ঢাকা ১০:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি আরো বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আছে, নির্বাচনী অঙ্গনে অনেক দুর্বৃত্ত ঢুকে গেছে: ড. বদিউল আলম ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ‘ভারতে গিয়ে খেলার পরিবেশ নেই বাংলাদেশের :আসিফ নজরুল ‘ইরান যুদ্ধ চায় না, তবে যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত’: আব্বাস আরাঘচি

ভারতের এই ১০ সেক্স স্ক্যান্ডেল প্রকাশ্যে আসতেই কেঁপে উঠেছিল দেশ

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

যৌনতা সবসময়ই হট টপিক৷ হট কেক-ও৷ তাই তো যৌন মধুর দিকে ছুটে যায় ঝাঁকে ঝাঁকে মৌমাছি৷ রাজনীতিবিদ থেকে ফিল্ম জগতের তারকা, অনেকেই এই মৌমাছিদের মধ্যে পড়েন৷ তবে তার মধ্যে কয়েকজনই নিজেদের সাক্ষ্য রেখে যান৷ তাদের স্ক্যান্ডেলই জায়গা করে নেয় ‘ইতিহাসে’৷

বাবুলাল নাগর

রাজস্থানের প্রাক্তন মন্ত্রী তিনি৷ ২০১৩ সালে এক মহিলা তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিলেন, বাবুলাল নাগর তাঁর শ্লীলতাহানি করেন৷ তাঁকে সরকারি চাকরি দেবেন বলে কথা দিয়েছিলেন বাবুলাল৷ তারপরেই তাঁর সঙ্গে শ্লীলতাহানি করেন৷ এই অভিযোগের পর বিরোধীদের মধ্যে বাবুলালকে নিয়ে চর্চা শুরু হয়৷ অবস্থা এমন জায়গায় পৌঁছয়, যে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন মন্ত্রী৷

রাঘবজি লক্ষ্মী সাভালা

মধ্যপ্রদেশ সরকারের মন্ত্রী ছিলেন তিনি৷ তাঁর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ আনেন তাঁরই বাড়ির পরিচারিকা৷ এরপর তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন৷

গোপাল কান্ডা

এক বিমানসেবিকা তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ এনেছিলেন৷ ঘটনার এখানেই শেষ নয়৷ এরপর আত্মহত্যা করেন সেই বিমানসেবিকা৷ সুইসাইড নোটে তিনি গোপালের বিরুদ্ধে লিখেও যান৷ এরপর গোপাল কান্ডাকে পদত্যাগপত্র দিতে বাধ্য করা হয়৷

এন ডি তিওয়ারি

উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তিনি৷ ২০০৯ সালে অন্ধ্রপ্রদেশের রাজ্যপাল থাকাকালীন তিনি সেক্স স্ক্যান্ডেলে জড়িয়ে পড়েছিলেন৷ অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি পদ থেকে সরে যান৷

মাহিপাল মদেরনা

২০১১ সালে রাজস্থান সরকারের মন্ত্রী ছিলেন তিনি৷ ভবানী দেবী সেক্স স্ক্যান্ডেলে তাঁর নাম জড়িয়েছিল৷ অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর মহিলা নিরুদ্দেশ হয়ে যান৷ তাঁর স্বামী মন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে শ্লীলতাহানি ও অপহরণের অভিযোগ তোলেন৷

পি কে কুনহালিকুট্টি

১৯৯৭ সালে কেরালা সরকারের মন্ত্রী ছিলেন তিনি৷ কুনহালিকুট্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, কোজিকোডের একটি আইসক্রিম পার্লারে জোর করে যৌনকর্মের ব্যবসা চালাতেন তিনি৷ তিনি মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করেন৷

অমরমণি ত্রিপাঠি

মধুমিতা শুক্লা নামে এক মহিলা কবিকে হত্যার অপরাধে তাঁকে জেলে পাঠানো হয়৷ তখন ত্রিপাঠি উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রী৷ অভিযোগ, মধুমিতা গর্ভবতী ছিলেন৷ ত্রিপাঠির সন্তানের মা হতে চলেছিলেন তিনি৷ বলা সত্ত্বেও তিনি গর্ভপাত করতে রাজি হননি৷ বহুবার তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়৷কিন্তু তাতেও মধুমিতার ‘টনক নড়েনি’৷ তাই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়৷

সুরেশ রাম

স্বাধীনতা সংগ্রামী জগজীবন রামের ছেলে সুরেশ রাম৷ ১৯৭৮ সালে তিনি সেক্স স্ক্যান্ডেলে জড়িয়ে পড়েন৷ এক মহিলার সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি ছড়িয়ে পড়ে৷ সূর্য নামের এক ম্যাগাজিনেও ছাপা হয় সেই ছবি৷ সেই ম্যাগাজিনের এডিটর ছিলেন মানেকা গান্ধি৷

