ঢাকা ০৯:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন ফেসবুক স্ট্যাটাসে ৯ দফার ঘোষক কাদের: ফিমেল জোন যেন ফিমেল উইংয়ের ‘টিএসসি শাখা অফিস’ না হয় ৩০০ এমপিকে হাওড় ঘুরে আসার আহ্বান নাহিদের ভয়াবহ দাবানল : ফ্রান্সে সরানো হলো ৬৩ হাজার মানুষ, স্পেনে জরুরি অবস্থা মোহাম্মদপুরে এসআইয়ের পিঠে ছুরিকাঘাত, লেগেছে ৪৩ সেলাই আসিয়ানকে আরও শক্তিশালী করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ধর্মের নামে যারা বিভক্তি চায়, তারা জাতি ও ঈশ্বরের শত্রু: তথ্যমন্ত্রী স্পিকারের দায়িত্বে কায়সার কামাল বিনিয়োগনির্ভর উৎপাদন ও কর্মসংস্থানই বাংলাদেশের পরবর্তী প্রবৃদ্ধির চাবিকাঠি: তিতুমীর মাফিয়া আমলে নির্বাচিত হলেও সাহাবুদ্দিনের বর্তমান সরকারের প্রতি শ্রদ্ধা ছিল: স্পিকার

নিউইয়র্কে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি বাবা-ছেলেসহ নিহত ৩

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আপস্টেট অঞ্চলে আলবানির কাছাকাছি এলাকায় দুই গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুজন বাংলাদেশের কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কড়ইবাড়ী গ্রামের একই পরিবারের বাবা-ছেলে।

ওই বাংলাদেশি পরিবারটি নিউইয়র্ক সিটি থেকে আপস্টেট যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনার শিকার হন। তারা হলেন- মোহাম্মদ হিরামন (৬০) ও তার বড় ছেলে নাজমুল এম রুবেল (৩০)।

কড়াইবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম, জিয়া এবং পাশের পীরকাশিমপুর গ্রামের মঈদ আহমেদ নিহত হিরামনের ছোট ছেলে মোহাম্মদ নাজমুল হাসান অপুর বরাত দিয়ে তারা জানান, গত রাতে নিউইয়র্ক সিটি থেকে আলবানি যাওয়ার পথে দুটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে মোহাম্মদ হিরামন ও তার বড় ছেলে নাজমুল এম রুবেল নিহত হন। এ ছাড়া হিরামনের ছেলের বন্ধু ফাহিম হালিমও এ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান।

এ সময় নিহত হিরামনের বড় মেয়ে ফাতেমা আক্তার রত্না (৩৬) এবং রত্নার চার বছর বয়সী মেয়ে ইকরা আয়াত গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপর গাড়ির আরও একজন আরোহী নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

গতকাল ৭ এপ্রিল বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টার দিকে দুটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

এদিকে, প্রবাসে একই পরিবারের বাবা-ছেলের এমন মৃত্যুতে কড়ইবাড়ী গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বুধবার (নিউইয়র্ক সময়) জোহরের নামাজের পর ব্রঙ্কসের বাইতুল আমান ইসলামিক সেন্টারে (২৩৫১ নিউবোল্ড অ্যাভিনিউ, ব্রঙ্কস, নিউইয়র্ক ১০৪৬২) তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদ হিরামন ২০১৮ সাল থেকে স্ত্রী নাজমা আক্তার, বড় ছেলে নাজমুল এম রুবেল, ছোট ছেলে মোহাম্মদ নাজমুল হাসান অপু, বড় মেয়ে ফাতেমা আক্তার রত্না ও ছোট মেয়ে রিমাকে নিয়ে সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে বসবাস করে আসছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন

নিউইয়র্কে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি বাবা-ছেলেসহ নিহত ৩

আপডেট সময় ০৪:৩৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আপস্টেট অঞ্চলে আলবানির কাছাকাছি এলাকায় দুই গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুজন বাংলাদেশের কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কড়ইবাড়ী গ্রামের একই পরিবারের বাবা-ছেলে।

ওই বাংলাদেশি পরিবারটি নিউইয়র্ক সিটি থেকে আপস্টেট যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনার শিকার হন। তারা হলেন- মোহাম্মদ হিরামন (৬০) ও তার বড় ছেলে নাজমুল এম রুবেল (৩০)।

কড়াইবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম, জিয়া এবং পাশের পীরকাশিমপুর গ্রামের মঈদ আহমেদ নিহত হিরামনের ছোট ছেলে মোহাম্মদ নাজমুল হাসান অপুর বরাত দিয়ে তারা জানান, গত রাতে নিউইয়র্ক সিটি থেকে আলবানি যাওয়ার পথে দুটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে মোহাম্মদ হিরামন ও তার বড় ছেলে নাজমুল এম রুবেল নিহত হন। এ ছাড়া হিরামনের ছেলের বন্ধু ফাহিম হালিমও এ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান।

এ সময় নিহত হিরামনের বড় মেয়ে ফাতেমা আক্তার রত্না (৩৬) এবং রত্নার চার বছর বয়সী মেয়ে ইকরা আয়াত গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপর গাড়ির আরও একজন আরোহী নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

গতকাল ৭ এপ্রিল বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টার দিকে দুটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

এদিকে, প্রবাসে একই পরিবারের বাবা-ছেলের এমন মৃত্যুতে কড়ইবাড়ী গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বুধবার (নিউইয়র্ক সময়) জোহরের নামাজের পর ব্রঙ্কসের বাইতুল আমান ইসলামিক সেন্টারে (২৩৫১ নিউবোল্ড অ্যাভিনিউ, ব্রঙ্কস, নিউইয়র্ক ১০৪৬২) তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদ হিরামন ২০১৮ সাল থেকে স্ত্রী নাজমা আক্তার, বড় ছেলে নাজমুল এম রুবেল, ছোট ছেলে মোহাম্মদ নাজমুল হাসান অপু, বড় মেয়ে ফাতেমা আক্তার রত্না ও ছোট মেয়ে রিমাকে নিয়ে সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে বসবাস করে আসছিলেন।