ঢাকা ০৮:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপে ব্যর্থতা : পাকিস্তান দলের প্রত্যেককে ৫০ লাখ রুপি জরিমানা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, হটলাইন চালু করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি অভিবাসীদের ভিসা দেওয়া স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র কারচুপির অভিযোগ,ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির আরও ৪ প্রার্থী বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের দায়িত্ব নিল আমিরাত মিসাইলের আঘাতে বিধ্বস্ত মার্কিন এফ-১৫ ফাইটার জেট, দাবি ইরানের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনায় যাবে না ইরান : লারিজানি

মহেশখালীতে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে কোপালেন পৌর মেয়র

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের মহেশখালীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেনকে (৬৫) কুপিয়ে রক্তাক্ত করেছেন পৌর মেয়র। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়া এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (২৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোরকঘাটা হিন্দুপাড়া রাস্তার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। আমজাদ হোসেন (৬৫) উপজেলার গোরকঘাটা বাজার এলাকার বাসিন্দা।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন জানান, বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে হিন্দুপাড়া রাস্তার মোড়ে পৌর মেয়র মকছুদ লোকজন নিয়ে তার রিকশার গতিরোধ করেন। পরে তাকে কুপিয়ে ও মারধর করে রাস্তায় ফেলে যান।

তিনি বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পৌর মেয়র মকছুদ মিয়া দলবল নিয়ে হত্যার উদ্দেশে এ হামলা করেছেন।

সম্প্রতি আমজাদ হোসেনের কুতুবজুমস্থ চিংড়ি ঘেরে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এতে তিনি মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়াসহ ৩০ জনের নামে ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে উভয়পক্ষে বিরোধ আরও বাড়ে।

মেয়র মকছুদ মিয়া ও তার লোকজনের হুমকির মুখে ছিলেন আমজাদ হোসেন। আমজাদকে নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে মেয়র মকছুদ তাকে দ্বীপ ছাড়াও করেছেন। এসব অভিযোগ তুলে কক্সবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন।

মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়া মোবাইল ফোনে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা। উনি যে অভিযোগ করছেন তা বানোয়াট। আর যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে এগুলো আমার বাপ-দাদার সম্পত্তি। উনি কোন সময় কি অভিযোগ করেন, তার কোনো ঠিক নেই।

এছাড়াও তিনি এলাকায় এসে ঘটনার যাচাই-বাছাই করার অনুরোধ করেন।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হাই বলেন, ঘটনার বিষয়ে শুনেছি। এখনো অভিযোগ হাতে পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মহেশখালীতে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে কোপালেন পৌর মেয়র

আপডেট সময় ০৭:০২:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের মহেশখালীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেনকে (৬৫) কুপিয়ে রক্তাক্ত করেছেন পৌর মেয়র। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়া এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (২৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোরকঘাটা হিন্দুপাড়া রাস্তার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। আমজাদ হোসেন (৬৫) উপজেলার গোরকঘাটা বাজার এলাকার বাসিন্দা।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন জানান, বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে হিন্দুপাড়া রাস্তার মোড়ে পৌর মেয়র মকছুদ লোকজন নিয়ে তার রিকশার গতিরোধ করেন। পরে তাকে কুপিয়ে ও মারধর করে রাস্তায় ফেলে যান।

তিনি বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পৌর মেয়র মকছুদ মিয়া দলবল নিয়ে হত্যার উদ্দেশে এ হামলা করেছেন।

সম্প্রতি আমজাদ হোসেনের কুতুবজুমস্থ চিংড়ি ঘেরে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এতে তিনি মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়াসহ ৩০ জনের নামে ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে উভয়পক্ষে বিরোধ আরও বাড়ে।

মেয়র মকছুদ মিয়া ও তার লোকজনের হুমকির মুখে ছিলেন আমজাদ হোসেন। আমজাদকে নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে মেয়র মকছুদ তাকে দ্বীপ ছাড়াও করেছেন। এসব অভিযোগ তুলে কক্সবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন।

মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়া মোবাইল ফোনে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা। উনি যে অভিযোগ করছেন তা বানোয়াট। আর যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে এগুলো আমার বাপ-দাদার সম্পত্তি। উনি কোন সময় কি অভিযোগ করেন, তার কোনো ঠিক নেই।

এছাড়াও তিনি এলাকায় এসে ঘটনার যাচাই-বাছাই করার অনুরোধ করেন।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হাই বলেন, ঘটনার বিষয়ে শুনেছি। এখনো অভিযোগ হাতে পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।