ঢাকা ১১:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেঘনায় স্পিডবোট দুর্ঘটনায় অস্ত্রসহ পুলিশ সদস্য নিখোঁজ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় পুলিশ সদস্য মো. ফখরুলের সন্ধানে প্রচারণা চালাচ্ছে লালমোহন থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাত ৭টার দিকে মেঘনা নদীর লালমোহন মঙ্গলসিকদার ঘাটে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে যায়। স্পিডবোটে থাকা লালমোহন মৎস্য অফিসের উদ্যোগে অভয়াশ্রম এলাকায় মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা অভিযান পরিচালনাকারী ৩ সদস্য ও মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ৪ জন পুলিশ ছিলেন।

ওই সময় স্থানীয়রা ৬ জনকে ট্রলার দিয়ে উদ্ধার করলেও কনস্টেবল মো. ফখরুলকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

লালমোহন থানার বিবৃতিতে জানানো হয়, পুলিশ ইউনিফর্ম পড়া ছিল। নিখোঁজ পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুলের কাছে একটি শটগান ও গুলি ছিল।

ওসি মো. অলিউল ইসলাম জানান, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার চাহিদা অনুযায়ী মৎস্য অভিযান পরিচালনার লক্ষ্যে মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই ওমর ফারুকের নেতৃত্বে কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম, মো. আল-আমিন, হাসিবুর রহমান এবং উপজেলা মৎস্য অফিসের প্রতিনিধি হিসেবে ক্ষেত্রসহকারী সাইফুল ইসলাম সোহাগ, মনোয়ার হোসেন ও অফিস সহকারী আব্বাস উদ্দিন ফরাজি অভিযানে অংশ নেন। তারা মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট থেকে স্পিডবোটযোগে অভিযানে রওয়ানা হন।

তিনি জানান, কিছু দূর যাওয়ার পর রাত আনুমানিক ৭টার দিকে হঠাৎ স্পিডবোটটি বিকল হয়ে পড়ে। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘাটে নোঙর করা ঢাকাগামী কর্ণফুলী-১২ লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়।

দুর্ঘটনায় স্পিডবোটে থাকা পুলিশ সদস্য ও মৎস্য বিভাগের অন্যান্য সদস্যরা মেঘনা নদীতে পড়ে যান। তাদের মধ্যে তিনজন পুলিশ সদস্য ও অন্যান্যরা উদ্ধার হতে সক্ষম হলেও কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম নিখোঁজ হন। তার সঙ্গে থাকা শটগান ও ১০ রাউন্ড গুলিও পানির নিচে তলিয়ে যায়। নিখোঁজ পুলিশ সদস্য ও অস্ত্র উদ্ধারে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট থানাকে দ্রুত অবহিত করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মেঘনায় স্পিডবোট দুর্ঘটনায় অস্ত্রসহ পুলিশ সদস্য নিখোঁজ

আপডেট সময় ০৯:৪০:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় পুলিশ সদস্য মো. ফখরুলের সন্ধানে প্রচারণা চালাচ্ছে লালমোহন থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাত ৭টার দিকে মেঘনা নদীর লালমোহন মঙ্গলসিকদার ঘাটে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে যায়। স্পিডবোটে থাকা লালমোহন মৎস্য অফিসের উদ্যোগে অভয়াশ্রম এলাকায় মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা অভিযান পরিচালনাকারী ৩ সদস্য ও মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ৪ জন পুলিশ ছিলেন।

ওই সময় স্থানীয়রা ৬ জনকে ট্রলার দিয়ে উদ্ধার করলেও কনস্টেবল মো. ফখরুলকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

লালমোহন থানার বিবৃতিতে জানানো হয়, পুলিশ ইউনিফর্ম পড়া ছিল। নিখোঁজ পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুলের কাছে একটি শটগান ও গুলি ছিল।

ওসি মো. অলিউল ইসলাম জানান, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার চাহিদা অনুযায়ী মৎস্য অভিযান পরিচালনার লক্ষ্যে মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই ওমর ফারুকের নেতৃত্বে কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম, মো. আল-আমিন, হাসিবুর রহমান এবং উপজেলা মৎস্য অফিসের প্রতিনিধি হিসেবে ক্ষেত্রসহকারী সাইফুল ইসলাম সোহাগ, মনোয়ার হোসেন ও অফিস সহকারী আব্বাস উদ্দিন ফরাজি অভিযানে অংশ নেন। তারা মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট থেকে স্পিডবোটযোগে অভিযানে রওয়ানা হন।

তিনি জানান, কিছু দূর যাওয়ার পর রাত আনুমানিক ৭টার দিকে হঠাৎ স্পিডবোটটি বিকল হয়ে পড়ে। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘাটে নোঙর করা ঢাকাগামী কর্ণফুলী-১২ লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়।

দুর্ঘটনায় স্পিডবোটে থাকা পুলিশ সদস্য ও মৎস্য বিভাগের অন্যান্য সদস্যরা মেঘনা নদীতে পড়ে যান। তাদের মধ্যে তিনজন পুলিশ সদস্য ও অন্যান্যরা উদ্ধার হতে সক্ষম হলেও কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম নিখোঁজ হন। তার সঙ্গে থাকা শটগান ও ১০ রাউন্ড গুলিও পানির নিচে তলিয়ে যায়। নিখোঁজ পুলিশ সদস্য ও অস্ত্র উদ্ধারে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট থানাকে দ্রুত অবহিত করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।