ঢাকা ০১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৃত্যু নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন মুহাম্মদ ইউনূস থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ভেঙে পড়ল ক্রেন, নিহত ২২ জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ : মির্জা ফখরুল আলমগীর টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান

প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমালেও দীর্ঘমেয়াদে আশাবাদী বিশ্বব্যাংক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ৪ শতাংশে নামিয়ে এনেছে বিশ্বব্যাংক। এই হার সংস্থাটির আগের পূর্বাভাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। চলমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমতে পারে বলে জানিয়েছে বৈশ্বিক দাতা সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার ওপর প্রভাব ফেলেছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৫ দশমিক ২ শতাংশ। কিন্তু চলতি অর্থবছরে এর হার হতে পারে ৩ দশমিক ২ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ২ শতাংশের মধ্যে। অর্থাৎ গড়ে ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) প্রকাশিত ‘সাউথ এশিয়া ডেভেলপমেন্ট আপডেট’র অক্টোবর সংখ্যায় এসব তথ্য জানিয়েছে বৈশ্বিক দাতা সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাংকের মতে, বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসের ব্যাপ্তি ৩ দশমিক ২ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ২ শতাংশ পর্যন্ত হওয়া নির্ভরযোগ্য তথ্যের অভাব এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার অনিশ্চয়তাকেই প্রতিফলিত করে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, স্বল্পমেয়াদে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বাংলাদেশে বিনিয়োগ এবং শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে। এছাড়া সাম্প্রতিক বন্যা কৃষি উৎপাদনেও কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী বিশ্বব্যাংক। আর্থিক খাতের সংস্কার, উন্নত ব্যবসায়িক পরিবেশ, দেশীয় সম্পদের আরও বেশি ব্যবহার এবং বর্ধিত বাণিজ্য বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি ধীরগতির পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, উন্নত অর্থনীতিগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশ ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক সংযোগ স্থাপন করছে। এটি দেশটির বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের মূল উৎসগুলো যেমন- রপ্তানি, প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ এবং পোর্টফোলিও বিনিয়োগের ওপর ঝুঁকি কমিয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমালেও দীর্ঘমেয়াদে আশাবাদী বিশ্বব্যাংক

আপডেট সময় ০৭:২৪:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ৪ শতাংশে নামিয়ে এনেছে বিশ্বব্যাংক। এই হার সংস্থাটির আগের পূর্বাভাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। চলমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমতে পারে বলে জানিয়েছে বৈশ্বিক দাতা সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার ওপর প্রভাব ফেলেছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৫ দশমিক ২ শতাংশ। কিন্তু চলতি অর্থবছরে এর হার হতে পারে ৩ দশমিক ২ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ২ শতাংশের মধ্যে। অর্থাৎ গড়ে ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) প্রকাশিত ‘সাউথ এশিয়া ডেভেলপমেন্ট আপডেট’র অক্টোবর সংখ্যায় এসব তথ্য জানিয়েছে বৈশ্বিক দাতা সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাংকের মতে, বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসের ব্যাপ্তি ৩ দশমিক ২ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ২ শতাংশ পর্যন্ত হওয়া নির্ভরযোগ্য তথ্যের অভাব এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার অনিশ্চয়তাকেই প্রতিফলিত করে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, স্বল্পমেয়াদে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বাংলাদেশে বিনিয়োগ এবং শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে। এছাড়া সাম্প্রতিক বন্যা কৃষি উৎপাদনেও কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী বিশ্বব্যাংক। আর্থিক খাতের সংস্কার, উন্নত ব্যবসায়িক পরিবেশ, দেশীয় সম্পদের আরও বেশি ব্যবহার এবং বর্ধিত বাণিজ্য বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি ধীরগতির পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, উন্নত অর্থনীতিগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশ ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক সংযোগ স্থাপন করছে। এটি দেশটির বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের মূল উৎসগুলো যেমন- রপ্তানি, প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ এবং পোর্টফোলিও বিনিয়োগের ওপর ঝুঁকি কমিয়েছে।