ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপে ব্যর্থতা : পাকিস্তান দলের প্রত্যেককে ৫০ লাখ রুপি জরিমানা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, হটলাইন চালু করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি অভিবাসীদের ভিসা দেওয়া স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র কারচুপির অভিযোগ,ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির আরও ৪ প্রার্থী বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের দায়িত্ব নিল আমিরাত মিসাইলের আঘাতে বিধ্বস্ত মার্কিন এফ-১৫ ফাইটার জেট, দাবি ইরানের

নভোচারীরা মহাকাশ ছেড়ে পালাচ্ছেন

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মহাকাশে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা। এমন পরিস্থিতিতে প্রাণ বাঁচাতে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ছেড়ে পৃথিবীতে ফেরার অপেক্ষায় আছেন নভোচারীরা। পূর্ব কোনো ঘোষণা ছাড়াই সোমবার পরপর চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে দেশটি। সেই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কয়েক মিনিটের মধ্যে চূর্ণবিচূর্ণ করে ফেলে পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা একটি কৃত্রিম উপগ্রহকে। পরে সেই উপগ্রহের টুকরোগুলো ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে মহাকাশে। যা কক্ষপথে ২৭ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি গতিবেগে প্রদক্ষিণ করতে শুরু করে। এসব টুকরা একটু হলেই পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে আঘাত লাগত। নাসার মিশন কন্ট্রোল রুম থেকে এ খবর পেয়ে মহাকাশচারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

প্রাণ বাঁচাতে মহাকাশ স্টেশন থেকে বেরিয়ে ৭ জন মহাকাশচারী চেপে বসেন পৃথিবীতে ফিরে আসার জন্য অপেক্ষারত মহাকাশযানে। নভোচারীদের মধ্যে রয়েছেন আমেরিকা, জাপান ও ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (এসা)-র মহাকাশচারীরা। চার দশক আগে পৃথিবীর কক্ষপথে একটি উপগ্রহ পাঠিয়েছিল রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘রসকসমস’। সেই উপগ্রহটির নাম ছিল ‘কসমস ১৪০৮’। সাবেক সোভিয়েত জামানায় উপগ্রহটিকে পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানো হয় বিভিন্ন দেশের ওপর গোয়েন্দাগিরির জন্য। যদিও কয়েক দশক আগেই কার্যকালের মেয়াদ ফুরিয়ে গিয়ে অচল হয়ে পড়ে উপগ্রহটি। তা ধ্বংস করতেই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে রাশিয়া।

নাসার অভিযোগ, ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে উপগ্রহটিকে উড়িয়ে দেওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান, চীন বা ইউরোপের কোনো দেশের মহাকাশ সংস্থাকেই জানায়নি রুশ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। এ ঘটনা আগামী দিনে মহাকাশে বিভিন্ন দেশের পেশি প্রদর্শন ও সমরসম্ভার পাঠানোর গোপন প্রস্তুতিতে আরও উৎসাহিত করবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের

নভোচারীরা মহাকাশ ছেড়ে পালাচ্ছেন

আপডেট সময় ০৮:০৬:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ নভেম্বর ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মহাকাশে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা। এমন পরিস্থিতিতে প্রাণ বাঁচাতে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ছেড়ে পৃথিবীতে ফেরার অপেক্ষায় আছেন নভোচারীরা। পূর্ব কোনো ঘোষণা ছাড়াই সোমবার পরপর চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে দেশটি। সেই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কয়েক মিনিটের মধ্যে চূর্ণবিচূর্ণ করে ফেলে পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা একটি কৃত্রিম উপগ্রহকে। পরে সেই উপগ্রহের টুকরোগুলো ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে মহাকাশে। যা কক্ষপথে ২৭ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি গতিবেগে প্রদক্ষিণ করতে শুরু করে। এসব টুকরা একটু হলেই পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে আঘাত লাগত। নাসার মিশন কন্ট্রোল রুম থেকে এ খবর পেয়ে মহাকাশচারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

প্রাণ বাঁচাতে মহাকাশ স্টেশন থেকে বেরিয়ে ৭ জন মহাকাশচারী চেপে বসেন পৃথিবীতে ফিরে আসার জন্য অপেক্ষারত মহাকাশযানে। নভোচারীদের মধ্যে রয়েছেন আমেরিকা, জাপান ও ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (এসা)-র মহাকাশচারীরা। চার দশক আগে পৃথিবীর কক্ষপথে একটি উপগ্রহ পাঠিয়েছিল রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘রসকসমস’। সেই উপগ্রহটির নাম ছিল ‘কসমস ১৪০৮’। সাবেক সোভিয়েত জামানায় উপগ্রহটিকে পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানো হয় বিভিন্ন দেশের ওপর গোয়েন্দাগিরির জন্য। যদিও কয়েক দশক আগেই কার্যকালের মেয়াদ ফুরিয়ে গিয়ে অচল হয়ে পড়ে উপগ্রহটি। তা ধ্বংস করতেই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে রাশিয়া।

নাসার অভিযোগ, ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে উপগ্রহটিকে উড়িয়ে দেওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান, চীন বা ইউরোপের কোনো দেশের মহাকাশ সংস্থাকেই জানায়নি রুশ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। এ ঘটনা আগামী দিনে মহাকাশে বিভিন্ন দেশের পেশি প্রদর্শন ও সমরসম্ভার পাঠানোর গোপন প্রস্তুতিতে আরও উৎসাহিত করবে।