ঢাকা ০১:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

ফজরের নামাজ পড়ে দরজা খুলতেই মিলল ‘বোমা’ ও চিঠি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ফজরের নামাজ শেষে দরজা খুলতেই এক নারী দেখেন চিঠি পড়ে রয়েছে। দুর্বৃত্তরা নির্মাণধীন ভবনে বোমাসদৃশ বস্তু রেখে ওই চিঠির মাধ্যমে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

বুধবার সকালে উপজেলার নন্দনপুর বাজারে মো. আব্দুর রাজ্জাকের বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, চাচাতো ভাইবোন মিলে বাসাটি নির্মাণ করছেন। চাচাতো ভাই আশুলিয়াতে চাকরি করেন। বোন প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক। তাদের চাচি পাশেই একটি টিনশেড ঘরে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন। সকালে চাচি ফজরের নামাজ শেষে দরজা খুলতেই দেখেন চিঠি পড়ে রয়েছে। চিঠি পড়ে দেখা যায়, দুর্বৃত্তরা এক লাখ টাকা দাবি করেছে। তবে চিঠিতে কারও ঠিকানা দেওয়া হয়নি।

চিঠিতে লেখা রয়েছে— চাঁদার এক লাখ টাকা রাত ১০টার আগে পার্শ্ববর্তী ব্রিজের পাশে চালতা গাছের নিচে হলুদ চিপসের প্যাকেটের নিচে রাখতে হবে। তা না হলে বোমা বিস্ফোরণ হবে। টাকা পাওয়ার পর রিমোর্ট কন্ট্রোলের মাধ্যমে বোমাটি নষ্ট করা হবে। টাকা পরিশোধের পর বোমাটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার পরামর্শের কথাও উল্লেখ করেন দুর্বৃত্তরা। তারপর থেকে আতঙ্কে দিন পার করছেন নির্মাণাধীন ভবনের মালিকরা। বিষয়টি পুলিশে অবগত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ওসি মামুন ভূঁইয়া বলেন, নির্মাণাধীন তিনতলা ভবনের নিচতলায় বোমাসদৃশ বস্তুটি রাখা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। ঢাকা থেকে বোম ডিসপোজাল ইউনিট আসলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড

ফজরের নামাজ পড়ে দরজা খুলতেই মিলল ‘বোমা’ ও চিঠি

আপডেট সময় ০৭:০৩:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ফজরের নামাজ শেষে দরজা খুলতেই এক নারী দেখেন চিঠি পড়ে রয়েছে। দুর্বৃত্তরা নির্মাণধীন ভবনে বোমাসদৃশ বস্তু রেখে ওই চিঠির মাধ্যমে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

বুধবার সকালে উপজেলার নন্দনপুর বাজারে মো. আব্দুর রাজ্জাকের বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, চাচাতো ভাইবোন মিলে বাসাটি নির্মাণ করছেন। চাচাতো ভাই আশুলিয়াতে চাকরি করেন। বোন প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক। তাদের চাচি পাশেই একটি টিনশেড ঘরে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন। সকালে চাচি ফজরের নামাজ শেষে দরজা খুলতেই দেখেন চিঠি পড়ে রয়েছে। চিঠি পড়ে দেখা যায়, দুর্বৃত্তরা এক লাখ টাকা দাবি করেছে। তবে চিঠিতে কারও ঠিকানা দেওয়া হয়নি।

চিঠিতে লেখা রয়েছে— চাঁদার এক লাখ টাকা রাত ১০টার আগে পার্শ্ববর্তী ব্রিজের পাশে চালতা গাছের নিচে হলুদ চিপসের প্যাকেটের নিচে রাখতে হবে। তা না হলে বোমা বিস্ফোরণ হবে। টাকা পাওয়ার পর রিমোর্ট কন্ট্রোলের মাধ্যমে বোমাটি নষ্ট করা হবে। টাকা পরিশোধের পর বোমাটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার পরামর্শের কথাও উল্লেখ করেন দুর্বৃত্তরা। তারপর থেকে আতঙ্কে দিন পার করছেন নির্মাণাধীন ভবনের মালিকরা। বিষয়টি পুলিশে অবগত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ওসি মামুন ভূঁইয়া বলেন, নির্মাণাধীন তিনতলা ভবনের নিচতলায় বোমাসদৃশ বস্তুটি রাখা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। ঢাকা থেকে বোম ডিসপোজাল ইউনিট আসলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।