ঢাকা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

২০২১ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে ২৪ হাজার মেগাওয়াট: নসরুল হামিদ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চলতি বছরের ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১৫ হাজার ৮২১ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে এবং ২০০৯ সালের পূর্বে ৪৭ শতাংশের স্থলে বর্তমানে ৮০ শতাংশেরও বেশি মানুষ বিদ্যুতের আওতায় এসেছে, যা বিগত বিএনপি-জামায়াত আমলের চেয়ে তিন গুণ বেশি।

বুধবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘বর্তমান সরকারের ভিশন হচ্ছে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে ২০২১ সালের মধ্যে সকল নাগরিকের কাছে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা।’

তিনি বলেন, সর্বস্তরের জনগণ বিশেষ করে দরিদ্র ও দুস্থ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ হাজার মেগাওয়াট ও ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের এক মাস্টার-প্ল্যান বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

নসরুল বলেন, ‘বর্তমানে পাওয়ার প্ল্যান্টের সংখ্যা ১১১টি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১৫ হাজার ৪২১ মেগাওয়াটে (ক্যাপটিভসহ) উন্নীত হয়েছে। ২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে মাত্র ২৭টি পাওয়ার প্ল্যান্ট ও ৪ হাজার ৯৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছিল।’

তিনি বলেন, দেশে জ্বালানির চাহিদা মেটানোর জন্য তরলকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির পাশাপাশি সরকার গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গত ২৫ সেপ্টেম্বর আমরা কাতারের রাসগ্যাসের সঙ্গে ১৫ বছরে বার্ষিক ২.৫ মিলিয়ন টন পর্যন্ত এলএনজি আমদানির জন্য দীর্ঘমেয়াদী ‘এলএনজি সেল্স অ্যান্ড পারচেজ এগ্রিমেন্ট’ স্বাক্ষর করেছি।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথম পর্যায়ে ২০১৮ সালের এপ্রিল থেকে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ৫শ’ এমএমসিএফডি এলএনজি ব্যবহার করা হবে এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে দেশের মধ্যাঞ্চলে ৫শ’ এমএমসিএফডি এলএনজি বিতরণ করা হবে।

তিনি বলেন, চাহিদা ও সরবরাহের ঘাটতি পূরণের উদ্দেশ্যে ভূমিতে এলএনজি টার্মিনালের পাশাপাশি বছরে ৭.৫ মিলিয়ন টন ক্ষমতাসম্পন্ন দু’টি এফএসআরইউ (ফ্লটিং স্টোরেজ রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) নির্মাণের কাজ চলছে। একটি এলএনজিভিত্তিক পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

২০২১ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে ২৪ হাজার মেগাওয়াট: নসরুল হামিদ

আপডেট সময় ০৯:৪১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চলতি বছরের ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১৫ হাজার ৮২১ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে এবং ২০০৯ সালের পূর্বে ৪৭ শতাংশের স্থলে বর্তমানে ৮০ শতাংশেরও বেশি মানুষ বিদ্যুতের আওতায় এসেছে, যা বিগত বিএনপি-জামায়াত আমলের চেয়ে তিন গুণ বেশি।

বুধবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘বর্তমান সরকারের ভিশন হচ্ছে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে ২০২১ সালের মধ্যে সকল নাগরিকের কাছে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা।’

তিনি বলেন, সর্বস্তরের জনগণ বিশেষ করে দরিদ্র ও দুস্থ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ হাজার মেগাওয়াট ও ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের এক মাস্টার-প্ল্যান বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

নসরুল বলেন, ‘বর্তমানে পাওয়ার প্ল্যান্টের সংখ্যা ১১১টি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১৫ হাজার ৪২১ মেগাওয়াটে (ক্যাপটিভসহ) উন্নীত হয়েছে। ২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে মাত্র ২৭টি পাওয়ার প্ল্যান্ট ও ৪ হাজার ৯৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছিল।’

তিনি বলেন, দেশে জ্বালানির চাহিদা মেটানোর জন্য তরলকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির পাশাপাশি সরকার গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গত ২৫ সেপ্টেম্বর আমরা কাতারের রাসগ্যাসের সঙ্গে ১৫ বছরে বার্ষিক ২.৫ মিলিয়ন টন পর্যন্ত এলএনজি আমদানির জন্য দীর্ঘমেয়াদী ‘এলএনজি সেল্স অ্যান্ড পারচেজ এগ্রিমেন্ট’ স্বাক্ষর করেছি।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথম পর্যায়ে ২০১৮ সালের এপ্রিল থেকে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ৫শ’ এমএমসিএফডি এলএনজি ব্যবহার করা হবে এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে দেশের মধ্যাঞ্চলে ৫শ’ এমএমসিএফডি এলএনজি বিতরণ করা হবে।

তিনি বলেন, চাহিদা ও সরবরাহের ঘাটতি পূরণের উদ্দেশ্যে ভূমিতে এলএনজি টার্মিনালের পাশাপাশি বছরে ৭.৫ মিলিয়ন টন ক্ষমতাসম্পন্ন দু’টি এফএসআরইউ (ফ্লটিং স্টোরেজ রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) নির্মাণের কাজ চলছে। একটি এলএনজিভিত্তিক পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।