ঢাকা ১১:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি আরো বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আছে, নির্বাচনী অঙ্গনে অনেক দুর্বৃত্ত ঢুকে গেছে: ড. বদিউল আলম ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমালেও দীর্ঘমেয়াদে আশাবাদী বিশ্বব্যাংক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ৪ শতাংশে নামিয়ে এনেছে বিশ্বব্যাংক। এই হার সংস্থাটির আগের পূর্বাভাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। চলমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমতে পারে বলে জানিয়েছে বৈশ্বিক দাতা সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার ওপর প্রভাব ফেলেছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৫ দশমিক ২ শতাংশ। কিন্তু চলতি অর্থবছরে এর হার হতে পারে ৩ দশমিক ২ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ২ শতাংশের মধ্যে। অর্থাৎ গড়ে ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) প্রকাশিত ‘সাউথ এশিয়া ডেভেলপমেন্ট আপডেট’র অক্টোবর সংখ্যায় এসব তথ্য জানিয়েছে বৈশ্বিক দাতা সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাংকের মতে, বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসের ব্যাপ্তি ৩ দশমিক ২ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ২ শতাংশ পর্যন্ত হওয়া নির্ভরযোগ্য তথ্যের অভাব এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার অনিশ্চয়তাকেই প্রতিফলিত করে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, স্বল্পমেয়াদে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বাংলাদেশে বিনিয়োগ এবং শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে। এছাড়া সাম্প্রতিক বন্যা কৃষি উৎপাদনেও কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী বিশ্বব্যাংক। আর্থিক খাতের সংস্কার, উন্নত ব্যবসায়িক পরিবেশ, দেশীয় সম্পদের আরও বেশি ব্যবহার এবং বর্ধিত বাণিজ্য বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি ধীরগতির পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, উন্নত অর্থনীতিগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশ ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক সংযোগ স্থাপন করছে। এটি দেশটির বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের মূল উৎসগুলো যেমন- রপ্তানি, প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ এবং পোর্টফোলিও বিনিয়োগের ওপর ঝুঁকি কমিয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারের মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে আগুন

প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমালেও দীর্ঘমেয়াদে আশাবাদী বিশ্বব্যাংক

আপডেট সময় ০৭:২৪:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ৪ শতাংশে নামিয়ে এনেছে বিশ্বব্যাংক। এই হার সংস্থাটির আগের পূর্বাভাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। চলমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমতে পারে বলে জানিয়েছে বৈশ্বিক দাতা সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার ওপর প্রভাব ফেলেছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৫ দশমিক ২ শতাংশ। কিন্তু চলতি অর্থবছরে এর হার হতে পারে ৩ দশমিক ২ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ২ শতাংশের মধ্যে। অর্থাৎ গড়ে ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) প্রকাশিত ‘সাউথ এশিয়া ডেভেলপমেন্ট আপডেট’র অক্টোবর সংখ্যায় এসব তথ্য জানিয়েছে বৈশ্বিক দাতা সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাংকের মতে, বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসের ব্যাপ্তি ৩ দশমিক ২ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ২ শতাংশ পর্যন্ত হওয়া নির্ভরযোগ্য তথ্যের অভাব এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার অনিশ্চয়তাকেই প্রতিফলিত করে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, স্বল্পমেয়াদে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বাংলাদেশে বিনিয়োগ এবং শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে। এছাড়া সাম্প্রতিক বন্যা কৃষি উৎপাদনেও কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী বিশ্বব্যাংক। আর্থিক খাতের সংস্কার, উন্নত ব্যবসায়িক পরিবেশ, দেশীয় সম্পদের আরও বেশি ব্যবহার এবং বর্ধিত বাণিজ্য বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি ধীরগতির পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, উন্নত অর্থনীতিগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশ ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক সংযোগ স্থাপন করছে। এটি দেশটির বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের মূল উৎসগুলো যেমন- রপ্তানি, প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ এবং পোর্টফোলিও বিনিয়োগের ওপর ঝুঁকি কমিয়েছে।