ঢাকা ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দিয়েছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির বর্ষপূতি: শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগোতে হবে: ডা. জুবাইদা লুটপাটের জন্য ছাত্রজনতা রক্ত দেয়নি: হাসনাত আবদুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আঘাত না হানলে আজ ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না: ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা গণতন্ত্র না থাকায় অনেক এলাকার সমস্যা গুরুত্ব পায়নি: ডেপুটি স্পিকার ছাত্র-জনতার অধিকার রক্ষায় দলীয় প্রভাবমুক্ত রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার বিকল্প নেই:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

দুছেলের সরকারি চাকরি চান নিহত আতিকের স্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার পাঁচআনি গ্রামের আতিকুর রহমানের পরিবার ভালো নেই। তিনি পরিবারে প্রধান ছিলেন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত হন তিনি। চার সন্তান নিয়ে দুঃখে-কষ্টে সংসার চালাচ্ছেন আতিকের স্ত্রী লাইলী বেগম। বড় মেয়ে তানিয়া আক্তারের এইচএসসি পাশের পর চার বছর আগে বিয়ে হয়ে যায়।

বড় ছেলে মিথুন সরকারি তোলারাম কলেজে এইচএসসি পাশের পর প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করে সংসার চালাচ্ছেন। মেজো ছেলে মিন্টু ও ছোট ছেলে শাকিব লেখাপড়া করছেন। শনিবার আতিকের স্ত্রী লাইলী বেগম জানান, ২১ আগস্ট এলেই সাংবাদিকরা খোঁজখবর নেন। এছাড়া আর কেউ এই পরিবারের খোঁজখবর রাখেন না। আমার স্বামীর হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবি জানাই। আর যেন কোনো স্ত্রীকে অল্প বয়সে তার স্বামী হারাতে না হয়।

নিহত আতিকুর রহমানের বড় ছেলে মিথুন জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমে এক লাখ, তারপর সঞ্চয়পত্র ১০ লাখ, এফডিআর-এর জন্য ২০ লাখ এবং নগদ ৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। আমাদের একটি চাকরির প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী যদি আমাদের চাকরির ব্যবস্থা করতেন তাহলে আমরা সচ্ছলভাবে জীবনযাপন করতে পারতাম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী

দুছেলের সরকারি চাকরি চান নিহত আতিকের স্ত্রী

আপডেট সময় ১২:৩২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার পাঁচআনি গ্রামের আতিকুর রহমানের পরিবার ভালো নেই। তিনি পরিবারে প্রধান ছিলেন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত হন তিনি। চার সন্তান নিয়ে দুঃখে-কষ্টে সংসার চালাচ্ছেন আতিকের স্ত্রী লাইলী বেগম। বড় মেয়ে তানিয়া আক্তারের এইচএসসি পাশের পর চার বছর আগে বিয়ে হয়ে যায়।

বড় ছেলে মিথুন সরকারি তোলারাম কলেজে এইচএসসি পাশের পর প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করে সংসার চালাচ্ছেন। মেজো ছেলে মিন্টু ও ছোট ছেলে শাকিব লেখাপড়া করছেন। শনিবার আতিকের স্ত্রী লাইলী বেগম জানান, ২১ আগস্ট এলেই সাংবাদিকরা খোঁজখবর নেন। এছাড়া আর কেউ এই পরিবারের খোঁজখবর রাখেন না। আমার স্বামীর হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবি জানাই। আর যেন কোনো স্ত্রীকে অল্প বয়সে তার স্বামী হারাতে না হয়।

নিহত আতিকুর রহমানের বড় ছেলে মিথুন জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমে এক লাখ, তারপর সঞ্চয়পত্র ১০ লাখ, এফডিআর-এর জন্য ২০ লাখ এবং নগদ ৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। আমাদের একটি চাকরির প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী যদি আমাদের চাকরির ব্যবস্থা করতেন তাহলে আমরা সচ্ছলভাবে জীবনযাপন করতে পারতাম।