ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্লট দুর্নীতি মামলায় শেখ হাসিনা টিউলিপসহ ১৮ জনের মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি চুয়াডাঙ্গায় সেনাবাহিনীর হাতে আটকের পর বিএনপি নেতার মৃত্যু ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোটই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: ড. মুহাম্মদ ইউনূস ব্যক্তির স্বৈরাচার হওয়া রোধেই আইনসভার উচ্চকক্ষ : আলী রীয়াজ ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর সরকারের দমন-পীড়ন, কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ইরানি জনগণই স্বৈরশাসকদের ক্ষমতাচ্যুত করবে: অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী

রিজার্ভ থেকে এক দিনেই ৮ কোটি ডলার বিক্রি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ডলার সংকট আরও প্রকট হয়েছে। আমদানি ব্যয় মেটাতে মঙ্গলবার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে ৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার বিক্রি করেছে। সোমবার বিক্রি করেছে ৫ কোটি ডলার। রিজার্ভ থেকে ডলার ছেড়ে টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল রেখেছে।

সূত্র জানায়, চলতি আগস্টের দুদিনে রিজার্ভ থেকে বাজারে ছাড়া হয়েছে ১২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এ নিয়ে চলতি অর্থবছরের এক মাস ২ দিনে রিজার্ভ থেকে ছাড়া হয়েছে ১১৮ কোটি ডলার। এর আগে গত অর্থবছরে রিজার্ভ থেকে ছাড়া হয়েছে ৭৬৫ কোটি ডলার। গত অর্থবছরে ও চলতি অর্থবছরের এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে কোনো ডলার কেনেনি। কারণ বাজারে চাহিদার তুলনায় ডলারের সরবরাহ নেই। যে কারণে সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে বাজারে ডলারের প্রবাহ বেশি থাকায় ৭৯৪ কোটি ডলার বাজার থেকে কিনেছিল। এর বিপরীতে বিক্রি করেছিল মাত্র ২৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করায় এর মজুত কমে যাচ্ছে। গত বছরের আগস্টে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলারে উঠেছিল। ওই মাসে আমদানি ব্যয় বেড়েছিল ৬৫ শতাংশ। যে কারণে ওই মাস থেকেই রিজার্ভ কমতে থাকে। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে রিজার্ভ কমে ৪ হাজার কোটি ডলারের নিচে নেমে আসে। মঙ্গলবার রিজার্ভ আরও কমে ৩ হাজার ৯৫৭ কোটি ডলারে নেমে আসে।

এদিকে জুলাইয়ে এলসি খোলার হার কমলেও জুনে আমদানি ব্যয় বেড়েছে। এছাড়া বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে হচ্ছে। করোনার পর বৈশ্বিক পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় বিদেশ ভ্রমণ ও চিকিৎসা খাতে বৈদেশিক মুদ্রার খরচ বেড়েছে। এতে ডলারের ওপর চাপ আরও বেড়েছে। বাজারে ডলারের প্রবাহ বাড়ার সঙ্গে ব্যয়ও বেড়েছে। ফলে টাকার মান প্রচণ্ড চাপে রয়েছে। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার বিক্রি করেছে ৯৪ টাকা ৭০ পয়সা দরে। আমদানির জন্য ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের কাছে ডলার বিক্রি করেছে ৯৪ টাকা ৭৫ পয়সা দরে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্লট দুর্নীতি মামলায় শেখ হাসিনা টিউলিপসহ ১৮ জনের মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি

রিজার্ভ থেকে এক দিনেই ৮ কোটি ডলার বিক্রি

আপডেট সময় ১২:২০:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ডলার সংকট আরও প্রকট হয়েছে। আমদানি ব্যয় মেটাতে মঙ্গলবার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে ৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার বিক্রি করেছে। সোমবার বিক্রি করেছে ৫ কোটি ডলার। রিজার্ভ থেকে ডলার ছেড়ে টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল রেখেছে।

সূত্র জানায়, চলতি আগস্টের দুদিনে রিজার্ভ থেকে বাজারে ছাড়া হয়েছে ১২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এ নিয়ে চলতি অর্থবছরের এক মাস ২ দিনে রিজার্ভ থেকে ছাড়া হয়েছে ১১৮ কোটি ডলার। এর আগে গত অর্থবছরে রিজার্ভ থেকে ছাড়া হয়েছে ৭৬৫ কোটি ডলার। গত অর্থবছরে ও চলতি অর্থবছরের এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে কোনো ডলার কেনেনি। কারণ বাজারে চাহিদার তুলনায় ডলারের সরবরাহ নেই। যে কারণে সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে বাজারে ডলারের প্রবাহ বেশি থাকায় ৭৯৪ কোটি ডলার বাজার থেকে কিনেছিল। এর বিপরীতে বিক্রি করেছিল মাত্র ২৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করায় এর মজুত কমে যাচ্ছে। গত বছরের আগস্টে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলারে উঠেছিল। ওই মাসে আমদানি ব্যয় বেড়েছিল ৬৫ শতাংশ। যে কারণে ওই মাস থেকেই রিজার্ভ কমতে থাকে। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে রিজার্ভ কমে ৪ হাজার কোটি ডলারের নিচে নেমে আসে। মঙ্গলবার রিজার্ভ আরও কমে ৩ হাজার ৯৫৭ কোটি ডলারে নেমে আসে।

এদিকে জুলাইয়ে এলসি খোলার হার কমলেও জুনে আমদানি ব্যয় বেড়েছে। এছাড়া বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে হচ্ছে। করোনার পর বৈশ্বিক পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় বিদেশ ভ্রমণ ও চিকিৎসা খাতে বৈদেশিক মুদ্রার খরচ বেড়েছে। এতে ডলারের ওপর চাপ আরও বেড়েছে। বাজারে ডলারের প্রবাহ বাড়ার সঙ্গে ব্যয়ও বেড়েছে। ফলে টাকার মান প্রচণ্ড চাপে রয়েছে। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার বিক্রি করেছে ৯৪ টাকা ৭০ পয়সা দরে। আমদানির জন্য ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের কাছে ডলার বিক্রি করেছে ৯৪ টাকা ৭৫ পয়সা দরে।