ঢাকা ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিক্রির অধ্যাদেশ পাকিস্তানের মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সরকার ঋণ খেলাপি হওয়া ঠেকাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে। এ লক্ষ্যে জরুরি ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিক্রির জন্য একটি অধ্যাদেশের অনুমোদন দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।

দেশটির সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউনে বলা হয়, রাষ্ট্রের সম্পদ বিক্রির জন্য অনুমোদন পাওয়া অধ্যাদেশের নাম ‘ইন্টার গভর্নমেন্টাল কমার্শিয়াল ট্রানজেকশনস অর্ডিন্যান্স ২০২২’। এই অধ্যাদেশ অনুসারে জমি অধিগ্রহণের জন্য প্রাদেশিক সরকারগুলোকে কেন্দ্রীয় সরকার নির্দেশ দিতে পারবে। আর সেই নির্দেশ মানতে বাধ্য থাকবে প্রাদেশিক সরকার।

দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা অধ্যাদেশটির অনুমোদন দিলেও প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি এখনো অধ্যাদেশে সই করেননি।

বর্তমানে পাকিস্তান সরকার ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে। চলতি সপ্তাহে দেশটির মুদ্রার মান কমেছে ৮ দশমিক ৩ শতাংশ। ১৯৯৮ সালের নভেম্বরের পর পাকিস্তানের মুদ্রার মান কখনো এতটা কমেনি। এ ছাড়া, শ্রীলঙ্কার মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে দেশটির।

নতুন অধ্যাদেশটি করতে রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিক্রির ক্ষেত্রে বিদ্যমান অন্য আরও ছয়টি আইন পাস কাটিয়ে যাওয়া হয়েছে। এছাড়া রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিক্রির ক্ষেত্রে স্বাভাবিক যেসব প্রক্রিয়া মানার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তা যাতে মানতে না হয় সে ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

অধ্যাদেশ অনুসারে সরকারি সংস্থার সম্পদ ও শেয়ার বিদেশে বিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আবেদন গ্রহণ না করতে সরকার দেশের আদালতকেও নিষেধ করেছে।

মূলত সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে রাষ্ট্রীয় তেল ও গ্যাস কোম্পানি, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের শেয়ার বিক্রি করে ২০০ থেকে ২৫০ কোটি মার্কিন ডলারের তহবিল সংগ্রহ করতে চায় শাহবাজের সরকার। এর মাধ্যমে সাময়িকভাবে অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করছে তারা।

যদিও গত মে মাসে আরব আমিরাত থেকে ঋণ নেওয়ার চেষ্টা করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু আগের ঋণ শোধ করতে না পারার কারণে নতুনভাবে পাকিস্তানকে ঋণ দিতে সম্মত হয়নি আরব আমিরাত।

তবে রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিক্রির স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কারণ মারি গ্যাস কোম্পানি, অয়েল গ্যাস ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড ও পাকিস্তান পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের শেয়ার প্রকৃত মূল্যে বিক্রি করা যাবে না। কারণ বর্তমানে এসব কোম্পানির মূল্য অনেক কমেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিক্রির অধ্যাদেশ পাকিস্তানের মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

আপডেট সময় ০৫:৩৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ জুলাই ২০২২

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সরকার ঋণ খেলাপি হওয়া ঠেকাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে। এ লক্ষ্যে জরুরি ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিক্রির জন্য একটি অধ্যাদেশের অনুমোদন দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।

দেশটির সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউনে বলা হয়, রাষ্ট্রের সম্পদ বিক্রির জন্য অনুমোদন পাওয়া অধ্যাদেশের নাম ‘ইন্টার গভর্নমেন্টাল কমার্শিয়াল ট্রানজেকশনস অর্ডিন্যান্স ২০২২’। এই অধ্যাদেশ অনুসারে জমি অধিগ্রহণের জন্য প্রাদেশিক সরকারগুলোকে কেন্দ্রীয় সরকার নির্দেশ দিতে পারবে। আর সেই নির্দেশ মানতে বাধ্য থাকবে প্রাদেশিক সরকার।

দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা অধ্যাদেশটির অনুমোদন দিলেও প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি এখনো অধ্যাদেশে সই করেননি।

বর্তমানে পাকিস্তান সরকার ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে। চলতি সপ্তাহে দেশটির মুদ্রার মান কমেছে ৮ দশমিক ৩ শতাংশ। ১৯৯৮ সালের নভেম্বরের পর পাকিস্তানের মুদ্রার মান কখনো এতটা কমেনি। এ ছাড়া, শ্রীলঙ্কার মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে দেশটির।

নতুন অধ্যাদেশটি করতে রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিক্রির ক্ষেত্রে বিদ্যমান অন্য আরও ছয়টি আইন পাস কাটিয়ে যাওয়া হয়েছে। এছাড়া রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিক্রির ক্ষেত্রে স্বাভাবিক যেসব প্রক্রিয়া মানার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তা যাতে মানতে না হয় সে ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

অধ্যাদেশ অনুসারে সরকারি সংস্থার সম্পদ ও শেয়ার বিদেশে বিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আবেদন গ্রহণ না করতে সরকার দেশের আদালতকেও নিষেধ করেছে।

মূলত সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে রাষ্ট্রীয় তেল ও গ্যাস কোম্পানি, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের শেয়ার বিক্রি করে ২০০ থেকে ২৫০ কোটি মার্কিন ডলারের তহবিল সংগ্রহ করতে চায় শাহবাজের সরকার। এর মাধ্যমে সাময়িকভাবে অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করছে তারা।

যদিও গত মে মাসে আরব আমিরাত থেকে ঋণ নেওয়ার চেষ্টা করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু আগের ঋণ শোধ করতে না পারার কারণে নতুনভাবে পাকিস্তানকে ঋণ দিতে সম্মত হয়নি আরব আমিরাত।

তবে রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিক্রির স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কারণ মারি গ্যাস কোম্পানি, অয়েল গ্যাস ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড ও পাকিস্তান পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের শেয়ার প্রকৃত মূল্যে বিক্রি করা যাবে না। কারণ বর্তমানে এসব কোম্পানির মূল্য অনেক কমেছে।