ঢাকা ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

মহেশখালীতে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে কোপালেন পৌর মেয়র

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের মহেশখালীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেনকে (৬৫) কুপিয়ে রক্তাক্ত করেছেন পৌর মেয়র। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়া এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (২৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোরকঘাটা হিন্দুপাড়া রাস্তার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। আমজাদ হোসেন (৬৫) উপজেলার গোরকঘাটা বাজার এলাকার বাসিন্দা।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন জানান, বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে হিন্দুপাড়া রাস্তার মোড়ে পৌর মেয়র মকছুদ লোকজন নিয়ে তার রিকশার গতিরোধ করেন। পরে তাকে কুপিয়ে ও মারধর করে রাস্তায় ফেলে যান।

তিনি বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পৌর মেয়র মকছুদ মিয়া দলবল নিয়ে হত্যার উদ্দেশে এ হামলা করেছেন।

সম্প্রতি আমজাদ হোসেনের কুতুবজুমস্থ চিংড়ি ঘেরে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এতে তিনি মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়াসহ ৩০ জনের নামে ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে উভয়পক্ষে বিরোধ আরও বাড়ে।

মেয়র মকছুদ মিয়া ও তার লোকজনের হুমকির মুখে ছিলেন আমজাদ হোসেন। আমজাদকে নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে মেয়র মকছুদ তাকে দ্বীপ ছাড়াও করেছেন। এসব অভিযোগ তুলে কক্সবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন।

মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়া মোবাইল ফোনে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা। উনি যে অভিযোগ করছেন তা বানোয়াট। আর যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে এগুলো আমার বাপ-দাদার সম্পত্তি। উনি কোন সময় কি অভিযোগ করেন, তার কোনো ঠিক নেই।

এছাড়াও তিনি এলাকায় এসে ঘটনার যাচাই-বাছাই করার অনুরোধ করেন।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হাই বলেন, ঘটনার বিষয়ে শুনেছি। এখনো অভিযোগ হাতে পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

মহেশখালীতে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে কোপালেন পৌর মেয়র

আপডেট সময় ০৭:০২:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের মহেশখালীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেনকে (৬৫) কুপিয়ে রক্তাক্ত করেছেন পৌর মেয়র। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়া এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (২৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোরকঘাটা হিন্দুপাড়া রাস্তার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। আমজাদ হোসেন (৬৫) উপজেলার গোরকঘাটা বাজার এলাকার বাসিন্দা।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন জানান, বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে হিন্দুপাড়া রাস্তার মোড়ে পৌর মেয়র মকছুদ লোকজন নিয়ে তার রিকশার গতিরোধ করেন। পরে তাকে কুপিয়ে ও মারধর করে রাস্তায় ফেলে যান।

তিনি বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পৌর মেয়র মকছুদ মিয়া দলবল নিয়ে হত্যার উদ্দেশে এ হামলা করেছেন।

সম্প্রতি আমজাদ হোসেনের কুতুবজুমস্থ চিংড়ি ঘেরে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এতে তিনি মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়াসহ ৩০ জনের নামে ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে উভয়পক্ষে বিরোধ আরও বাড়ে।

মেয়র মকছুদ মিয়া ও তার লোকজনের হুমকির মুখে ছিলেন আমজাদ হোসেন। আমজাদকে নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে মেয়র মকছুদ তাকে দ্বীপ ছাড়াও করেছেন। এসব অভিযোগ তুলে কক্সবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন।

মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়া মোবাইল ফোনে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা। উনি যে অভিযোগ করছেন তা বানোয়াট। আর যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে এগুলো আমার বাপ-দাদার সম্পত্তি। উনি কোন সময় কি অভিযোগ করেন, তার কোনো ঠিক নেই।

এছাড়াও তিনি এলাকায় এসে ঘটনার যাচাই-বাছাই করার অনুরোধ করেন।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হাই বলেন, ঘটনার বিষয়ে শুনেছি। এখনো অভিযোগ হাতে পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।