ঢাকা ০১:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুলের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ক্রিকেটাররা, মাঠে যাননি কেউ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে হামলা হতে পারে: রয়টার্স আওয়ামী লীগ ভুল স্বীকার করলে রিকনসিলিয়েশন সম্ভব: প্রধান উপদেষ্টা নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর

ডিজিটাল কাণ্ড, ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় ডিজিটাল পদ্ধতিতে জালিয়াতি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজ্ঞান অনুষদভুক্তন ক ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় বেশ কিচু অভিযোগ পায়। অভিযোগগুলো ছিল ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি, প্রক্সি ও ডিজিটাল জালিয়াতি। এমন অভিযোগে ঢাকা জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত ১২ জনের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

মাস্টারকার্ডের মত দেখতে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসে সিম কার্ড ঢুকিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে যোগাযোগ করার মাধ্যমে প্রশ্নের উত্তর সংগ্রহ করার সময় হাতে নাতে তাদেরকে ধরাহয়। এসময় তাদের কানে অতিক্ষুদ্র তারবিহীন হেডফোন পাওয়া যায়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহীদ এলাহী ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সাজাপ্রাপ্তরা হচ্ছেন: আবু হানিফ নোমান, তানভীর হোসাইন, নাহিদ হাসান কাওসার, আল ইমরান, নূরে আলম আরিফ, খন্দকার মিরাজুল ইসলাম, আরিফা বিল্লাহ তামান্না, রফিকুল ইসলাম, শাহ পরান, এস এম জাকির হোসাইন, আবুল বাশার ও সৌমিকা প্রতিচী সাত্তার।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ এম আমজাদ, সহকারী প্রক্টর মো. সোহেল রানা, ড. এ কে লুতিফুল কবীর, মাইনুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিজিটাল কাণ্ড, ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় ডিজিটাল পদ্ধতিতে জালিয়াতি

আপডেট সময় ০৩:৫৩:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজ্ঞান অনুষদভুক্তন ক ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় বেশ কিচু অভিযোগ পায়। অভিযোগগুলো ছিল ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি, প্রক্সি ও ডিজিটাল জালিয়াতি। এমন অভিযোগে ঢাকা জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত ১২ জনের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

মাস্টারকার্ডের মত দেখতে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসে সিম কার্ড ঢুকিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে যোগাযোগ করার মাধ্যমে প্রশ্নের উত্তর সংগ্রহ করার সময় হাতে নাতে তাদেরকে ধরাহয়। এসময় তাদের কানে অতিক্ষুদ্র তারবিহীন হেডফোন পাওয়া যায়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহীদ এলাহী ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সাজাপ্রাপ্তরা হচ্ছেন: আবু হানিফ নোমান, তানভীর হোসাইন, নাহিদ হাসান কাওসার, আল ইমরান, নূরে আলম আরিফ, খন্দকার মিরাজুল ইসলাম, আরিফা বিল্লাহ তামান্না, রফিকুল ইসলাম, শাহ পরান, এস এম জাকির হোসাইন, আবুল বাশার ও সৌমিকা প্রতিচী সাত্তার।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ এম আমজাদ, সহকারী প্রক্টর মো. সোহেল রানা, ড. এ কে লুতিফুল কবীর, মাইনুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।