ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল

গ্রহণের সময় কেন কিছু খেতে নেই?

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

আর মাত্র কয়েক ঘন্টা৷ তারপরেই বিরল সূর্যগ্রহণের সাক্ষী থাকবে উত্তর আমেরিকা৷ এই পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণে মধ্যাহ্নেই নামবে সন্ধ্যা৷ তবে, খালি চোখে এই সূর্যগ্রহণ দেখা একদমই উচিত নয়৷ বিশেষ চশমা পরে তবেই দেখতে হয় এই সূর্যগ্রহণ কিংবা চন্দ্রগ্রহণ৷ প্রকৃতির এই দুই জিনিসকে ঘিরেও নানা বিশ্বাস-অবিশ্বাস জড়িয়ে রয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে৷ কথিত আছে, এই সময় কোনও খাওয়ার মুখে তুলতে নেই৷ কিন্তু কেন জানেন?

তবে, এই গ্রহণ চলাকালীন বেশ কিছু নিয়ম জারি রয়েছে৷ গ্রহণ চলাকালীন খাওয়ার গ্রহণ করতে নেই, বাইরে বের হতে নেই৷ এমনকি গর্ভবতী মহিলাদেরকেও বেশ কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়৷ এমনই বেশ কিছু কড়া নির্দেশ মেনে চলতে হয় বাড়ির মা-কাকিমাদের কথায়৷ কিন্তু এগুলি নিছক কুসংস্কার নাকি এর সঙ্গে কোনও বৈজ্ঞানিক কারণ জড়িত রয়েছে, সেই নিয়ে দ্বিমত রয়েছে৷ এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলেও একটি বিষয় কিন্তু স্পষ্ট৷ চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর ছায়া সূর্যের উপরে পরে৷ আবার চন্দ্রগ্রহণের সময় সূর্যের আলো চন্দ্রের উপর পরে৷ কিন্তু পৃথিবীর ছায়া চন্দ্রের উপর পতিত থাকে বলে চন্দ্রের উপর সূর্যের পতিত আলোর প্রতিফলন কিরন পৃথিবীতে আসে না৷ কিন্তু সূর্যের পতিত আলোর বিকিরন পৃথিবীতে চলে আসে৷ সেই কারণে চাঁদকে আমরা লাল দেখি৷ সেই সময়ে প্রচুর পরিমাণে বিকিরন পৃথিবীর উপর এসে পরে৷ যা মানুষের শরীরের উপরে বিপুল পরিমাণে প্রভাব পরে৷ এই বিষয়টি বৈজ্ঞানিক ভাবেই প্রমাণিত৷ তাই গ্রহণের সোজাসুজি চাঁদ কিংবা সূর্যের দিকে তাকাতে নেই৷ সূর্যগ্রহণের থেকে চন্দ্রগ্রহণে বিকিরণ অনেক কম হয়৷ কিন্তু এর ক্ষতিকারক প্রভাব কিন্তু কম নয় কোনও অংশেই৷

মুনি ঋষিদের মতে, এই বিশ্বজগতে প্রাকৃতিক জগতের মধ্যেও নানা পরিবর্তন হয়ে থাকে৷ যা খুব সাধারণ হয়ে থাকলেও এর জেরে সাধারণ জীবনযাপনেও ব্যাপক ক্ষতি হয়৷ চন্দ্রগ্রহণ কিংবা সূর্যগ্রহণ প্রকৃতির খুবই সাধারণ একটি বিষয়৷ তবু বলা হয়ে থাকে, এই খাওয়ার রান্না করতে নেই কারণ তার মধ্যে তাহলে বিষক্রিয়া তৈরি হয়৷ এই কারণে হয় গ্রহণের আগে নয়তো গ্রহণের পরে খাওয়ার তৈরির একটি রীতি প্রচলিত রয়েছে৷ প্রসঙ্গত, গ্রহণের সময় সূর্য, চাঁদ এবং পৃথিবী সমান রেখায় চলে আসে৷ তাই জোয়ার-ভাঁটাও তৈরি হয়৷

তাহলে কি খাবেন এই গ্রহণের সময়? এই প্রশ্নের উত্তরে বৈজ্ঞানিকরা জানাচ্ছেন, প্রচুর পরিমাণে জল আর হালকা খাওয়ার খান৷ ফল এবং শাকশব্জি খান৷ যা সহজেই হজম হতে পারে৷ সুতরাং এত তর্ক বিতর্কে না গিয়ে গ্রহণের সময় আপনার ডায়েটের তালিকায় রাখুন হালকা খাওয়ার এবং সুস্থ থাকতে খালি পেটে যোগা করুন৷

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই-অপহরণ

গ্রহণের সময় কেন কিছু খেতে নেই?

