ঢাকা ০১:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপি সরকার জনগণের হয়ে উঠতে পারেনি: ডা. মিতু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপি সরকার জনগণের সরকার হয়ে উঠতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু। তিনি বলেন, সরকার গঠনের পর প্রতি পদে পদে এই প্রমাণই দিয়ে যাচ্ছে। এই জুলাই দেখেও তারা শিক্ষা গ্রহণ করলো না।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব কথা লেখেন।

মাহমুদা মিতু বলেন, আমি বিরোধী দলের একজন কর্মী। সরকারের ভুল-ত্রুটি তুলে ধরা আমার দায়িত্ব। আমি সেটাই করি, যৌক্তিকভাবে, তথ্য দিয়ে। কিন্তু সেজন্য বিএনপির কর্মীরা, দলীয় পোস্টেড নেতারা আমাকে কি নোংরাভাবে আক্রমণ করে সেটা আপনারা সবাই জানেন। কিন্তু তাতে আমি আমার কলম কিংবা কণ্ঠ কোনোটাই থামাবো না, ইনশাআল্লাহ।

তিনি লেখেন, গরীব, অসহায় মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত সহায়তা যদি সরাসরি দলীয় সংগঠনের নেতাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়, এটা কি গ্রহণযোগ্য?

সম্প্রতিক বিভিন্ন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া নিয়ে তিনি লেখেন, মেয়র, জেলা পরিষদসহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে দলীয় নিয়োগ; এগুলো কি আমরা পরিবর্তনের অংশ হিসেবে চেয়েছিলাম? আমরা তো দুর্নীতি, অনিয়ম আর স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলাম। নিজের শখের ডাক্তারি ছেড়ে দেশ পরিবর্তনের নেশায় মাঠে নেমেছিলাম। কি লাভ হলো? শুধু শুধুই জুলাই এসে হাজার মায়ের বুক খালি করলো। এভাবেই যদি এক ফ্যাসিবাদের শেষে আর এক ফ্যাসিবাদের জন্ম হবে তাহলে আমাদের জীবনে জুলাই না আসলেই হতো।

মাহমুদা মিতু লেখেন, যে প্রধানমন্ত্রী গরীবদের হক দলীয়কর্মীদের হাতে তুলে দেয় সে আর যাই হোক জনগণের প্রধানমন্ত্রী হতে ব্যর্থ। অদ্ভুতভাবেই খেয়াল করলাম প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব কোনো স্ট্যান্ড নেই, কোনো কিছুর বিরুদ্ধে একটা শক্ত অবস্থান তিনি নেন না।

তিনি লেখেন, রাজা যদি সিংহের মতো না হয়ে পাপেট হয় তাহলে সমালোচনা চোখ বন্ধ করে সহ্য করা ছাড়া আর উপায় কি?

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বিএনপি সরকার জনগণের হয়ে উঠতে পারেনি: ডা. মিতু

আপডেট সময় ০৮:১৫:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপি সরকার জনগণের সরকার হয়ে উঠতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু। তিনি বলেন, সরকার গঠনের পর প্রতি পদে পদে এই প্রমাণই দিয়ে যাচ্ছে। এই জুলাই দেখেও তারা শিক্ষা গ্রহণ করলো না।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব কথা লেখেন।

মাহমুদা মিতু বলেন, আমি বিরোধী দলের একজন কর্মী। সরকারের ভুল-ত্রুটি তুলে ধরা আমার দায়িত্ব। আমি সেটাই করি, যৌক্তিকভাবে, তথ্য দিয়ে। কিন্তু সেজন্য বিএনপির কর্মীরা, দলীয় পোস্টেড নেতারা আমাকে কি নোংরাভাবে আক্রমণ করে সেটা আপনারা সবাই জানেন। কিন্তু তাতে আমি আমার কলম কিংবা কণ্ঠ কোনোটাই থামাবো না, ইনশাআল্লাহ।

তিনি লেখেন, গরীব, অসহায় মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত সহায়তা যদি সরাসরি দলীয় সংগঠনের নেতাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়, এটা কি গ্রহণযোগ্য?

সম্প্রতিক বিভিন্ন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া নিয়ে তিনি লেখেন, মেয়র, জেলা পরিষদসহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে দলীয় নিয়োগ; এগুলো কি আমরা পরিবর্তনের অংশ হিসেবে চেয়েছিলাম? আমরা তো দুর্নীতি, অনিয়ম আর স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলাম। নিজের শখের ডাক্তারি ছেড়ে দেশ পরিবর্তনের নেশায় মাঠে নেমেছিলাম। কি লাভ হলো? শুধু শুধুই জুলাই এসে হাজার মায়ের বুক খালি করলো। এভাবেই যদি এক ফ্যাসিবাদের শেষে আর এক ফ্যাসিবাদের জন্ম হবে তাহলে আমাদের জীবনে জুলাই না আসলেই হতো।

মাহমুদা মিতু লেখেন, যে প্রধানমন্ত্রী গরীবদের হক দলীয়কর্মীদের হাতে তুলে দেয় সে আর যাই হোক জনগণের প্রধানমন্ত্রী হতে ব্যর্থ। অদ্ভুতভাবেই খেয়াল করলাম প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব কোনো স্ট্যান্ড নেই, কোনো কিছুর বিরুদ্ধে একটা শক্ত অবস্থান তিনি নেন না।

তিনি লেখেন, রাজা যদি সিংহের মতো না হয়ে পাপেট হয় তাহলে সমালোচনা চোখ বন্ধ করে সহ্য করা ছাড়া আর উপায় কি?