ঢাকা ০৬:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ে, ইউএনও আসায় কনের আসনে বসে পড়লেন ভাবি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় বাল্যবিয়ে দেয়ার চেষ্টার অভিযোগে এক কাজীকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেই সাথে বরকে জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের ন্যাটাশন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিমল কুমার।

দণ্ডপ্রাপ্ত কাজী রেহান রেজা উপজেলার চেংমারী গ্রামের হুমায়ুন রেজার ছেলে। বর রুবেল ইসলাম নবাবগঞ্জ উপজেলার কুশদহ ইউনিয়নের সেকেন্দার আলীর ছেলে। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিকভাবে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর সাথে বিয়ের আয়োজন করা হয়। পূর্বনির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রাতে বরযাত্রী আসে। বিয়ের আসরে বর-কনেও হাজির। দ্রুত বিয়ের কাজ সম্পন্ন করতে কাজী রেহান রেজা খসড়া লেখা শেষ করেছিলেন আগেই।

হঠাৎ করে পুলিশসহ বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হন ইউএনও কুমার সরকার। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বরের পাশে কনে সেজে বসে পড়েন মেয়ের ভাবি। দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন কাজী। পরে তাকে ধাওয়া দিয়ে আটক করে পুলিশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি’: স্পিকার হাফিজ

৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ে, ইউএনও আসায় কনের আসনে বসে পড়লেন ভাবি

আপডেট সময় ০৬:০৬:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় বাল্যবিয়ে দেয়ার চেষ্টার অভিযোগে এক কাজীকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেই সাথে বরকে জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের ন্যাটাশন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিমল কুমার।

দণ্ডপ্রাপ্ত কাজী রেহান রেজা উপজেলার চেংমারী গ্রামের হুমায়ুন রেজার ছেলে। বর রুবেল ইসলাম নবাবগঞ্জ উপজেলার কুশদহ ইউনিয়নের সেকেন্দার আলীর ছেলে। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিকভাবে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর সাথে বিয়ের আয়োজন করা হয়। পূর্বনির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রাতে বরযাত্রী আসে। বিয়ের আসরে বর-কনেও হাজির। দ্রুত বিয়ের কাজ সম্পন্ন করতে কাজী রেহান রেজা খসড়া লেখা শেষ করেছিলেন আগেই।

হঠাৎ করে পুলিশসহ বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হন ইউএনও কুমার সরকার। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বরের পাশে কনে সেজে বসে পড়েন মেয়ের ভাবি। দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন কাজী। পরে তাকে ধাওয়া দিয়ে আটক করে পুলিশ।