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টঙ্গীতে পোশাক কারখানায় দুপুরের খাবারের পর অসুস্থ অর্ধশতাধিক শ্রমিক

ভারতের এই ১০ সেক্স স্ক্যান্ডেল প্রকাশ্যে আসতেই কেঁপে উঠেছিল দেশ

আপডেট সময় ১১:৩৭:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

যৌনতা সবসময়ই হট টপিক৷ হট কেক-ও৷ তাই তো যৌন মধুর দিকে ছুটে যায় ঝাঁকে ঝাঁকে মৌমাছি৷ রাজনীতিবিদ থেকে ফিল্ম জগতের তারকা, অনেকেই এই মৌমাছিদের মধ্যে পড়েন৷ তবে তার মধ্যে কয়েকজনই নিজেদের সাক্ষ্য রেখে যান৷ তাদের স্ক্যান্ডেলই জায়গা করে নেয় ‘ইতিহাসে’৷

বাবুলাল নাগর

রাজস্থানের প্রাক্তন মন্ত্রী তিনি৷ ২০১৩ সালে এক মহিলা তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিলেন, বাবুলাল নাগর তাঁর শ্লীলতাহানি করেন৷ তাঁকে সরকারি চাকরি দেবেন বলে কথা দিয়েছিলেন বাবুলাল৷ তারপরেই তাঁর সঙ্গে শ্লীলতাহানি করেন৷ এই অভিযোগের পর বিরোধীদের মধ্যে বাবুলালকে নিয়ে চর্চা শুরু হয়৷ অবস্থা এমন জায়গায় পৌঁছয়, যে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন মন্ত্রী৷

রাঘবজি লক্ষ্মী সাভালা

মধ্যপ্রদেশ সরকারের মন্ত্রী ছিলেন তিনি৷ তাঁর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ আনেন তাঁরই বাড়ির পরিচারিকা৷ এরপর তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন৷

গোপাল কান্ডা

এক বিমানসেবিকা তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ এনেছিলেন৷ ঘটনার এখানেই শেষ নয়৷ এরপর আত্মহত্যা করেন সেই বিমানসেবিকা৷ সুইসাইড নোটে তিনি গোপালের বিরুদ্ধে লিখেও যান৷ এরপর গোপাল কান্ডাকে পদত্যাগপত্র দিতে বাধ্য করা হয়৷

এন ডি তিওয়ারি

উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তিনি৷ ২০০৯ সালে অন্ধ্রপ্রদেশের রাজ্যপাল থাকাকালীন তিনি সেক্স স্ক্যান্ডেলে জড়িয়ে পড়েছিলেন৷ অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি পদ থেকে সরে যান৷

মাহিপাল মদেরনা

২০১১ সালে রাজস্থান সরকারের মন্ত্রী ছিলেন তিনি৷ ভবানী দেবী সেক্স স্ক্যান্ডেলে তাঁর নাম জড়িয়েছিল৷ অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর মহিলা নিরুদ্দেশ হয়ে যান৷ তাঁর স্বামী মন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে শ্লীলতাহানি ও অপহরণের অভিযোগ তোলেন৷

পি কে কুনহালিকুট্টি

১৯৯৭ সালে কেরালা সরকারের মন্ত্রী ছিলেন তিনি৷ কুনহালিকুট্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, কোজিকোডের একটি আইসক্রিম পার্লারে জোর করে যৌনকর্মের ব্যবসা চালাতেন তিনি৷ তিনি মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করেন৷

অমরমণি ত্রিপাঠি

মধুমিতা শুক্লা নামে এক মহিলা কবিকে হত্যার অপরাধে তাঁকে জেলে পাঠানো হয়৷ তখন ত্রিপাঠি উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রী৷ অভিযোগ, মধুমিতা গর্ভবতী ছিলেন৷ ত্রিপাঠির সন্তানের মা হতে চলেছিলেন তিনি৷ বলা সত্ত্বেও তিনি গর্ভপাত করতে রাজি হননি৷ বহুবার তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়৷কিন্তু তাতেও মধুমিতার ‘টনক নড়েনি’৷ তাই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়৷

সুরেশ রাম

স্বাধীনতা সংগ্রামী জগজীবন রামের ছেলে সুরেশ রাম৷ ১৯৭৮ সালে তিনি সেক্স স্ক্যান্ডেলে জড়িয়ে পড়েন৷ এক মহিলার সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি ছড়িয়ে পড়ে৷ সূর্য নামের এক ম্যাগাজিনেও ছাপা হয় সেই ছবি৷ সেই ম্যাগাজিনের এডিটর ছিলেন মানেকা গান্ধি৷