ঢাকা ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

গ্রহণের সময় কেন কিছু খেতে নেই?

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

আর মাত্র কয়েক ঘন্টা৷ তারপরেই বিরল সূর্যগ্রহণের সাক্ষী থাকবে উত্তর আমেরিকা৷ এই পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণে মধ্যাহ্নেই নামবে সন্ধ্যা৷ তবে, খালি চোখে এই সূর্যগ্রহণ দেখা একদমই উচিত নয়৷ বিশেষ চশমা পরে তবেই দেখতে হয় এই সূর্যগ্রহণ কিংবা চন্দ্রগ্রহণ৷ প্রকৃতির এই দুই জিনিসকে ঘিরেও নানা বিশ্বাস-অবিশ্বাস জড়িয়ে রয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে৷ কথিত আছে, এই সময় কোনও খাওয়ার মুখে তুলতে নেই৷ কিন্তু কেন জানেন?

তবে, এই গ্রহণ চলাকালীন বেশ কিছু নিয়ম জারি রয়েছে৷ গ্রহণ চলাকালীন খাওয়ার গ্রহণ করতে নেই, বাইরে বের হতে নেই৷ এমনকি গর্ভবতী মহিলাদেরকেও বেশ কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়৷ এমনই বেশ কিছু কড়া নির্দেশ মেনে চলতে হয় বাড়ির মা-কাকিমাদের কথায়৷ কিন্তু এগুলি নিছক কুসংস্কার নাকি এর সঙ্গে কোনও বৈজ্ঞানিক কারণ জড়িত রয়েছে, সেই নিয়ে দ্বিমত রয়েছে৷ এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলেও একটি বিষয় কিন্তু স্পষ্ট৷ চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর ছায়া সূর্যের উপরে পরে৷ আবার চন্দ্রগ্রহণের সময় সূর্যের আলো চন্দ্রের উপর পরে৷ কিন্তু পৃথিবীর ছায়া চন্দ্রের উপর পতিত থাকে বলে চন্দ্রের উপর সূর্যের পতিত আলোর প্রতিফলন কিরন পৃথিবীতে আসে না৷ কিন্তু সূর্যের পতিত আলোর বিকিরন পৃথিবীতে চলে আসে৷ সেই কারণে চাঁদকে আমরা লাল দেখি৷ সেই সময়ে প্রচুর পরিমাণে বিকিরন পৃথিবীর উপর এসে পরে৷ যা মানুষের শরীরের উপরে বিপুল পরিমাণে প্রভাব পরে৷ এই বিষয়টি বৈজ্ঞানিক ভাবেই প্রমাণিত৷ তাই গ্রহণের সোজাসুজি চাঁদ কিংবা সূর্যের দিকে তাকাতে নেই৷ সূর্যগ্রহণের থেকে চন্দ্রগ্রহণে বিকিরণ অনেক কম হয়৷ কিন্তু এর ক্ষতিকারক প্রভাব কিন্তু কম নয় কোনও অংশেই৷

মুনি ঋষিদের মতে, এই বিশ্বজগতে প্রাকৃতিক জগতের মধ্যেও নানা পরিবর্তন হয়ে থাকে৷ যা খুব সাধারণ হয়ে থাকলেও এর জেরে সাধারণ জীবনযাপনেও ব্যাপক ক্ষতি হয়৷ চন্দ্রগ্রহণ কিংবা সূর্যগ্রহণ প্রকৃতির খুবই সাধারণ একটি বিষয়৷ তবু বলা হয়ে থাকে, এই খাওয়ার রান্না করতে নেই কারণ তার মধ্যে তাহলে বিষক্রিয়া তৈরি হয়৷ এই কারণে হয় গ্রহণের আগে নয়তো গ্রহণের পরে খাওয়ার তৈরির একটি রীতি প্রচলিত রয়েছে৷ প্রসঙ্গত, গ্রহণের সময় সূর্য, চাঁদ এবং পৃথিবী সমান রেখায় চলে আসে৷ তাই জোয়ার-ভাঁটাও তৈরি হয়৷

তাহলে কি খাবেন এই গ্রহণের সময়? এই প্রশ্নের উত্তরে বৈজ্ঞানিকরা জানাচ্ছেন, প্রচুর পরিমাণে জল আর হালকা খাওয়ার খান৷ ফল এবং শাকশব্জি খান৷ যা সহজেই হজম হতে পারে৷ সুতরাং এত তর্ক বিতর্কে না গিয়ে গ্রহণের সময় আপনার ডায়েটের তালিকায় রাখুন হালকা খাওয়ার এবং সুস্থ থাকতে খালি পেটে যোগা করুন৷

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

গ্রহণের সময় কেন কিছু খেতে নেই?

