ঢাকা ০২:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

শিক্ষিকার স্বামী মামুনের জামিন নামঞ্জুর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নাটোরের আলোচিত কলেজ শিক্ষিকা খায়রুন নাহারের স্বামী কলেজছাত্র মামুনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১৫ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কোর্ট পুলিশ মামুনকে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোসলেম উদ্দিনের আদালতে হাজির করেন।

এসময় তার পক্ষে আইনজীবী গোলাম সারোয়ার স্বপন জামিনের আবেদন জানান। শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে দুপুরে বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৫৪ ধারায় মামুনকে গ্রেফতার দেখিয়ে নাটোর সদর থানা থেকে কোর্ট পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। অপমৃত্যু (ইউডি) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) এ জে মিন্টু কোর্ট পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করেন। সেখান থেকে তাকে বিকেলে আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

নাটোর কোর্ট ইন্সপেক্টর (উপ-পরিদর্শক) মো. নাজমুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, রোববার সকালে নাটোর শহরের বলাড়ীপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে খায়রুন নাহারের (৪৩) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এসময় সেখান থেকে আটক করা হয় তার স্বামী মামুন হোসেনকে। খায়রুন নাহার জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার এম হক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন। এ ঘটনায় খায়রুন নাহারের চাচাতো ভাই সাবির উদ্দিন একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন।

নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ হেফাজতে দফায় দফায় মামুনকে ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তবে তেমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া এ ঘটনায় যেহেতু কোনো মামলা হয়নি। পাশাপাশি মরদেহের সুরতহাল ও চিকিৎসকদের প্রাথমিক রিপোর্টে হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত না হওয়ায় স্বামী মামুনকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখানো হয়। তবে ঘটনাটি স্পর্শকাতর হওয়ায় গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

শিক্ষিকার স্বামী মামুনের জামিন নামঞ্জুর

আপডেট সময় ১১:২৪:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নাটোরের আলোচিত কলেজ শিক্ষিকা খায়রুন নাহারের স্বামী কলেজছাত্র মামুনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১৫ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কোর্ট পুলিশ মামুনকে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোসলেম উদ্দিনের আদালতে হাজির করেন।

এসময় তার পক্ষে আইনজীবী গোলাম সারোয়ার স্বপন জামিনের আবেদন জানান। শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে দুপুরে বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৫৪ ধারায় মামুনকে গ্রেফতার দেখিয়ে নাটোর সদর থানা থেকে কোর্ট পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। অপমৃত্যু (ইউডি) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) এ জে মিন্টু কোর্ট পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করেন। সেখান থেকে তাকে বিকেলে আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

নাটোর কোর্ট ইন্সপেক্টর (উপ-পরিদর্শক) মো. নাজমুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, রোববার সকালে নাটোর শহরের বলাড়ীপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে খায়রুন নাহারের (৪৩) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এসময় সেখান থেকে আটক করা হয় তার স্বামী মামুন হোসেনকে। খায়রুন নাহার জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার এম হক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন। এ ঘটনায় খায়রুন নাহারের চাচাতো ভাই সাবির উদ্দিন একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন।

নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ হেফাজতে দফায় দফায় মামুনকে ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তবে তেমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া এ ঘটনায় যেহেতু কোনো মামলা হয়নি। পাশাপাশি মরদেহের সুরতহাল ও চিকিৎসকদের প্রাথমিক রিপোর্টে হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত না হওয়ায় স্বামী মামুনকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখানো হয়। তবে ঘটনাটি স্পর্শকাতর হওয়ায় গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।