এগোবে না। সরকারের মতে, বিষয়গুলো আলাদাভাবে বিবেচনা করা সম্ভব নয়।

বিলটি পাশ না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করে সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, গুরুত্বপূর্ণ একটি সংস্কারে ঐকমত্য গড়ে তোলার সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে।

এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিতর্কের জবাবে বলেন, ভোটার ও সংসদ সদস্যদের অনুপাতের ভারসাম্যহীনতা সীমানা পুনর্নির্ধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঠিক করা সম্ভব। তিনি অভিযোগ করেন, কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকাকালে জনগণকে সীমানা পুনর্নির্ধারণ থেকে বঞ্চিত করেছিল এবং এখনও একই অবস্থান বজায় রেখেছে।

বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী লোকসভায় তার বক্তব্যে সরকারের এই বিলের তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি দাবি করেন, এই বিলটির সঙ্গে নারী সংরক্ষণের কোনও সম্পর্ক নেই। বরং এটি দেশের নির্বাচনি মানচিত্র বদলের একটি প্রচেষ্টা।

রাহুল গান্ধী বলেন, দক্ষিণ ভারত, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং ছোট রাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্ব কেড়ে নেওয়ার এই চেষ্টা একটি ‘দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড’ ছাড়া আর কিছুই নয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

লোকসভায় ভোটে মোদির বড় পরাজয়

আপডেট সময় ০৩:৫০:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

সংসদীয় ইতিহাসে নরেন্দ্র মোদি সরকারের বড় পরাজয় হয়েছে। নারী আসন সংরক্ষণ ও লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধির সংশোধনী বিল ভারতের লোকসভায় পাশ হতে ব্যর্থ হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) লোকসভায় বিলটির পক্ষে পর্যাপ্ত ভোট না পড়ায় এটি বাতিল হয়ে যায়। খবর দ্য হিন্দুর।

জানা গেছে, বিলের পক্ষে ২৯৮ জন সদস্য ভোট দিলেও বিপক্ষে ভোট পড়ে ২৩০টি। প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় বিলটি বাতিল হয়। বিলটি ২০২৯ সাল থেকে আইনসভায় নারী কোটা কার্যকর করা এবং লোকসভার আসন সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রস্তাব করা হয়েছিল। এই বিলটির পরাজয়ের পর সংশ্লিষ্ট আরও দুটি বিল থেকেও সরে আসার ঘোষণা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার জানায়, তারা এই সংক্রান্ত অন্য দুটি বিল নিয়েও আর এগোবে না। সরকারের মতে, বিষয়গুলো আলাদাভাবে বিবেচনা করা সম্ভব নয়।

বিলটি পাশ না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করে সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, গুরুত্বপূর্ণ একটি সংস্কারে ঐকমত্য গড়ে তোলার সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে।

এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিতর্কের জবাবে বলেন, ভোটার ও সংসদ সদস্যদের অনুপাতের ভারসাম্যহীনতা সীমানা পুনর্নির্ধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঠিক করা সম্ভব। তিনি অভিযোগ করেন, কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকাকালে জনগণকে সীমানা পুনর্নির্ধারণ থেকে বঞ্চিত করেছিল এবং এখনও একই অবস্থান বজায় রেখেছে।

বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী লোকসভায় তার বক্তব্যে সরকারের এই বিলের তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি দাবি করেন, এই বিলটির সঙ্গে নারী সংরক্ষণের কোনও সম্পর্ক নেই। বরং এটি দেশের নির্বাচনি মানচিত্র বদলের একটি প্রচেষ্টা।

রাহুল গান্ধী বলেন, দক্ষিণ ভারত, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং ছোট রাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্ব কেড়ে নেওয়ার এই চেষ্টা একটি ‘দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড’ ছাড়া আর কিছুই নয়।