ঢাকা ০১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোটই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: ড. মুহাম্মদ ইউনূস ব্যক্তির স্বৈরাচার হওয়া রোধেই আইনসভার উচ্চকক্ষ : আলী রীয়াজ ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর সরকারের দমন-পীড়ন, কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ইরানি জনগণই স্বৈরশাসকদের ক্ষমতাচ্যুত করবে: অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ

সন্ধান মিলল ‘মৃত্যু হ্রদের’, নামলেই নিশ্চিত মৃত্যু!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

হ্রদের পানিতে নামলেই নিশ্চিত মৃত্যু, এমন ভয়ংকর বিষাক্ত এক হ্রদের সন্ধান পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী। লাইভ সায়েন্স ও নিউইয়র্ক পোস্ট এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

লোহিত সাগরের প্রায় ছ’হাজার ফুট গভীরে সম্প্রতি ১০ ফুট দৈর্ঘ্যের এই মৃত্যুপুরীর সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

লবণাক্ত পানির ওই পুলে নামামাত্রই যেকোনো প্রাণীর মৃত্যু হতে পারে বলে লাইভ সায়েন্সে দাবি করেন স্যাম পুরকিস নামে এক বিজ্ঞানী।

সাধারণত সমুদ্রের নীচে এই ধরনের গভীর এবং অগভীর হ্রদ সৃষ্টি হয়। এগুলোকে ‘ব্রাইন পুল’ বলা হয়। গভীর সমুদ্রের নীচে এই হ্রদের সৃষ্টি হয়।

কেন এতটা প্রাণঘাতী সেই হ্রদ? এ ব্যাপারে স্যাম ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ঘাতক এই পুলে লবণের মাত্রা অত্যাধিক। এই এলাকার পানি সমুদ্রের সাধারণ পানির চেয়ে তিন থেকে আট গুণ বেশি লবণাক্ত। শুধু তাই-ই নয়, ওই পানিতে অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্যের মাত্রাও অনেক। এখানে রয়েছে বিষাক্ত হাইড্রোজেন সালফাইডের ভাণ্ডার। ফলে সমুদ্রের পানির চেয়ে এই হ্রদের পানি একেবারেই আলাদা। তা ছাড়া এই হ্রদে অক্সিজেনের কোনো অস্তিত্ব নেই। আর সে কারণেই মুহূর্তেই মারা পড়তে পারে সামুদ্রিক জীব বা কোনো প্রাণী।

অবশ্য এই হ্রদে বিপুল পরিমাণ জীবাণু রয়েছে। তবে পৃথিবীতে কী ভাবে সমুদ্রের সৃষ্টি হয়েছিল, তা জানতে এই আবিষ্কার অনেকটাই সাহায্য করবে বলে দাবি করেছেন স্যাম।

তিনি আরও জানান, এই আবিষ্কার জরুরি ছিল। কারণ এর থেকেই আন্দাজ করা যাবে অন্য কোনো গ্রহে এ রকম পরিস্থিতিতে কোনো প্রাণী বেঁচে আছে কি না।

এদিকে, নিউইয়র্ক পোস্টের মতে, বিজ্ঞানীদের আবিষ্কৃত এটিই প্রথম ব্রাইন পুল নয়। গত ৩০ বছরে, সমুদ্রবিজ্ঞানীরা লোহিত সাগর, ভূমধ্যসাগর এবং মেক্সিকো উপসাগরে ‘কয়েক ডজন’ এ ধরনের ভয়াবহ হ্রদ আবিষ্কার করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোটই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: ড. মুহাম্মদ ইউনূস

সন্ধান মিলল ‘মৃত্যু হ্রদের’, নামলেই নিশ্চিত মৃত্যু!

আপডেট সময় ১১:০৬:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ অগাস্ট ২০২২

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

হ্রদের পানিতে নামলেই নিশ্চিত মৃত্যু, এমন ভয়ংকর বিষাক্ত এক হ্রদের সন্ধান পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী। লাইভ সায়েন্স ও নিউইয়র্ক পোস্ট এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

লোহিত সাগরের প্রায় ছ’হাজার ফুট গভীরে সম্প্রতি ১০ ফুট দৈর্ঘ্যের এই মৃত্যুপুরীর সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

লবণাক্ত পানির ওই পুলে নামামাত্রই যেকোনো প্রাণীর মৃত্যু হতে পারে বলে লাইভ সায়েন্সে দাবি করেন স্যাম পুরকিস নামে এক বিজ্ঞানী।

সাধারণত সমুদ্রের নীচে এই ধরনের গভীর এবং অগভীর হ্রদ সৃষ্টি হয়। এগুলোকে ‘ব্রাইন পুল’ বলা হয়। গভীর সমুদ্রের নীচে এই হ্রদের সৃষ্টি হয়।

কেন এতটা প্রাণঘাতী সেই হ্রদ? এ ব্যাপারে স্যাম ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ঘাতক এই পুলে লবণের মাত্রা অত্যাধিক। এই এলাকার পানি সমুদ্রের সাধারণ পানির চেয়ে তিন থেকে আট গুণ বেশি লবণাক্ত। শুধু তাই-ই নয়, ওই পানিতে অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্যের মাত্রাও অনেক। এখানে রয়েছে বিষাক্ত হাইড্রোজেন সালফাইডের ভাণ্ডার। ফলে সমুদ্রের পানির চেয়ে এই হ্রদের পানি একেবারেই আলাদা। তা ছাড়া এই হ্রদে অক্সিজেনের কোনো অস্তিত্ব নেই। আর সে কারণেই মুহূর্তেই মারা পড়তে পারে সামুদ্রিক জীব বা কোনো প্রাণী।

অবশ্য এই হ্রদে বিপুল পরিমাণ জীবাণু রয়েছে। তবে পৃথিবীতে কী ভাবে সমুদ্রের সৃষ্টি হয়েছিল, তা জানতে এই আবিষ্কার অনেকটাই সাহায্য করবে বলে দাবি করেছেন স্যাম।

তিনি আরও জানান, এই আবিষ্কার জরুরি ছিল। কারণ এর থেকেই আন্দাজ করা যাবে অন্য কোনো গ্রহে এ রকম পরিস্থিতিতে কোনো প্রাণী বেঁচে আছে কি না।

এদিকে, নিউইয়র্ক পোস্টের মতে, বিজ্ঞানীদের আবিষ্কৃত এটিই প্রথম ব্রাইন পুল নয়। গত ৩০ বছরে, সমুদ্রবিজ্ঞানীরা লোহিত সাগর, ভূমধ্যসাগর এবং মেক্সিকো উপসাগরে ‘কয়েক ডজন’ এ ধরনের ভয়াবহ হ্রদ আবিষ্কার করেছেন।