ঢাকা ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বাংলা ওয়েবসাইটে চালু হচ্ছে গুগল অ্যাডসেন্স

অাকাশ আইসিটি ডেস্ক:

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে বাংলা ভাষার ওয়েবসাইটে গুগল অ্যাডসেন্স চালু করার ঘোষণা দিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় সার্চ ইঞ্জিন গুগল। মঙ্গলবার এক ব্লগপোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। গুগল বলছে, বাংলাদেশ, ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলা ভাষার ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব কিছু বিবেচনা করে বাংলায় গুগল অ্যাডসেন্স চালু করা হল।

বর্তমানে বিশ্বের প্রায় দেড় কোটি ওয়েবসাইটে গুগল অ্যাডসেন্স ব্যবহার করা হচ্ছে। ২০১৫ সালেই প্রতিষ্ঠানটি গুগল অ্যাডসেন্স প্রকাশকদের প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার পেমেন্ট দিয়েছে, যা ক্রমবর্ধমান হারে রকেট গতিতে বাড়ছে। বাংলা ভাষায় অ্যাডসেন্স চালু হওয়ার ফলে এ সংখ্যায় নতুনমাত্রা যুক্ত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উইকিপিডিয়ার তথ্যমতে, গুগল অ্যাডসেন্স হচ্ছে- গুগল পরিচালিত একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন। এটি মূলত একটি লাভ-অংশীদারি প্রকল্প, যার দ্বারা ব্যবহারকারী তার ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত বিজ্ঞাপনের বিষয়বস্তু থেকে অর্থ উপার্জন করতে সক্ষম হন। একটি ওয়েবসাইটের মালিক কিছু শর্তসাপেক্ষে তার সাইটে গুগল নির্ধারিত বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে অ্যাডসেন্স থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। আজকের অনলাইন বিশ্বে এ বিষয়টি ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে।

২০১০ সালের প্রথম প্রান্তিকে গুগল ২ দশমিক ০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছিল, যা বছর শেষে ৮ দশমিক ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে এসে পৌঁছে ছিল। ওই বছরেই অ্যাডসেন্সের মধ্য দিয়ে মোট রাজস্ব ৩০ শতাংশ আয় করেছিল।

অ্যাডসেন্স গুগলের বিজ্ঞাপন প্রচার প্রোগ্রাম। এ প্রোগ্রামের মাধ্যমে গুগল তৃতীয় পক্ষের বিভিন্ন বিজ্ঞাপন ওয়েবমাস্টার এবং ব্লগের মালিকদের নিকট বণ্টন করে। ওয়েবসাইটে গুগল অ্যাডসেন্স বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে ওয়েবমাস্টাররা অর্থ উপার্জন করতে পারে। বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত অর্থের ৬৮ শতাংশ (কনট্যান্টের ক্ষেত্রে) এবং ৫১ শতাংশ (সার্চের ক্ষেত্রে) ওয়েবমাস্টারদের মাধ্যমে বিতরণ করে গুগল।

গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে যে কেউ অর্থ আয় করতে পারে। ইংরেজি কনট্যান্টের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রচুর বাংলাদেশি ব্লগার এবং ওয়েবসাইটের মালিক গুগল অ্যাডসেন্সের বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে অর্থ আয় করছেন। তবে বাংলা সাইটে বিজ্ঞাপন চালু হওয়ার ফলে এই আয়ের পরিমাণ অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে।

উইকিপিডিয়া বলছে, গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে আয় করতে হলে আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটে ন্যূনতম কিছু ভিজিটর প্রয়োজন হবে। তা ছাড়া আপনার ওয়েবসাইটের মান হতে হবে অ্যাডসেন্সের নিয়ম মেনে। অতঃপর আপনাকে গুগল অ্যাডসেন্সে সাইনআপ করতে হবে। এর পর গুগল আপনার ওয়েবসাইট পর্যবেক্ষণ করার পর আপনার দেয়া সব ইনফর্মেশন ও রিক্রুইটমেন্ট ঠিক থাকলে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করার অনুমতি দেবে।

গুগল কর্তৃক আপনাকে একটি কোড দেয়া হবে, যা আপনার ওয়েবসাইটে ব্যবহার করতে হবে বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য। আর মাস শেষে আপনার আয় যদি ১০০ ডলার বা তার বেশি অতিক্রম করে, তবে আপনাকে অর্থ পাঠানো হবে। আর অ্যাডসেন্স শুধু ওয়েবসাইট নয়, ইউটিউব, মোবাইল অ্যাপ ইত্যাদিতেও ব্যবহার করা যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বাংলা ওয়েবসাইটে চালু হচ্ছে গুগল অ্যাডসেন্স

