ঢাকা ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি আরো বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আছে, নির্বাচনী অঙ্গনে অনেক দুর্বৃত্ত ঢুকে গেছে: ড. বদিউল আলম ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ‘ভারতে গিয়ে খেলার পরিবেশ নেই বাংলাদেশের :আসিফ নজরুল ‘ইরান যুদ্ধ চায় না, তবে যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত’: আব্বাস আরাঘচি চট্টগ্রামে পুলিশ সদস্য কাইয়ুম হত্যা মামলায়, ১০ জনের যাবজ্জীবন

ট্রাম্পের মন্তব্যকে ‘গুরুত্বহীন’ বললেন জেলেনস্কি

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ন্যাটো ও রাশিয়া ইস্যুতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যকে ‘গুরুত্বহীন’ বলে উল্লেখ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।তিনি ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, রাশিয়ার ন্যাটো ভীতির কারণ বোঝা প্রসঙ্গে তড়িঘড়ি করে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়।

ট্রাম্প সম্প্রতি এ বিষয়ে বলেছেন, তিনি বুঝতে পারেন, কেন রাশিয়া ইউক্রেনকে ন্যাটোতে যোগ দিতে চায় না। তিনি বলেন, ‘রাশিয়ার প্রতিবেশী দেশে ন্যাটোর উপস্থিতি থাকলে তাদের এমন অনুভূতি হওয়া স্বাভাবিক’।

ট্রাম্প এ সময় অভিযোগ করে বলেন, বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেনকে ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। যা ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন চালানোর একটি কারণ হতে পারে।

জেলেনস্কির প্রতিক্রিয়া-

তবে ট্রাম্পের এই যুক্তি ও অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বৃহস্পতিবার কিয়েভে ফিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলেনস্কি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নীতি নিয়ে এখনই সিদ্ধান্তে পৌঁছাবেন না’।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইউক্রেনের জন্য সম্মানজনক এবং শক্তিশালী নিরাপত্তা গ্যারান্টি নিশ্চিত করার জন্য কাজ করতে হবে। যা রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে থামাতে পারে।

ন্যাটো সদস্যপদের গুরুত্ব-

জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেনের ন্যাটো সদস্যপদ না পাওয়াটাই যুদ্ধের একটি কারণ। কারণ পুতিন বুঝতে পেরেছিলেন যে, ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ নেই।

তিনি আরও বলেন, ইউক্রেনের জনগণের জন্য শক্তিশালী নিরাপত্তা গ্যারান্টি প্রয়োজন। যা দেশ ছেড়ে যাওয়া লাখ লাখ মানুষকে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা আমেরিকা এবং ইউরোপের মিত্রদের কাছ থেকে সেই গ্যারান্টিই চাইছি এবং আমি এটা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনা করব।

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে জর্জ ডব্লিউ বুশের আমলে ন্যাটো মিত্ররা সম্মত হয়েছিল যে ইউক্রেন একসময় ন্যাটোতে যোগ দেবে। তবে সেই প্রক্রিয়া এখনো সম্পূর্ণ হয়নি। যা বর্তমান সংঘাতের একটি বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন জেলেনস্কি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাংলাদেশি যুবকের

ট্রাম্পের মন্তব্যকে ‘গুরুত্বহীন’ বললেন জেলেনস্কি

আপডেট সময় ০৮:০২:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৫

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ন্যাটো ও রাশিয়া ইস্যুতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যকে ‘গুরুত্বহীন’ বলে উল্লেখ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।তিনি ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, রাশিয়ার ন্যাটো ভীতির কারণ বোঝা প্রসঙ্গে তড়িঘড়ি করে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়।

ট্রাম্প সম্প্রতি এ বিষয়ে বলেছেন, তিনি বুঝতে পারেন, কেন রাশিয়া ইউক্রেনকে ন্যাটোতে যোগ দিতে চায় না। তিনি বলেন, ‘রাশিয়ার প্রতিবেশী দেশে ন্যাটোর উপস্থিতি থাকলে তাদের এমন অনুভূতি হওয়া স্বাভাবিক’।

ট্রাম্প এ সময় অভিযোগ করে বলেন, বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেনকে ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। যা ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন চালানোর একটি কারণ হতে পারে।

জেলেনস্কির প্রতিক্রিয়া-

তবে ট্রাম্পের এই যুক্তি ও অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বৃহস্পতিবার কিয়েভে ফিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলেনস্কি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নীতি নিয়ে এখনই সিদ্ধান্তে পৌঁছাবেন না’।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইউক্রেনের জন্য সম্মানজনক এবং শক্তিশালী নিরাপত্তা গ্যারান্টি নিশ্চিত করার জন্য কাজ করতে হবে। যা রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে থামাতে পারে।

ন্যাটো সদস্যপদের গুরুত্ব-

জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেনের ন্যাটো সদস্যপদ না পাওয়াটাই যুদ্ধের একটি কারণ। কারণ পুতিন বুঝতে পেরেছিলেন যে, ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ নেই।

তিনি আরও বলেন, ইউক্রেনের জনগণের জন্য শক্তিশালী নিরাপত্তা গ্যারান্টি প্রয়োজন। যা দেশ ছেড়ে যাওয়া লাখ লাখ মানুষকে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা আমেরিকা এবং ইউরোপের মিত্রদের কাছ থেকে সেই গ্যারান্টিই চাইছি এবং আমি এটা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনা করব।

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে জর্জ ডব্লিউ বুশের আমলে ন্যাটো মিত্ররা সম্মত হয়েছিল যে ইউক্রেন একসময় ন্যাটোতে যোগ দেবে। তবে সেই প্রক্রিয়া এখনো সম্পূর্ণ হয়নি। যা বর্তমান সংঘাতের একটি বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন জেলেনস্কি।