ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

মহেশখালীতে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে কোপালেন পৌর মেয়র

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের মহেশখালীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেনকে (৬৫) কুপিয়ে রক্তাক্ত করেছেন পৌর মেয়র। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়া এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (২৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোরকঘাটা হিন্দুপাড়া রাস্তার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। আমজাদ হোসেন (৬৫) উপজেলার গোরকঘাটা বাজার এলাকার বাসিন্দা।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন জানান, বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে হিন্দুপাড়া রাস্তার মোড়ে পৌর মেয়র মকছুদ লোকজন নিয়ে তার রিকশার গতিরোধ করেন। পরে তাকে কুপিয়ে ও মারধর করে রাস্তায় ফেলে যান।

তিনি বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পৌর মেয়র মকছুদ মিয়া দলবল নিয়ে হত্যার উদ্দেশে এ হামলা করেছেন।

সম্প্রতি আমজাদ হোসেনের কুতুবজুমস্থ চিংড়ি ঘেরে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এতে তিনি মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়াসহ ৩০ জনের নামে ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে উভয়পক্ষে বিরোধ আরও বাড়ে।

মেয়র মকছুদ মিয়া ও তার লোকজনের হুমকির মুখে ছিলেন আমজাদ হোসেন। আমজাদকে নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে মেয়র মকছুদ তাকে দ্বীপ ছাড়াও করেছেন। এসব অভিযোগ তুলে কক্সবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন।

মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়া মোবাইল ফোনে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা। উনি যে অভিযোগ করছেন তা বানোয়াট। আর যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে এগুলো আমার বাপ-দাদার সম্পত্তি। উনি কোন সময় কি অভিযোগ করেন, তার কোনো ঠিক নেই।

এছাড়াও তিনি এলাকায় এসে ঘটনার যাচাই-বাছাই করার অনুরোধ করেন।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হাই বলেন, ঘটনার বিষয়ে শুনেছি। এখনো অভিযোগ হাতে পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এআই দিয়ে আপত্তিকর ছবি, উদয়ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

মহেশখালীতে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে কোপালেন পৌর মেয়র

আপডেট সময় ০৭:০২:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের মহেশখালীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেনকে (৬৫) কুপিয়ে রক্তাক্ত করেছেন পৌর মেয়র। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়া এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (২৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোরকঘাটা হিন্দুপাড়া রাস্তার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। আমজাদ হোসেন (৬৫) উপজেলার গোরকঘাটা বাজার এলাকার বাসিন্দা।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন জানান, বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে হিন্দুপাড়া রাস্তার মোড়ে পৌর মেয়র মকছুদ লোকজন নিয়ে তার রিকশার গতিরোধ করেন। পরে তাকে কুপিয়ে ও মারধর করে রাস্তায় ফেলে যান।

তিনি বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পৌর মেয়র মকছুদ মিয়া দলবল নিয়ে হত্যার উদ্দেশে এ হামলা করেছেন।

সম্প্রতি আমজাদ হোসেনের কুতুবজুমস্থ চিংড়ি ঘেরে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এতে তিনি মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়াসহ ৩০ জনের নামে ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে উভয়পক্ষে বিরোধ আরও বাড়ে।

মেয়র মকছুদ মিয়া ও তার লোকজনের হুমকির মুখে ছিলেন আমজাদ হোসেন। আমজাদকে নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে মেয়র মকছুদ তাকে দ্বীপ ছাড়াও করেছেন। এসব অভিযোগ তুলে কক্সবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন।

মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়া মোবাইল ফোনে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা। উনি যে অভিযোগ করছেন তা বানোয়াট। আর যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে এগুলো আমার বাপ-দাদার সম্পত্তি। উনি কোন সময় কি অভিযোগ করেন, তার কোনো ঠিক নেই।

এছাড়াও তিনি এলাকায় এসে ঘটনার যাচাই-বাছাই করার অনুরোধ করেন।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হাই বলেন, ঘটনার বিষয়ে শুনেছি। এখনো অভিযোগ হাতে পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।