আপডেট সময় ০২:২২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আইসিটি ডেস্ক:

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে বাংলা ভাষার ওয়েবসাইটে গুগল অ্যাডসেন্স চালু করার ঘোষণা দিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় সার্চ ইঞ্জিন গুগল। মঙ্গলবার এক ব্লগপোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। গুগল বলছে, বাংলাদেশ, ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলা ভাষার ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব কিছু বিবেচনা করে বাংলায় গুগল অ্যাডসেন্স চালু করা হল।

বর্তমানে বিশ্বের প্রায় দেড় কোটি ওয়েবসাইটে গুগল অ্যাডসেন্স ব্যবহার করা হচ্ছে। ২০১৫ সালেই প্রতিষ্ঠানটি গুগল অ্যাডসেন্স প্রকাশকদের প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার পেমেন্ট দিয়েছে, যা ক্রমবর্ধমান হারে রকেট গতিতে বাড়ছে। বাংলা ভাষায় অ্যাডসেন্স চালু হওয়ার ফলে এ সংখ্যায় নতুনমাত্রা যুক্ত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উইকিপিডিয়ার তথ্যমতে, গুগল অ্যাডসেন্স হচ্ছে- গুগল পরিচালিত একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন। এটি মূলত একটি লাভ-অংশীদারি প্রকল্প, যার দ্বারা ব্যবহারকারী তার ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত বিজ্ঞাপনের বিষয়বস্তু থেকে অর্থ উপার্জন করতে সক্ষম হন। একটি ওয়েবসাইটের মালিক কিছু শর্তসাপেক্ষে তার সাইটে গুগল নির্ধারিত বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে অ্যাডসেন্স থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। আজকের অনলাইন বিশ্বে এ বিষয়টি ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে।

২০১০ সালের প্রথম প্রান্তিকে গুগল ২ দশমিক ০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছিল, যা বছর শেষে ৮ দশমিক ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে এসে পৌঁছে ছিল। ওই বছরেই অ্যাডসেন্সের মধ্য দিয়ে মোট রাজস্ব ৩০ শতাংশ আয় করেছিল।

অ্যাডসেন্স গুগলের বিজ্ঞাপন প্রচার প্রোগ্রাম। এ প্রোগ্রামের মাধ্যমে গুগল তৃতীয় পক্ষের বিভিন্ন বিজ্ঞাপন ওয়েবমাস্টার এবং ব্লগের মালিকদের নিকট বণ্টন করে। ওয়েবসাইটে গুগল অ্যাডসেন্স বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে ওয়েবমাস্টাররা অর্থ উপার্জন করতে পারে। বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত অর্থের ৬৮ শতাংশ (কনট্যান্টের ক্ষেত্রে) এবং ৫১ শতাংশ (সার্চের ক্ষেত্রে) ওয়েবমাস্টারদের মাধ্যমে বিতরণ করে গুগল।

গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে যে কেউ অর্থ আয় করতে পারে। ইংরেজি কনট্যান্টের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রচুর বাংলাদেশি ব্লগার এবং ওয়েবসাইটের মালিক গুগল অ্যাডসেন্সের বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে অর্থ আয় করছেন। তবে বাংলা সাইটে বিজ্ঞাপন চালু হওয়ার ফলে এই আয়ের পরিমাণ অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে।

উইকিপিডিয়া বলছে, গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে আয় করতে হলে আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটে ন্যূনতম কিছু ভিজিটর প্রয়োজন হবে। তা ছাড়া আপনার ওয়েবসাইটের মান হতে হবে অ্যাডসেন্সের নিয়ম মেনে। অতঃপর আপনাকে গুগল অ্যাডসেন্সে সাইনআপ করতে হবে। এর পর গুগল আপনার ওয়েবসাইট পর্যবেক্ষণ করার পর আপনার দেয়া সব ইনফর্মেশন ও রিক্রুইটমেন্ট ঠিক থাকলে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করার অনুমতি দেবে।

গুগল কর্তৃক আপনাকে একটি কোড দেয়া হবে, যা আপনার ওয়েবসাইটে ব্যবহার করতে হবে বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য। আর মাস শেষে আপনার আয় যদি ১০০ ডলার বা তার বেশি অতিক্রম করে, তবে আপনাকে অর্থ পাঠানো হবে। আর অ্যাডসেন্স শুধু ওয়েবসাইট নয়, ইউটিউব, মোবাইল অ্যাপ ইত্যাদিতেও ব্যবহার করা যাবে।