ঢাকা ০১:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করা হবে : প্রধানমন্ত্রী দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে পতন সিজারিয়ান সংস্কৃতি কমিয়ে স্বাভাবিক প্রসবে জোর দিচ্ছে সরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী গৌরনদীতে একযোগে আড়াইহাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী চুক্তির কাছাকাছি ছিলাম, এমন সময় ইরান হঠাৎ জাহাজে হামলা করল: ট্রাম্প সরকার সবসময় দুর্গত মানুষের পাশে আছে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী একটি মহলের অতি লোভের কারণে ইসলাম বিজয়ী হয়নি: চরমোনাই পীর ২৫ বছরের আগে পদত্যাগ করলে পেনশন সুবিধা পাবেন না সরকারি চাকরিজীবীরা চলতি বছরেই প্রতি উপজেলা হাসপাতালে স্থাপন হবে ক্যাথ ল্যাব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে স্বর্ণপদকজয়ী শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎ

দেশে নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি দেন স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান : রাষ্ট্রপতি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে নারী ক্ষমতায়নের যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, সেটিকে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী রূপ দেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

রবিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬’ উদযাপন এবং ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী সম্মাননা প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, নারী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে প্রথম নারী বিষয়ক দপ্তর প্রতিষ্ঠা করেন। পরে ১৯৭৮ সালে গঠন করা হয় মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া এটিকে বর্তমান মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে রূপান্তর করেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, সেটিকে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী রূপ দেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি (খালেদা জিয়া) মেয়েদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক এবং দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেন। নারী শিক্ষার হার বাড়াতে বেগম খালেদা জিয়া মেয়েদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি চালু করেন। নারী শিক্ষার এই যুগান্তকারী উদ্যোগ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত। বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এটিকে তৃতীয় বিশ্বের একটি সফল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রশংসা করে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকারও নারী শিক্ষার প্রসারে গুরুত্ব দিচ্ছে। স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে সরকার ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কাল বাদ পরশু অর্থাৎ আগামী ১০ মার্চ থেকে এই যুগান্তকারী কর্মসূচি শুরু হচ্ছে জেনে খুবই আনন্দিত।

রাষ্ট্র ও সমাজে নারীর অবদানের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি নারী। এই বিশাল নারী শক্তিকে রাষ্ট্র ও সমাজের মূলধারা থেকে দূরে রেখে জাতীয় অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কখনোই সম্ভব নয়। এ প্রসঙ্গে আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অমর বাণী আমরা স্মরণ করি-‘বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চিরকল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর’।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

দেশে নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি দেন স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান : রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০৭:২০:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে নারী ক্ষমতায়নের যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, সেটিকে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী রূপ দেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

রবিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬’ উদযাপন এবং ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী সম্মাননা প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, নারী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে প্রথম নারী বিষয়ক দপ্তর প্রতিষ্ঠা করেন। পরে ১৯৭৮ সালে গঠন করা হয় মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া এটিকে বর্তমান মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে রূপান্তর করেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, সেটিকে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী রূপ দেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি (খালেদা জিয়া) মেয়েদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক এবং দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেন। নারী শিক্ষার হার বাড়াতে বেগম খালেদা জিয়া মেয়েদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি চালু করেন। নারী শিক্ষার এই যুগান্তকারী উদ্যোগ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত। বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এটিকে তৃতীয় বিশ্বের একটি সফল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রশংসা করে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকারও নারী শিক্ষার প্রসারে গুরুত্ব দিচ্ছে। স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে সরকার ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কাল বাদ পরশু অর্থাৎ আগামী ১০ মার্চ থেকে এই যুগান্তকারী কর্মসূচি শুরু হচ্ছে জেনে খুবই আনন্দিত।

রাষ্ট্র ও সমাজে নারীর অবদানের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি নারী। এই বিশাল নারী শক্তিকে রাষ্ট্র ও সমাজের মূলধারা থেকে দূরে রেখে জাতীয় অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কখনোই সম্ভব নয়। এ প্রসঙ্গে আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অমর বাণী আমরা স্মরণ করি-‘বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চিরকল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর’।