ঢাকা ১০:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানকে ‘উপযুক্ত সময়ে’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ‘অ্যালেক্স ইমন’ নিহত তুরস্কের কাছে ‘সবচেয়ে সুন্দরী নারী’ চেয়ে উগান্ডার সেনাপ্রধানের হুঁশিয়ারি! বিএনপি নিজেদের নির্বাচনি ইশতেহার নিজেরাই লঙ্ঘন করেছে: জামায়াত আমির হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশকারী বা বের হওয়া সব জাহাজ আটকানো হবে: ট্রাম্প কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ইসলামাবাদ সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পর মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিল রাশিয়া সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ মারা গেছেন আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ শিগগিরই হরমুজ প্রণালি পার হতে পারবে : ইরানি রাষ্ট্রদূত

১৭ ফেব্রুয়ারি সূর্যগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব এলাকায়

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

ফেব্রুয়ারির ১৭ তারিখে আকাশে ঘটতে যাচ্ছে একটি বিরল মহাজাগতিক ঘটনা—বলয়াকার সূর্যগ্রহণ। অনেকেই একে বলেন ‘রিং অব ফায়ার’ বা আগুনের বলয়। তবে দুঃখের বিষয় হলো, এই সূর্যগ্রহণ বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে না। এমনকি প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেও এটি দেখা সম্ভব হবে না।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ভাষায়, বলয়াকার সূর্যগ্রহণ তখনই ঘটে, যখন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে আসে। কিন্তু সে সময় চাঁদ পৃথিবী থেকে তুলনামূলক দূরে থাকে। ফলে চাঁদ পুরো সূর্যকে ঢাকতে পারে না। সূর্যের চারপাশে উজ্জ্বল একটি বলয় দেখা যায়। এই দৃশ্যকেই বলা হয় ‘রিং অব ফায়ার’।

নাসার তথ্য অনুযায়ী, এই বলয়াকার সূর্যগ্রহণ হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি। গ্রহণ শুরু হবে আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী সকাল ৭টা ১ মিনিটে (ইউটিসি)। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী তা শুরু হবে দুপুর ১টা ১ মিনিটের দিকে। বলয়াকার অংশটি সর্বোচ্চ প্রায় ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড স্থায়ী হতে পারে। তবে এই দৃশ্য দেখা যাবে পৃথিবীর খুব সীমিত কিছু এলাকায়।

এই সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে মূলত অ্যান্টার্কটিকার কিছু দুর্গম এলাকায়। এ ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার কয়েকটি দেশ এবং দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অংশে আংশিকভাবে গ্রহণ দেখা যেতে পারে। ভারত, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এই গ্রহণের বাইরে থাকবে। তাই এ অঞ্চলের মানুষ সরাসরি এই দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন না।

বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, সূর্যগ্রহণ দেখার সময় চোখের নিরাপত্তা অত্যন্ত জরুরি। যারা গ্রহণ দেখতে পাবেন, তাদের অবশ্যই অনুমোদিত (আইএসও ১২৩১২-২ মানসম্পন্ন) সূর্যগ্রহণ চশমা ব্যবহার করতে হবে। খালি চোখে বা সাধারণ চশমা পরে সূর্যের দিকে তাকানো খুবই ক্ষতিকর (চোখের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে)।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সী কবুতর যুক্তরাষ্ট্রের ‘সুগার’

১৭ ফেব্রুয়ারি সূর্যগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব এলাকায়

আপডেট সময় ১২:০৭:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

ফেব্রুয়ারির ১৭ তারিখে আকাশে ঘটতে যাচ্ছে একটি বিরল মহাজাগতিক ঘটনা—বলয়াকার সূর্যগ্রহণ। অনেকেই একে বলেন ‘রিং অব ফায়ার’ বা আগুনের বলয়। তবে দুঃখের বিষয় হলো, এই সূর্যগ্রহণ বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে না। এমনকি প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেও এটি দেখা সম্ভব হবে না।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ভাষায়, বলয়াকার সূর্যগ্রহণ তখনই ঘটে, যখন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে আসে। কিন্তু সে সময় চাঁদ পৃথিবী থেকে তুলনামূলক দূরে থাকে। ফলে চাঁদ পুরো সূর্যকে ঢাকতে পারে না। সূর্যের চারপাশে উজ্জ্বল একটি বলয় দেখা যায়। এই দৃশ্যকেই বলা হয় ‘রিং অব ফায়ার’।

নাসার তথ্য অনুযায়ী, এই বলয়াকার সূর্যগ্রহণ হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি। গ্রহণ শুরু হবে আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী সকাল ৭টা ১ মিনিটে (ইউটিসি)। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী তা শুরু হবে দুপুর ১টা ১ মিনিটের দিকে। বলয়াকার অংশটি সর্বোচ্চ প্রায় ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড স্থায়ী হতে পারে। তবে এই দৃশ্য দেখা যাবে পৃথিবীর খুব সীমিত কিছু এলাকায়।

এই সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে মূলত অ্যান্টার্কটিকার কিছু দুর্গম এলাকায়। এ ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার কয়েকটি দেশ এবং দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অংশে আংশিকভাবে গ্রহণ দেখা যেতে পারে। ভারত, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এই গ্রহণের বাইরে থাকবে। তাই এ অঞ্চলের মানুষ সরাসরি এই দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন না।

বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, সূর্যগ্রহণ দেখার সময় চোখের নিরাপত্তা অত্যন্ত জরুরি। যারা গ্রহণ দেখতে পাবেন, তাদের অবশ্যই অনুমোদিত (আইএসও ১২৩১২-২ মানসম্পন্ন) সূর্যগ্রহণ চশমা ব্যবহার করতে হবে। খালি চোখে বা সাধারণ চশমা পরে সূর্যের দিকে তাকানো খুবই ক্ষতিকর (চোখের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে)।