ঢাকা ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

ব্যান্ডউইথের মূল্য পরিশোধে লাগবে না কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ এবং এ সংক্রান্ত পরিষেবা আমদানির মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে এখন ব্যাংকগুলোকে আগের মতো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আলাদা অনুমোদন নিতে হবে না। তারা নিজেরাই যাচাই-বাছাই করে এসব পেমেন্ট করতে পারবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। এর আগের নিয়ম অনুযায়ী, এসব আমদানি দায় পরিশোধের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আলাদা করে অনুমোদন নিতে হতো।

তবে এ পেমেন্ট করতে ব্যাংকগুলোকে কিছু নির্দেশনা পালন করতে হবে বলে নতুন জারি হওয়া সার্কুলারে উল্লেখ রয়েছে। এজন্য কিছু নথিযুক্ত আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে হবে ব্যাংকগুলোকে। এগুলো হলো নির্দিষ্ট ওই পরিষেবার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ থেকে নেওয়া লাইসেন্সের কপি, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে চুক্তির কপি, যেসব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য

সেসব ক্ষেত্রে বিটিআরসি এবং অন্যান্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের কপি, সংশ্লিষ্ট ইনভয়েসের কপি, সংশ্লিষ্ট কর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত সব প্রযোজ্য কর বা ছাড়ের সার্টিফিকেট প্রদানের সঙ্গে সম্পর্কিত ডকুমেন্টারি প্রমাণ এবং ভুল বা অতিরিক্ত রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে প্রেরিত পরিমাণের অর্থ অবিলম্বে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে মর্মে আবেদনকারী সংস্থার কাছ থেকে একটি অঙ্গীকারনামা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, স্বাভাবিক নিয়মে আমদানির পেমেন্ট করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আগাম কোনো অনুমোদন নিতে হয় না। একইভাবে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ ও সংশ্লিষ্ট পরিষেবা আমদানির পেমেন্ট করতে হলে এখন থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হবে না। ব্যাংকগুলো নিজেরা আমাদের প্রেসক্রাইব করা তথ্যগুলো যাচাই করে নিজেরাই পেমেন্টের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। এতে কাজের গতি এবং ব্যাংকগুলোর দায়বদ্ধতা, দুটিই বাড়বে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

ব্যান্ডউইথের মূল্য পরিশোধে লাগবে না কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি

আপডেট সময় ০১:৫৬:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ এবং এ সংক্রান্ত পরিষেবা আমদানির মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে এখন ব্যাংকগুলোকে আগের মতো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আলাদা অনুমোদন নিতে হবে না। তারা নিজেরাই যাচাই-বাছাই করে এসব পেমেন্ট করতে পারবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। এর আগের নিয়ম অনুযায়ী, এসব আমদানি দায় পরিশোধের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আলাদা করে অনুমোদন নিতে হতো।

তবে এ পেমেন্ট করতে ব্যাংকগুলোকে কিছু নির্দেশনা পালন করতে হবে বলে নতুন জারি হওয়া সার্কুলারে উল্লেখ রয়েছে। এজন্য কিছু নথিযুক্ত আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে হবে ব্যাংকগুলোকে। এগুলো হলো নির্দিষ্ট ওই পরিষেবার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ থেকে নেওয়া লাইসেন্সের কপি, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে চুক্তির কপি, যেসব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য

সেসব ক্ষেত্রে বিটিআরসি এবং অন্যান্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের কপি, সংশ্লিষ্ট ইনভয়েসের কপি, সংশ্লিষ্ট কর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত সব প্রযোজ্য কর বা ছাড়ের সার্টিফিকেট প্রদানের সঙ্গে সম্পর্কিত ডকুমেন্টারি প্রমাণ এবং ভুল বা অতিরিক্ত রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে প্রেরিত পরিমাণের অর্থ অবিলম্বে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে মর্মে আবেদনকারী সংস্থার কাছ থেকে একটি অঙ্গীকারনামা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, স্বাভাবিক নিয়মে আমদানির পেমেন্ট করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আগাম কোনো অনুমোদন নিতে হয় না। একইভাবে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ ও সংশ্লিষ্ট পরিষেবা আমদানির পেমেন্ট করতে হলে এখন থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হবে না। ব্যাংকগুলো নিজেরা আমাদের প্রেসক্রাইব করা তথ্যগুলো যাচাই করে নিজেরাই পেমেন্টের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। এতে কাজের গতি এবং ব্যাংকগুলোর দায়বদ্ধতা, দুটিই বাড়বে।