ঢাকা ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিউইয়র্কে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি বাবা-ছেলেসহ নিহত ৩

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আপস্টেট অঞ্চলে আলবানির কাছাকাছি এলাকায় দুই গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুজন বাংলাদেশের কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কড়ইবাড়ী গ্রামের একই পরিবারের বাবা-ছেলে।

ওই বাংলাদেশি পরিবারটি নিউইয়র্ক সিটি থেকে আপস্টেট যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনার শিকার হন। তারা হলেন- মোহাম্মদ হিরামন (৬০) ও তার বড় ছেলে নাজমুল এম রুবেল (৩০)।

কড়াইবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম, জিয়া এবং পাশের পীরকাশিমপুর গ্রামের মঈদ আহমেদ নিহত হিরামনের ছোট ছেলে মোহাম্মদ নাজমুল হাসান অপুর বরাত দিয়ে তারা জানান, গত রাতে নিউইয়র্ক সিটি থেকে আলবানি যাওয়ার পথে দুটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে মোহাম্মদ হিরামন ও তার বড় ছেলে নাজমুল এম রুবেল নিহত হন। এ ছাড়া হিরামনের ছেলের বন্ধু ফাহিম হালিমও এ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান।

এ সময় নিহত হিরামনের বড় মেয়ে ফাতেমা আক্তার রত্না (৩৬) এবং রত্নার চার বছর বয়সী মেয়ে ইকরা আয়াত গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপর গাড়ির আরও একজন আরোহী নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

গতকাল ৭ এপ্রিল বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টার দিকে দুটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

এদিকে, প্রবাসে একই পরিবারের বাবা-ছেলের এমন মৃত্যুতে কড়ইবাড়ী গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বুধবার (নিউইয়র্ক সময়) জোহরের নামাজের পর ব্রঙ্কসের বাইতুল আমান ইসলামিক সেন্টারে (২৩৫১ নিউবোল্ড অ্যাভিনিউ, ব্রঙ্কস, নিউইয়র্ক ১০৪৬২) তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদ হিরামন ২০১৮ সাল থেকে স্ত্রী নাজমা আক্তার, বড় ছেলে নাজমুল এম রুবেল, ছোট ছেলে মোহাম্মদ নাজমুল হাসান অপু, বড় মেয়ে ফাতেমা আক্তার রত্না ও ছোট মেয়ে রিমাকে নিয়ে সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে বসবাস করে আসছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

নিউইয়র্কে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি বাবা-ছেলেসহ নিহত ৩

আপডেট সময় ০৪:৩৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আপস্টেট অঞ্চলে আলবানির কাছাকাছি এলাকায় দুই গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুজন বাংলাদেশের কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কড়ইবাড়ী গ্রামের একই পরিবারের বাবা-ছেলে।

ওই বাংলাদেশি পরিবারটি নিউইয়র্ক সিটি থেকে আপস্টেট যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনার শিকার হন। তারা হলেন- মোহাম্মদ হিরামন (৬০) ও তার বড় ছেলে নাজমুল এম রুবেল (৩০)।

কড়াইবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম, জিয়া এবং পাশের পীরকাশিমপুর গ্রামের মঈদ আহমেদ নিহত হিরামনের ছোট ছেলে মোহাম্মদ নাজমুল হাসান অপুর বরাত দিয়ে তারা জানান, গত রাতে নিউইয়র্ক সিটি থেকে আলবানি যাওয়ার পথে দুটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে মোহাম্মদ হিরামন ও তার বড় ছেলে নাজমুল এম রুবেল নিহত হন। এ ছাড়া হিরামনের ছেলের বন্ধু ফাহিম হালিমও এ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান।

এ সময় নিহত হিরামনের বড় মেয়ে ফাতেমা আক্তার রত্না (৩৬) এবং রত্নার চার বছর বয়সী মেয়ে ইকরা আয়াত গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপর গাড়ির আরও একজন আরোহী নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

গতকাল ৭ এপ্রিল বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টার দিকে দুটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

এদিকে, প্রবাসে একই পরিবারের বাবা-ছেলের এমন মৃত্যুতে কড়ইবাড়ী গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বুধবার (নিউইয়র্ক সময়) জোহরের নামাজের পর ব্রঙ্কসের বাইতুল আমান ইসলামিক সেন্টারে (২৩৫১ নিউবোল্ড অ্যাভিনিউ, ব্রঙ্কস, নিউইয়র্ক ১০৪৬২) তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদ হিরামন ২০১৮ সাল থেকে স্ত্রী নাজমা আক্তার, বড় ছেলে নাজমুল এম রুবেল, ছোট ছেলে মোহাম্মদ নাজমুল হাসান অপু, বড় মেয়ে ফাতেমা আক্তার রত্না ও ছোট মেয়ে রিমাকে নিয়ে সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে বসবাস করে আসছিলেন।