আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
চট্টগ্রামের পটিয়ায় ছুরিকাহত যুবক মাহাবুব আলম (৩৫) মারা গেছেন। রোববার রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। ২৬ মার্চ সকালে উপজেলার ছনহরা ইউনিয়নের মধ্যম চাটারা গ্রামে হামলার শিকার হন তিনি।
মাহাবুব আলম মধ্যম চাটরা গ্রামের এজাহার মিয়ার ছেলে। তিনি সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাতেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাহাবুব আলমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকার নুর মোহাম্মদের (৩৮) জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল।
এর জের ধরে গত ২৬ মার্চ বেলা ১১টার দিকে দুজনের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে নুর মোহাম্মদ ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাহাবুব আলমকে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন মাহাবুবকে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
অবস্থার অবনতি হলে মাহাবুবকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানকার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চারদিন ধরে তাঁর চিকিৎসা চলছিলো। রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
হামলার দিনই মাহাবুবের স্ত্রী তাহমিনা জান্নাত পটিয়া থানায় মামলা করেন। স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ সেদিনই নুর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়।
তাহমিনা জান্নাতের ভাষ্য, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরেই তাঁর স্বামীর ওপর হামলা হয়েছে। তারা এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার দাবি করছেন।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক জিয়া বলেন, জমি নিয়ে পূর্ব বিরোধ থেকেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীর মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে। মামলায় দন্ডবিধির ৩০২ ধারা যুক্ত করা হচ্ছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















