ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

পুড়ে যাওয়া জমি দখলে নেবে মিয়ানমার সরকার

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাখাইনের রাজধানী সিতভিতে মঙ্গলবার এক বৈঠকে সমাজ কল্যাণ, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী উইন মিয়াত আইয়ে বলেন, “আমাদের দেশের আইনানুযায়ী পুড়ে যাওয়া ভূমি সরকারের দখলে চলে যায়। “ভূমি পুনঃউন্নয়ন কাজ খুবই কার্যকর হবে।”

মন্ত্রী আরো বলেন, ওই আইন অনুযায়ী, যে কোনো ধরনের দুর্যোগ এমনকি সংঘর্ষের কারণে কোনো এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হলে সরকার সেই এলাকার পুনঃউন্নয়ন কাজ তদারকি করবে সরকার। সেইসব ভূমির পুনঃউন্নয়ন করবে।” দেশটির সরকারি দৈনিক ‘নিউ লাইট অব মিয়ানমার’ এর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।

সহিংসতা থেকে প্রাণ বাঁচাতে দেশত্যাগ করা রোহিঙ্গা মুসলিমরা যদি দেশে ফিরে যায় তবে তাদের নিজ নিজ গ্রামে প্রবেশ এবং সম্পত্তির দখল নিতে দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়েও কিছু জানাননি তিনি। রয়টার্সের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে জানতে ওই মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হতে হয়েছে।

পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মুখে সেনাবাহিনী ও স্থানীয় বৌদ্ধদের নির্মম নির্যাতনের বর্ণনা পাওয়া যাচ্ছে। তারা জানায়, সেখানে তাদের হত্যা, ধর্ষণ ও নিপীড়নের শিকার হতে হচ্ছে। পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে তাদের বাড়িঘর। প্রাণ বাঁচাতে প্রায় পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, যাদের ‍অনেকের শরীরে গুলি বা পোড়া ক্ষত রয়েছে।

যদিও মিয়ানমার সরকারের দাবি, এআরএসএ জঙ্গিরা রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে বেসামরিক নাগরিকদের উপর আক্রমণ করছে এবং তাদের বাড়ি ঘর জ্বালিয়ে দিচ্ছে। যে কারণে রাখাইনে অর্ধের বেশি রোহিঙ্গা গ্রাম খালি হয়ে গেছে।

সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে যে সহিংস নির্যাতন ও নিপীড়ন চালাচ্ছে তাকে ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’ বলে মনে করে জাতিসংঘ। ২৫ অাগস্ট সেনা অভিযান শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত সহিংসতায় প্রায় পাঁচশ মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে মিয়ানমার সরকার; যাদের মধ্যে প্রায় চারশ’ জনই এআরএসএ জঙ্গি বলে দাবি তাদের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুড়ে যাওয়া জমি দখলে নেবে মিয়ানমার সরকার

আপডেট সময় ০৮:২৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাখাইনের রাজধানী সিতভিতে মঙ্গলবার এক বৈঠকে সমাজ কল্যাণ, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী উইন মিয়াত আইয়ে বলেন, “আমাদের দেশের আইনানুযায়ী পুড়ে যাওয়া ভূমি সরকারের দখলে চলে যায়। “ভূমি পুনঃউন্নয়ন কাজ খুবই কার্যকর হবে।”

মন্ত্রী আরো বলেন, ওই আইন অনুযায়ী, যে কোনো ধরনের দুর্যোগ এমনকি সংঘর্ষের কারণে কোনো এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হলে সরকার সেই এলাকার পুনঃউন্নয়ন কাজ তদারকি করবে সরকার। সেইসব ভূমির পুনঃউন্নয়ন করবে।” দেশটির সরকারি দৈনিক ‘নিউ লাইট অব মিয়ানমার’ এর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।

সহিংসতা থেকে প্রাণ বাঁচাতে দেশত্যাগ করা রোহিঙ্গা মুসলিমরা যদি দেশে ফিরে যায় তবে তাদের নিজ নিজ গ্রামে প্রবেশ এবং সম্পত্তির দখল নিতে দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়েও কিছু জানাননি তিনি। রয়টার্সের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে জানতে ওই মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হতে হয়েছে।

পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মুখে সেনাবাহিনী ও স্থানীয় বৌদ্ধদের নির্মম নির্যাতনের বর্ণনা পাওয়া যাচ্ছে। তারা জানায়, সেখানে তাদের হত্যা, ধর্ষণ ও নিপীড়নের শিকার হতে হচ্ছে। পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে তাদের বাড়িঘর। প্রাণ বাঁচাতে প্রায় পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, যাদের ‍অনেকের শরীরে গুলি বা পোড়া ক্ষত রয়েছে।

যদিও মিয়ানমার সরকারের দাবি, এআরএসএ জঙ্গিরা রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে বেসামরিক নাগরিকদের উপর আক্রমণ করছে এবং তাদের বাড়ি ঘর জ্বালিয়ে দিচ্ছে। যে কারণে রাখাইনে অর্ধের বেশি রোহিঙ্গা গ্রাম খালি হয়ে গেছে।

সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে যে সহিংস নির্যাতন ও নিপীড়ন চালাচ্ছে তাকে ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’ বলে মনে করে জাতিসংঘ। ২৫ অাগস্ট সেনা অভিযান শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত সহিংসতায় প্রায় পাঁচশ মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে মিয়ানমার সরকার; যাদের মধ্যে প্রায় চারশ’ জনই এআরএসএ জঙ্গি বলে দাবি তাদের।