ঢাকা ০৯:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস রাজনৈতিক পরিবর্তনে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে : ড্যান মজিনা জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে বিএনপি : সালাহউদ্দিন ‘অনিবার্য কারণে’ জামায়াতসহ ১১ দলের আসন সমঝোতার সংবাদ সম্মেলন স্থগিত যে দল ইসরাইলের টাকায় চলে সেই দলে আমি থাকতে পারি না: রেজা কিবরিয়া নির্বাচনে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারবে না, সবাই সহযোগিতা করলে শান্তিপূর্ণভাবে হয়ে যাবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ‘সবাইকেই তো দেখলাম, এবার জামায়াতকে দেখব’,বক্তব্যের অন্তর্নিহিত গোমর ফাঁস করলেন হামিম গোপালগঞ্জে মা-বাবাকে জীবন্ত কবর দেওয়ার চেষ্টা, দুই ছেলে গ্রেফতার

ব্যান্ডউইথের মূল্য পরিশোধে লাগবে না কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ এবং এ সংক্রান্ত পরিষেবা আমদানির মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে এখন ব্যাংকগুলোকে আগের মতো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আলাদা অনুমোদন নিতে হবে না। তারা নিজেরাই যাচাই-বাছাই করে এসব পেমেন্ট করতে পারবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। এর আগের নিয়ম অনুযায়ী, এসব আমদানি দায় পরিশোধের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আলাদা করে অনুমোদন নিতে হতো।

তবে এ পেমেন্ট করতে ব্যাংকগুলোকে কিছু নির্দেশনা পালন করতে হবে বলে নতুন জারি হওয়া সার্কুলারে উল্লেখ রয়েছে। এজন্য কিছু নথিযুক্ত আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে হবে ব্যাংকগুলোকে। এগুলো হলো নির্দিষ্ট ওই পরিষেবার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ থেকে নেওয়া লাইসেন্সের কপি, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে চুক্তির কপি, যেসব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য

সেসব ক্ষেত্রে বিটিআরসি এবং অন্যান্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের কপি, সংশ্লিষ্ট ইনভয়েসের কপি, সংশ্লিষ্ট কর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত সব প্রযোজ্য কর বা ছাড়ের সার্টিফিকেট প্রদানের সঙ্গে সম্পর্কিত ডকুমেন্টারি প্রমাণ এবং ভুল বা অতিরিক্ত রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে প্রেরিত পরিমাণের অর্থ অবিলম্বে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে মর্মে আবেদনকারী সংস্থার কাছ থেকে একটি অঙ্গীকারনামা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, স্বাভাবিক নিয়মে আমদানির পেমেন্ট করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আগাম কোনো অনুমোদন নিতে হয় না। একইভাবে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ ও সংশ্লিষ্ট পরিষেবা আমদানির পেমেন্ট করতে হলে এখন থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হবে না। ব্যাংকগুলো নিজেরা আমাদের প্রেসক্রাইব করা তথ্যগুলো যাচাই করে নিজেরাই পেমেন্টের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। এতে কাজের গতি এবং ব্যাংকগুলোর দায়বদ্ধতা, দুটিই বাড়বে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাম্বুলেন্স আটকে রোগীর স্বজন-চালককে লাঞ্ছিত, পথে বৃদ্ধের মৃত্যু

ব্যান্ডউইথের মূল্য পরিশোধে লাগবে না কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি

আপডেট সময় ০১:৫৬:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ এবং এ সংক্রান্ত পরিষেবা আমদানির মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে এখন ব্যাংকগুলোকে আগের মতো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আলাদা অনুমোদন নিতে হবে না। তারা নিজেরাই যাচাই-বাছাই করে এসব পেমেন্ট করতে পারবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। এর আগের নিয়ম অনুযায়ী, এসব আমদানি দায় পরিশোধের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আলাদা করে অনুমোদন নিতে হতো।

তবে এ পেমেন্ট করতে ব্যাংকগুলোকে কিছু নির্দেশনা পালন করতে হবে বলে নতুন জারি হওয়া সার্কুলারে উল্লেখ রয়েছে। এজন্য কিছু নথিযুক্ত আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে হবে ব্যাংকগুলোকে। এগুলো হলো নির্দিষ্ট ওই পরিষেবার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ থেকে নেওয়া লাইসেন্সের কপি, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে চুক্তির কপি, যেসব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য

সেসব ক্ষেত্রে বিটিআরসি এবং অন্যান্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের কপি, সংশ্লিষ্ট ইনভয়েসের কপি, সংশ্লিষ্ট কর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত সব প্রযোজ্য কর বা ছাড়ের সার্টিফিকেট প্রদানের সঙ্গে সম্পর্কিত ডকুমেন্টারি প্রমাণ এবং ভুল বা অতিরিক্ত রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে প্রেরিত পরিমাণের অর্থ অবিলম্বে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে মর্মে আবেদনকারী সংস্থার কাছ থেকে একটি অঙ্গীকারনামা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, স্বাভাবিক নিয়মে আমদানির পেমেন্ট করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আগাম কোনো অনুমোদন নিতে হয় না। একইভাবে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ ও সংশ্লিষ্ট পরিষেবা আমদানির পেমেন্ট করতে হলে এখন থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হবে না। ব্যাংকগুলো নিজেরা আমাদের প্রেসক্রাইব করা তথ্যগুলো যাচাই করে নিজেরাই পেমেন্টের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। এতে কাজের গতি এবং ব্যাংকগুলোর দায়বদ্ধতা, দুটিই বাড়বে।