ঢাকা ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বাস থামিয়ে কিশোরীর কথা শুনলেন তারেক রহমান

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে নির্বাচনী জনসভা শেষে গাজীপুরের জনসভায় যোগ দিতে বিশেষ বাসে ফিরছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ থেকে ফেরার পথে ভালুকা উপজেলার সিডস্টোর এলাকায় তারেক রহমানের গাড়িবহর থামানোর ইশারা দেন এক কিশোরী। তার ইশারা দেখে বাস থামিয়ে কথা বলেন তারেক রহমান।

কিশোরীর হাত নাড়ানো দৃষ্টি কাড়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। এ সময় তিনি গাড়ি থামানোর নির্দেশ দেন। গাড়ি থামলে সেই কিশোরী বাসের দরজার সামনে আসে্ন। তারেক রহমান বাসের দরজা খুলে দিলে কিশোরী মন খুলে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন।

মেয়েটি সাহেরা নায়েব ল্যাবরেটরি স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার নাম সাফওয়ানা সিদ্দিক রেয়ান। কিশোরী খুব স্বাচ্ছন্দ্য ও সাবলীল ভঙ্গিতে তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলেন।

কিশোরীটি বলতে থাকেন, ‘আমি মনে করেছিলাম, মানুষের ও জনগণের সেবা করে, পলিটিক্স করে নিজের পাওয়ারে ভবিষ্যতে পার্লামেন্টে গিয়ে আপনার সঙ্গে দেখা করে আসব। আমার রক্তে রাজনীতি। আমি রাজনীতি ছাড়ব না। আমার জন্য দয়া করে দোয়া করবেন।’

তারেক রহমান তার মাথায় হাত বুলিয়ে দেন এবং তার সঙ্গে হাত মেলান। কিশোরী আরও বলতে থাকেন, ‘আমি অনেক খুশি হয়েছি, আপনি আমার সাথে দেখা করেছেন। আমার অনেক দিনের শখ ছিল। সকালে আপনাকে দেখে আমার আশ মেটেনি। থ্যাংক ইউ।’

শেষে কিশোরী সদ্য প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার একটি বাঁধানো ছবি তারেক রহমানের দিকে এগিয়ে দিয়ে বলে, ‘আপনি কি এটা নেবেন, দয়া করে? আপনি কি এটা নেবেন, দয়া করে?’ সঙ্গে সঙ্গে তারেক রহমান তার মায়ের সেই ছবিটি গ্রহণ করেন এবং কিশোরীকে ধন্যবাদ জানান।

তারেক রহমানের গাড়ি থামানোর সেই মাহেন্দ্রক্ষণ সম্পর্কে উচ্ছ্বসিত সাফওয়ানা সিদ্দিক রেয়ান বলেন, ‘হঠাৎ গাড়িটা আমার সামনে থামল এবং কাঁচ নামিয়ে উনি আমার সাথে কথা বললেন। আমার বিশ্বাসই হচ্ছিল না উনি আমার সামনে! আমি যখন খালেদা জিয়ার ছবিটা উনাকে নিতে বললাম, উনি হাসলেন এবং ছবিটা নিলেন। এরপর আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন। আমার মনে হচ্ছে আজ আমার জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।’

রেয়ানের বাবা আবু বক্কর সিদ্দিক সোহেল বলেন, ‘আমাদের পুরো পরিবার বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। মেয়েটি দুপুর থেকে না দেখতে পেরে খুব কাঁদছিল। তারেক রহমান গাড়ি থামিয়ে ওর সাথে কথা বলায় আমরা কৃতজ্ঞ।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বাস থামিয়ে কিশোরীর কথা শুনলেন তারেক রহমান

আপডেট সময় ১১:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে নির্বাচনী জনসভা শেষে গাজীপুরের জনসভায় যোগ দিতে বিশেষ বাসে ফিরছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ থেকে ফেরার পথে ভালুকা উপজেলার সিডস্টোর এলাকায় তারেক রহমানের গাড়িবহর থামানোর ইশারা দেন এক কিশোরী। তার ইশারা দেখে বাস থামিয়ে কথা বলেন তারেক রহমান।

কিশোরীর হাত নাড়ানো দৃষ্টি কাড়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। এ সময় তিনি গাড়ি থামানোর নির্দেশ দেন। গাড়ি থামলে সেই কিশোরী বাসের দরজার সামনে আসে্ন। তারেক রহমান বাসের দরজা খুলে দিলে কিশোরী মন খুলে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন।

মেয়েটি সাহেরা নায়েব ল্যাবরেটরি স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার নাম সাফওয়ানা সিদ্দিক রেয়ান। কিশোরী খুব স্বাচ্ছন্দ্য ও সাবলীল ভঙ্গিতে তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলেন।

কিশোরীটি বলতে থাকেন, ‘আমি মনে করেছিলাম, মানুষের ও জনগণের সেবা করে, পলিটিক্স করে নিজের পাওয়ারে ভবিষ্যতে পার্লামেন্টে গিয়ে আপনার সঙ্গে দেখা করে আসব। আমার রক্তে রাজনীতি। আমি রাজনীতি ছাড়ব না। আমার জন্য দয়া করে দোয়া করবেন।’

তারেক রহমান তার মাথায় হাত বুলিয়ে দেন এবং তার সঙ্গে হাত মেলান। কিশোরী আরও বলতে থাকেন, ‘আমি অনেক খুশি হয়েছি, আপনি আমার সাথে দেখা করেছেন। আমার অনেক দিনের শখ ছিল। সকালে আপনাকে দেখে আমার আশ মেটেনি। থ্যাংক ইউ।’

শেষে কিশোরী সদ্য প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার একটি বাঁধানো ছবি তারেক রহমানের দিকে এগিয়ে দিয়ে বলে, ‘আপনি কি এটা নেবেন, দয়া করে? আপনি কি এটা নেবেন, দয়া করে?’ সঙ্গে সঙ্গে তারেক রহমান তার মায়ের সেই ছবিটি গ্রহণ করেন এবং কিশোরীকে ধন্যবাদ জানান।

তারেক রহমানের গাড়ি থামানোর সেই মাহেন্দ্রক্ষণ সম্পর্কে উচ্ছ্বসিত সাফওয়ানা সিদ্দিক রেয়ান বলেন, ‘হঠাৎ গাড়িটা আমার সামনে থামল এবং কাঁচ নামিয়ে উনি আমার সাথে কথা বললেন। আমার বিশ্বাসই হচ্ছিল না উনি আমার সামনে! আমি যখন খালেদা জিয়ার ছবিটা উনাকে নিতে বললাম, উনি হাসলেন এবং ছবিটা নিলেন। এরপর আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন। আমার মনে হচ্ছে আজ আমার জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।’

রেয়ানের বাবা আবু বক্কর সিদ্দিক সোহেল বলেন, ‘আমাদের পুরো পরিবার বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। মেয়েটি দুপুর থেকে না দেখতে পেরে খুব কাঁদছিল। তারেক রহমান গাড়ি থামিয়ে ওর সাথে কথা বলায় আমরা কৃতজ্ঞ।’