আপডেট সময় ১২:১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

আর মাত্র কয়েক ঘন্টা৷ তারপরেই বিরল সূর্যগ্রহণের সাক্ষী থাকবে উত্তর আমেরিকা৷ এই পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণে মধ্যাহ্নেই নামবে সন্ধ্যা৷ তবে, খালি চোখে এই সূর্যগ্রহণ দেখা একদমই উচিত নয়৷ বিশেষ চশমা পরে তবেই দেখতে হয় এই সূর্যগ্রহণ কিংবা চন্দ্রগ্রহণ৷ প্রকৃতির এই দুই জিনিসকে ঘিরেও নানা বিশ্বাস-অবিশ্বাস জড়িয়ে রয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে৷ কথিত আছে, এই সময় কোনও খাওয়ার মুখে তুলতে নেই৷ কিন্তু কেন জানেন?

তবে, এই গ্রহণ চলাকালীন বেশ কিছু নিয়ম জারি রয়েছে৷ গ্রহণ চলাকালীন খাওয়ার গ্রহণ করতে নেই, বাইরে বের হতে নেই৷ এমনকি গর্ভবতী মহিলাদেরকেও বেশ কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়৷ এমনই বেশ কিছু কড়া নির্দেশ মেনে চলতে হয় বাড়ির মা-কাকিমাদের কথায়৷ কিন্তু এগুলি নিছক কুসংস্কার নাকি এর সঙ্গে কোনও বৈজ্ঞানিক কারণ জড়িত রয়েছে, সেই নিয়ে দ্বিমত রয়েছে৷ এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলেও একটি বিষয় কিন্তু স্পষ্ট৷ চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর ছায়া সূর্যের উপরে পরে৷ আবার চন্দ্রগ্রহণের সময় সূর্যের আলো চন্দ্রের উপর পরে৷ কিন্তু পৃথিবীর ছায়া চন্দ্রের উপর পতিত থাকে বলে চন্দ্রের উপর সূর্যের পতিত আলোর প্রতিফলন কিরন পৃথিবীতে আসে না৷ কিন্তু সূর্যের পতিত আলোর বিকিরন পৃথিবীতে চলে আসে৷ সেই কারণে চাঁদকে আমরা লাল দেখি৷ সেই সময়ে প্রচুর পরিমাণে বিকিরন পৃথিবীর উপর এসে পরে৷ যা মানুষের শরীরের উপরে বিপুল পরিমাণে প্রভাব পরে৷ এই বিষয়টি বৈজ্ঞানিক ভাবেই প্রমাণিত৷ তাই গ্রহণের সোজাসুজি চাঁদ কিংবা সূর্যের দিকে তাকাতে নেই৷ সূর্যগ্রহণের থেকে চন্দ্রগ্রহণে বিকিরণ অনেক কম হয়৷ কিন্তু এর ক্ষতিকারক প্রভাব কিন্তু কম নয় কোনও অংশেই৷

মুনি ঋষিদের মতে, এই বিশ্বজগতে প্রাকৃতিক জগতের মধ্যেও নানা পরিবর্তন হয়ে থাকে৷ যা খুব সাধারণ হয়ে থাকলেও এর জেরে সাধারণ জীবনযাপনেও ব্যাপক ক্ষতি হয়৷ চন্দ্রগ্রহণ কিংবা সূর্যগ্রহণ প্রকৃতির খুবই সাধারণ একটি বিষয়৷ তবু বলা হয়ে থাকে, এই খাওয়ার রান্না করতে নেই কারণ তার মধ্যে তাহলে বিষক্রিয়া তৈরি হয়৷ এই কারণে হয় গ্রহণের আগে নয়তো গ্রহণের পরে খাওয়ার তৈরির একটি রীতি প্রচলিত রয়েছে৷ প্রসঙ্গত, গ্রহণের সময় সূর্য, চাঁদ এবং পৃথিবী সমান রেখায় চলে আসে৷ তাই জোয়ার-ভাঁটাও তৈরি হয়৷

তাহলে কি খাবেন এই গ্রহণের সময়? এই প্রশ্নের উত্তরে বৈজ্ঞানিকরা জানাচ্ছেন, প্রচুর পরিমাণে জল আর হালকা খাওয়ার খান৷ ফল এবং শাকশব্জি খান৷ যা সহজেই হজম হতে পারে৷ সুতরাং এত তর্ক বিতর্কে না গিয়ে গ্রহণের সময় আপনার ডায়েটের তালিকায় রাখুন হালকা খাওয়ার এবং সুস্থ থাকতে খালি পেটে যোগা করুন৷