আপডেট সময় ১২:১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

আর মাত্র কয়েক ঘন্টা৷ তারপরেই বিরল সূর্যগ্রহণের সাক্ষী থাকবে উত্তর আমেরিকা৷ এই পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণে মধ্যাহ্নেই নামবে সন্ধ্যা৷ তবে, খালি চোখে এই সূর্যগ্রহণ দেখা একদমই উচিত নয়৷ বিশেষ চশমা পরে তবেই দেখতে হয় এই সূর্যগ্রহণ কিংবা চন্দ্রগ্রহণ৷ প্রকৃতির এই দুই জিনিসকে ঘিরেও নানা বিশ্বাস-অবিশ্বাস জড়িয়ে রয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে৷ কথিত আছে, এই সময় কোনও খাওয়ার মুখে তুলতে নেই৷ কিন্তু কেন জানেন?

তবে, এই গ্রহণ চলাকালীন বেশ কিছু নিয়ম জারি রয়েছে৷ গ্রহণ চলাকালীন খাওয়ার গ্রহণ করতে নেই, বাইরে বের হতে নেই৷ এমনকি গর্ভবতী মহিলাদেরকেও বেশ কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়৷ এমনই বেশ কিছু কড়া নির্দেশ মেনে চলতে হয় বাড়ির মা-কাকিমাদের কথায়৷ কিন্তু এগুলি নিছক কুসংস্কার নাকি এর সঙ্গে কোনও বৈজ্ঞানিক কারণ জড়িত রয়েছে, সেই নিয়ে দ্বিমত রয়েছে৷ এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলেও একটি বিষয় কিন্তু স্পষ্ট৷ চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর ছায়া সূর্যের উপরে পরে৷ আবার চন্দ্রগ্রহণের সময় সূর্যের আলো চন্দ্রের উপর পরে৷ কিন্তু পৃথিবীর ছায়া চন্দ্রের উপর পতিত থাকে বলে চন্দ্রের উপর সূর্যের পতিত আলোর প্রতিফলন কিরন পৃথিবীতে আসে না৷ কিন্তু সূর্যের পতিত আলোর বিকিরন পৃথিবীতে চলে আসে৷ সেই কারণে চাঁদকে আমরা লাল দেখি৷ সেই সময়ে প্রচুর পরিমাণে বিকিরন পৃথিবীর উপর এসে পরে৷ যা মানুষের শরীরের উপরে বিপুল পরিমাণে প্রভাব পরে৷ এই বিষয়টি বৈজ্ঞানিক ভাবেই প্রমাণিত৷ তাই গ্রহণের সোজাসুজি চাঁদ কিংবা সূর্যের দিকে তাকাতে নেই৷ সূর্যগ্রহণের থেকে চন্দ্রগ্রহণে বিকিরণ অনেক কম হয়৷ কিন্তু এর ক্ষতিকারক প্রভাব কিন্তু কম নয় কোনও অংশেই৷

মুনি ঋষিদের মতে, এই বিশ্বজগতে প্রাকৃতিক জগতের মধ্যেও নানা পরিবর্তন হয়ে থাকে৷ যা খুব সাধারণ হয়ে থাকলেও এর জেরে সাধারণ জীবনযাপনেও ব্যাপক ক্ষতি হয়৷ চন্দ্রগ্রহণ কিংবা সূর্যগ্রহণ প্রকৃতির খুবই সাধারণ একটি বিষয়৷ তবু বলা হয়ে থাকে, এই খাওয়ার রান্না করতে নেই কারণ তার মধ্যে তাহলে বিষক্রিয়া তৈরি হয়৷ এই কারণে হয় গ্রহণের আগে নয়তো গ্রহণের পরে খাওয়ার তৈরির একটি রীতি প্রচলিত রয়েছে৷ প্রসঙ্গত, গ্রহণের সময় সূর্য, চাঁদ এবং পৃথিবী সমান রেখায় চলে আসে৷ তাই জোয়ার-ভাঁটাও তৈরি হয়৷

তাহলে কি খাবেন এই গ্রহণের সময়? এই প্রশ্নের উত্তরে বৈজ্ঞানিকরা জানাচ্ছেন, প্রচুর পরিমাণে জল আর হালকা খাওয়ার খান৷ ফল এবং শাকশব্জি খান৷ যা সহজেই হজম হতে পারে৷ সুতরাং এত তর্ক বিতর্কে না গিয়ে গ্রহণের সময় আপনার ডায়েটের তালিকায় রাখুন হালকা খাওয়ার এবং সুস্থ থাকতে খালি পেটে যোগা করুন৷