ঢাকা ১২:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাশিয়া চীন ভারতকে উদ্বুদ্ধ করবেন বি. চৌধুরী ও ড. কামাল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাশিয়া চীন ভারতসহ মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল অন্যান্য রাষ্ট্রকে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসতে উদ্বুদ্ধ করার পদক্ষেপ নেবেন এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও ড. কামাল হোসেন। বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে এই দুই জ্যেষ্ঠ নাগরিক এ কথা বলেন।

সাবেক রাষ্ট্রপতি বি. চৌধুরী ও সংবিধানপ্রণেতা ড. কামাল রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমারের সঙ্গে অবিলম্বে আলোচনায় বসতে সরকারের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন। তারা রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বাংলাদেশের সব মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে এবং বিশ্বজনমত গঠনে প্রয়াস অব্যাহত রাখবেন বলে উল্লেখ করেন।

যুক্ত বিবৃতিতে তারা মিয়ানমার সরকারের উদ্দেশে বলেন, রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে খুন, অগ্নিসংযোগ, নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটিয়ে লাখ লাখ মানুষকে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য করা বন্ধ করতে হবে।

তারা আরো বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয়গ্রহণকারী রোহিঙ্গাদের অবিলম্বে মিয়ানমারে ফেরত নিতে হবে এবং জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে মিয়ানমার সরকারের গঠিত কফি আনান কমিশনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাদের সসম্মানে পুনর্বাসন করতে হবে।

বিবৃতিতে তারা বলেন, যেহেতু নিকট প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশের জনগণ মিয়ানমারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী, সেহেতু এ বিষয়ে মিয়ানমার সরকারকে তাদের সৃষ্ট সমস্যার গভীরতা উপলব্ধি করতে হবে। উভয় দেশের মধ্যে এ ধরনের অনভিপ্রেত ও অমানবিক সমস্যার পুনরাবৃত্তি বন্ধ করতেই হবে এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সমঝোতামূলক আদান-প্রদান হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রাশিয়া চীন ভারতকে উদ্বুদ্ধ করবেন বি. চৌধুরী ও ড. কামাল

আপডেট সময় ০২:৩০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাশিয়া চীন ভারতসহ মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল অন্যান্য রাষ্ট্রকে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসতে উদ্বুদ্ধ করার পদক্ষেপ নেবেন এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও ড. কামাল হোসেন। বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে এই দুই জ্যেষ্ঠ নাগরিক এ কথা বলেন।

সাবেক রাষ্ট্রপতি বি. চৌধুরী ও সংবিধানপ্রণেতা ড. কামাল রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমারের সঙ্গে অবিলম্বে আলোচনায় বসতে সরকারের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন। তারা রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বাংলাদেশের সব মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে এবং বিশ্বজনমত গঠনে প্রয়াস অব্যাহত রাখবেন বলে উল্লেখ করেন।

যুক্ত বিবৃতিতে তারা মিয়ানমার সরকারের উদ্দেশে বলেন, রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে খুন, অগ্নিসংযোগ, নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটিয়ে লাখ লাখ মানুষকে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য করা বন্ধ করতে হবে।

তারা আরো বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয়গ্রহণকারী রোহিঙ্গাদের অবিলম্বে মিয়ানমারে ফেরত নিতে হবে এবং জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে মিয়ানমার সরকারের গঠিত কফি আনান কমিশনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাদের সসম্মানে পুনর্বাসন করতে হবে।

বিবৃতিতে তারা বলেন, যেহেতু নিকট প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশের জনগণ মিয়ানমারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী, সেহেতু এ বিষয়ে মিয়ানমার সরকারকে তাদের সৃষ্ট সমস্যার গভীরতা উপলব্ধি করতে হবে। উভয় দেশের মধ্যে এ ধরনের অনভিপ্রেত ও অমানবিক সমস্যার পুনরাবৃত্তি বন্ধ করতেই হবে এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সমঝোতামূলক আদান-প্রদান হওয়া অত্যন্ত জরুরি।