ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অংশ নিতে না পারাদের পুনঃপরীক্ষার সুযোগ, ভুল প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী নগর ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত ‘সিটি গভর্নমেন্ট’ কাঠামোর ওপর প্রতিমন্ত্রীর জোর ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশ্বব্যাপী চক্ষু স্বাস্থ্যসেবায় নেতৃত্বে থাকবে বাংলাদেশ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মিন্টু হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনের যাবজ্জীবন শেখ হাসিনা পরিবার ও ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ: বিএফআইইউ প্রধান যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যকে যুদ্ধের দিকে ঠেলছে: জাতিসংঘে চীনের দূত বৃহস্পতিবার ফটিকছড়িতে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল, মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ঘোষণা ‘গণকবর ও নদীতে ভাসানো শহীদেরা শনাক্ত হলে সংখ্যা ১৪০০ ছাড়াতে পারে’:চিফ প্রসিকিউটর উত্তরায় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ

মেসির জাদুকরী হ্যাটট্রিকে সরাসরি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

আর্জেন্টিনার বাঁচামরার ম্যাচে একুয়েডরকে হারিয়ে সরাসরি রাশিয়া বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে লিওনেল মেসিরা। শুরুতেই পিছিয়ে পড়া দলকে লিওনেল মেসির জাদুকরী হ্যাটট্রিকে একুয়েডরকে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।

দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বের শেষ রাউন্ডে জ্বলে উঠলেন লিওনেল মেসি। একুয়েডরকে হারিয়ে, সব শঙ্কা কাটিয়ে ভাগ্য নিজেদের হাতেই রেখেছিল আর্জেন্টিনা। অন্য ম্যাচে ব্রাজিলের কাছে চিলি হেরে যাওয়ায় আর কলম্বিয়া-পেরু ম্যাচ ড্র হওয়ায় তৃতীয় হয়ে সরাসরিই তাই ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে উঠে গেল হোর্হে সাম্পাওলির দল।

বাঁচামরার ম্যাচের ৪০ সেকেন্ডের মধ্যে পিছিয়ে পড়েছিল আর্জেন্টিনা। লম্বা বাড়ানো বল ধরে সতীর্থকে হেডে বাড়িয়েছিলেন দিয়েছিলেন রোমারিও ইবাররা। কোনাকুনি শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন এই মিডফিল্ডার। বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করতে আর্জেন্টিনার তখন কমপক্ষে দুই গোল করতে হতো।

মেসির নৈপুণ্যে সমতা ফেরাতে দেরি হয়নি আর্জেন্টিনার। দ্বাদশ মিনিটে বাঁয়ে আনহেল দি মারিয়াকে বল বাড়িয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন বার্সেলোনার ফরোয়ার্ড। বল ফেরত পেয়ে প্রথম ছোঁয়াতেই বাঁ পায়ের বুটের সামনের অংশ দিয়ে টোকায় জালে পাঠান তিনি।

আট মিনিট পর একক প্রচেষ্টায় আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন মেসি। ডিফেন্ডারদের ভুলে বল পেয়েছিলেন। কিন্তু তারপরও অনেক কিছু করার বাকি ছিল। বল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডি-বক্সে ঢুকে উপরের বাঁ-কোণ দিয়ে জালে পাঠান পাঁচবারের বর্ষসেরা এই ফুটবলার।

৬২তম মিনিটে হ্যাটট্রিক করে যেন সব অনিশ্চয়তার অবসান ঘটালেন মেসি। বল নিয়ে এগিয়ে পায়ের জাদু আর ক্ষিপ্রতায় একজনকে ফাঁকি দিলেন। আরেকজন বাধা দিতে এগিয়ে আসতেই লবে একটু এগিয়ে থাকা গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে বল পাঠালেন জালে।

