ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৫ আগস্টের পরাজিত শক্তি এখনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: নাহিদ ইসলাম অভ্যর্থনায় ফুলের তোড়া ও শিক্ষার্থীদের দাঁড় করিয়ে রাখা নিয়ে কড়া বার্তা শিক্ষামন্ত্রীর ইরানে আগামী সপ্তাহে ‘কঠোর’ হামলার হুমকি ট্রাম্পের রাজধানীর খিলক্ষেতের হোটেলে এসি মেরামতের সময় আগুন, চারজন দগ্ধ নাতিদের নিয়ে বাংলাদেশের খেলা দেখতে স্টেডিয়ামে মির্জা ফখরুল গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কোনো করুণার বিষয় নয়: তথ্যমন্ত্রী মির্জা আব্বাসকে দেখতে এভারকেয়ারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্মকর্তাদের সময়মতো অফিসে উপস্থিত থাকতে ত্রাণমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ ঠাকুরগাঁওয়ে কালবৈশাখীর তাণ্ডব, স্কুলছাত্রের মৃত্যু মালদ্বীপে গ্যাস বিস্ফোরণে ৫ বাংলাদেশি নিহত

অভ্যর্থনায় ফুলের তোড়া ও শিক্ষার্থীদের দাঁড় করিয়ে রাখা নিয়ে কড়া বার্তা শিক্ষামন্ত্রীর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে মন্ত্রী বা অতিথিকে শুভেচ্ছা জানানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বলে কঠোর বার্তা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেছেন,ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষক বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের রোদে বা সড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করতে পারবে না।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকালে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে শিক্ষার্থীদের রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে মন্ত্রীকে সংবর্ধনা জানানোর দৃশ্য দেখে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একজন সাধারণ মানুষের মতো আমাকে চলাফেরা করতে হবে। আমার জন্য কোনো ছাত্রছাত্রীকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা যাবে না। কোনো শিক্ষক কখনো আমার জন্য শিক্ষার্থীদের দাঁড় করাবেন না। ফুলের তোড়া, ফুলের মালা এগুলো হান্ড্রেড পারসেন্ট নিষিদ্ধ।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা আর কখনো রোদের মধ্যে রাস্তায় দাঁড়াবে না। তোমাদের রাস্তায় এসে শুভেচ্ছা জানানোর দরকার নেই। আমি নিজেই স্কুলে স্কুলে গিয়ে তোমাদের সঙ্গে দেখা করব।

এ সময় তিনি উপস্থিত শিক্ষকদের উদ্দেশে নির্দেশনা দিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের দ্রুত ছুটি দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটি শিথিল করা হয়নি। এটি ধাপে ধাপে করা যায় কিনা, সেটি নিয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

পরে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেল, উপজেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল আবেদিন স্বপন, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বোরহান উদ্দিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা।

একই দিনে শিক্ষামন্ত্রী কচুয়ায় নিবন্ধিত বেসরকারি এতিমখানা চেক বিতরণ এবং উপজেলা সমাজকল্যাণ কমিটি ও রোগী কল্যাণ সমিতির যৌথ উদ্যোগে অসহায় দরিদ্রদের মাঝে চেক বিতরণ ও হুইল চেয়ার বিতরণ করেন। এরপর তিনি কচুয়া প্রাথমিক শিক্ষা ও বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ইফতার মাহফিলে যোগ দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ আগস্টের পরাজিত শক্তি এখনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: নাহিদ ইসলাম

অভ্যর্থনায় ফুলের তোড়া ও শিক্ষার্থীদের দাঁড় করিয়ে রাখা নিয়ে কড়া বার্তা শিক্ষামন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৭:৩৫:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে মন্ত্রী বা অতিথিকে শুভেচ্ছা জানানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বলে কঠোর বার্তা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেছেন,ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষক বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের রোদে বা সড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করতে পারবে না।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকালে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে শিক্ষার্থীদের রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে মন্ত্রীকে সংবর্ধনা জানানোর দৃশ্য দেখে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একজন সাধারণ মানুষের মতো আমাকে চলাফেরা করতে হবে। আমার জন্য কোনো ছাত্রছাত্রীকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা যাবে না। কোনো শিক্ষক কখনো আমার জন্য শিক্ষার্থীদের দাঁড় করাবেন না। ফুলের তোড়া, ফুলের মালা এগুলো হান্ড্রেড পারসেন্ট নিষিদ্ধ।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা আর কখনো রোদের মধ্যে রাস্তায় দাঁড়াবে না। তোমাদের রাস্তায় এসে শুভেচ্ছা জানানোর দরকার নেই। আমি নিজেই স্কুলে স্কুলে গিয়ে তোমাদের সঙ্গে দেখা করব।

এ সময় তিনি উপস্থিত শিক্ষকদের উদ্দেশে নির্দেশনা দিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের দ্রুত ছুটি দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটি শিথিল করা হয়নি। এটি ধাপে ধাপে করা যায় কিনা, সেটি নিয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

পরে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেল, উপজেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল আবেদিন স্বপন, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বোরহান উদ্দিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা।

একই দিনে শিক্ষামন্ত্রী কচুয়ায় নিবন্ধিত বেসরকারি এতিমখানা চেক বিতরণ এবং উপজেলা সমাজকল্যাণ কমিটি ও রোগী কল্যাণ সমিতির যৌথ উদ্যোগে অসহায় দরিদ্রদের মাঝে চেক বিতরণ ও হুইল চেয়ার বিতরণ করেন। এরপর তিনি কচুয়া প্রাথমিক শিক্ষা ও বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ইফতার মাহফিলে যোগ দেন।