ঢাকা ০৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

মেজর জিয়ার দিশায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতার সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল জাতি: রিজভী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, জিয়াউর রহমান ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জাতিকে যে দিশা দিয়েছিলেন, সেই পথ ধরেই ছাত্র, শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

রবিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, এই যুদ্ধ ছিল বিশ্বের মানুষের জন্য প্রেরণার উৎস। এটি ছিল রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, যেখানে মুক্তিযোদ্ধারা হাসিমুখে জীবন উৎসর্গ করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। স্বাধীনতার পর গত ৫৫ বছরে আমরা নানা অর্জনও করেছি।

তিনি আরও বলেন, ২৬ মার্চ আমাদের জাতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। হাজার বছরের সংগ্রাম, যুদ্ধ ও রক্তপাতের মধ্য দিয়ে এই দিনে আমরা স্বাধীনতার চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছেছি, যা বিশ্ব মানচিত্রে আমাদের একটি স্বতন্ত্র পরিচয় দিয়েছে।

স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব দুর্বল করা ও স্বাধীনতাকে সংকুচিত করার নানা চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু জনগণের সাহস ও বীরত্বের কাছে সব অপশক্তি পরাজিত হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, কখনো ‘বাকশাল’র নামে, কখনো মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে মানুষের বাকস্বাধীনতা ও চলাচলের স্বাধীনতা হরণ করে ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল।

রিজভী বলেন, স্বাধীনতার পর আমরা যে ‘বাকশাল’ দেখেছি, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত তার নতুন ও ভয়াবহ রূপ প্রত্যক্ষ করেছি। গুম, খুন, গুপ্তহত্যা ও ক্রসফায়ারের মাধ্যমে গোটা জাতিকে এক ভয়ংকর পরিস্থিতির মধ্যে রাখা হয়েছিল। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমরা নিরন্তর সংগ্রাম করেছি।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, এখন মানুষ অন্তত নির্ভয়ে কথা বলতে পারছে এবং মতপ্রকাশের একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রতিনিয়ত তারেক রহমান ও বিএনপি জোট সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করা হচ্ছে। কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, একটি ফ্যাসিবাদের পতনের পর আরেকটি ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। তবে বিএনপির ইতিহাস ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার নয়; বরং ফ্যাসিবাদ থেকে উত্তরণের গৌরবময় ইতিহাস আমাদের রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনি লিভারের মৃত্যু নিয়ে ভাইরাল গুজব, যা জানালেন কন্যা

মেজর জিয়ার দিশায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতার সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল জাতি: রিজভী

আপডেট সময় ০২:২৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, জিয়াউর রহমান ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জাতিকে যে দিশা দিয়েছিলেন, সেই পথ ধরেই ছাত্র, শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

রবিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, এই যুদ্ধ ছিল বিশ্বের মানুষের জন্য প্রেরণার উৎস। এটি ছিল রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, যেখানে মুক্তিযোদ্ধারা হাসিমুখে জীবন উৎসর্গ করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। স্বাধীনতার পর গত ৫৫ বছরে আমরা নানা অর্জনও করেছি।

তিনি আরও বলেন, ২৬ মার্চ আমাদের জাতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। হাজার বছরের সংগ্রাম, যুদ্ধ ও রক্তপাতের মধ্য দিয়ে এই দিনে আমরা স্বাধীনতার চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছেছি, যা বিশ্ব মানচিত্রে আমাদের একটি স্বতন্ত্র পরিচয় দিয়েছে।

স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব দুর্বল করা ও স্বাধীনতাকে সংকুচিত করার নানা চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু জনগণের সাহস ও বীরত্বের কাছে সব অপশক্তি পরাজিত হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, কখনো ‘বাকশাল’র নামে, কখনো মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে মানুষের বাকস্বাধীনতা ও চলাচলের স্বাধীনতা হরণ করে ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল।

রিজভী বলেন, স্বাধীনতার পর আমরা যে ‘বাকশাল’ দেখেছি, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত তার নতুন ও ভয়াবহ রূপ প্রত্যক্ষ করেছি। গুম, খুন, গুপ্তহত্যা ও ক্রসফায়ারের মাধ্যমে গোটা জাতিকে এক ভয়ংকর পরিস্থিতির মধ্যে রাখা হয়েছিল। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমরা নিরন্তর সংগ্রাম করেছি।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, এখন মানুষ অন্তত নির্ভয়ে কথা বলতে পারছে এবং মতপ্রকাশের একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রতিনিয়ত তারেক রহমান ও বিএনপি জোট সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করা হচ্ছে। কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, একটি ফ্যাসিবাদের পতনের পর আরেকটি ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। তবে বিএনপির ইতিহাস ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার নয়; বরং ফ্যাসিবাদ থেকে উত্তরণের গৌরবময় ইতিহাস আমাদের রয়েছে।