অনেকেই বলেছিল এটা হতে যাচ্ছে মেসির শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। আর্জেন্টিনা অধিনায়ক জবাবটা তোলা রেখেছিলেন যেন এই ম্যাচের জন্য। নিজেদের ম্যাচটা জিততে পারলে অন্তত পঞ্চম স্থানে থেকে প্লে-অফ খেলাটা নিশ্চিত ছিল আর্জেন্টিনার। তবে মেসির দুর্দান্ত এই নৈপুণ্যে তৃতীয় হয়ে সরাসরিই বিশ্বকাপে গেল শেষবার ১৯৭০ সালের আসরে খেলতে না পারা আর্জেন্টিনা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অংশ নিতে না পারাদের পুনঃপরীক্ষার সুযোগ, ভুল প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

মেসির জাদুকরী হ্যাটট্রিকে সরাসরি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা

আপডেট সময় ০২:১১:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০১৭

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

আর্জেন্টিনার বাঁচামরার ম্যাচে একুয়েডরকে হারিয়ে সরাসরি রাশিয়া বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে লিওনেল মেসিরা। শুরুতেই পিছিয়ে পড়া দলকে লিওনেল মেসির জাদুকরী হ্যাটট্রিকে একুয়েডরকে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।

দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বের শেষ রাউন্ডে জ্বলে উঠলেন লিওনেল মেসি। একুয়েডরকে হারিয়ে, সব শঙ্কা কাটিয়ে ভাগ্য নিজেদের হাতেই রেখেছিল আর্জেন্টিনা। অন্য ম্যাচে ব্রাজিলের কাছে চিলি হেরে যাওয়ায় আর কলম্বিয়া-পেরু ম্যাচ ড্র হওয়ায় তৃতীয় হয়ে সরাসরিই তাই ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে উঠে গেল হোর্হে সাম্পাওলির দল।

বাঁচামরার ম্যাচের ৪০ সেকেন্ডের মধ্যে পিছিয়ে পড়েছিল আর্জেন্টিনা। লম্বা বাড়ানো বল ধরে সতীর্থকে হেডে বাড়িয়েছিলেন দিয়েছিলেন রোমারিও ইবাররা। কোনাকুনি শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন এই মিডফিল্ডার। বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করতে আর্জেন্টিনার তখন কমপক্ষে দুই গোল করতে হতো।

মেসির নৈপুণ্যে সমতা ফেরাতে দেরি হয়নি আর্জেন্টিনার। দ্বাদশ মিনিটে বাঁয়ে আনহেল দি মারিয়াকে বল বাড়িয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন বার্সেলোনার ফরোয়ার্ড। বল ফেরত পেয়ে প্রথম ছোঁয়াতেই বাঁ পায়ের বুটের সামনের অংশ দিয়ে টোকায় জালে পাঠান তিনি।

আট মিনিট পর একক প্রচেষ্টায় আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন মেসি। ডিফেন্ডারদের ভুলে বল পেয়েছিলেন। কিন্তু তারপরও অনেক কিছু করার বাকি ছিল। বল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডি-বক্সে ঢুকে উপরের বাঁ-কোণ দিয়ে জালে পাঠান পাঁচবারের বর্ষসেরা এই ফুটবলার।

৬২তম মিনিটে হ্যাটট্রিক করে যেন সব অনিশ্চয়তার অবসান ঘটালেন মেসি। বল নিয়ে এগিয়ে পায়ের জাদু আর ক্ষিপ্রতায় একজনকে ফাঁকি দিলেন। আরেকজন বাধা দিতে এগিয়ে আসতেই লবে একটু এগিয়ে থাকা গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে বল পাঠালেন জালে।

অনেকেই বলেছিল এটা হতে যাচ্ছে মেসির শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। আর্জেন্টিনা অধিনায়ক জবাবটা তোলা রেখেছিলেন যেন এই ম্যাচের জন্য। নিজেদের ম্যাচটা জিততে পারলে অন্তত পঞ্চম স্থানে থেকে প্লে-অফ খেলাটা নিশ্চিত ছিল আর্জেন্টিনার। তবে মেসির দুর্দান্ত এই নৈপুণ্যে তৃতীয় হয়ে সরাসরিই বিশ্বকাপে গেল শেষবার ১৯৭০ সালের আসরে খেলতে না পারা আর্জেন্টিনা।