ঢাকা ০৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিউইয়র্কে আগুনে পুড়ে বাংলাদেশি কিশোরীর মৃত্যু

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আগুনে পুড়ে বাংলাদেশি এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া তার বড়ভাই, নানা ও নানি গুরুতর আহত হয়েছেন।

শনিবার ভোরে লং আইল্যান্ডে এলমন্টের মার্শাল স্ট্রিটে প্রবাসী বাংলাদেশি মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নাসাউ কাউন্টির চিফ ফায়ার মার্শাল মাইকেল উতারো এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মারা যাওয়া ওই কিশোরীর নাম রিফাত আরা আলী (১৩)। সে স্থানীয় একটি স্কুলের নবম গ্রেডে পড়ত। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোববার তার মৃত্যু হয়।

রিফাতের ভাই রাইম সাদমান জিম (১৭), নানা শামসুল হক (৮২) এবং নানি দিল আফরোজকে (৭১) নাসাউ ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

চিফ ফায়ার মার্শাল মাইকেল উতারো জানান, শনিবার ভোর পৌনে ৬টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা ঘটনাস্থলে যান। ৪৫ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

মোহাম্মদ আলীর বাড়ি বাংলাদেশের চাঁদপুরে। সামিনা শামসের বাড়ি কুষ্টিয়ায়। ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে এই দম্পতি লং আইল্যান্ডের ওই বাড়িতে থাকছিলেন।

মেয়ে এবং দুই নাতিকে দেখার জন্য গত ২৫ জুলাই বাংলাদেশ থেকে নিউইয়র্কে যান সামিনার মা-বাবা। আগামী ২৫ অক্টোবর তাদের দেশে ফেরার কথা ছিল। তবে আগুনে তাদের পাসপোর্ট পুড়ে গেছে।

কীভাবে আগুন লাগল তা ফায়ার সার্ভিস খতিয়ে দেখছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউইয়র্কে আগুনে পুড়ে বাংলাদেশি কিশোরীর মৃত্যু

আপডেট সময় ০৭:৪৪:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আগুনে পুড়ে বাংলাদেশি এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া তার বড়ভাই, নানা ও নানি গুরুতর আহত হয়েছেন।

শনিবার ভোরে লং আইল্যান্ডে এলমন্টের মার্শাল স্ট্রিটে প্রবাসী বাংলাদেশি মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নাসাউ কাউন্টির চিফ ফায়ার মার্শাল মাইকেল উতারো এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মারা যাওয়া ওই কিশোরীর নাম রিফাত আরা আলী (১৩)। সে স্থানীয় একটি স্কুলের নবম গ্রেডে পড়ত। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোববার তার মৃত্যু হয়।

রিফাতের ভাই রাইম সাদমান জিম (১৭), নানা শামসুল হক (৮২) এবং নানি দিল আফরোজকে (৭১) নাসাউ ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

চিফ ফায়ার মার্শাল মাইকেল উতারো জানান, শনিবার ভোর পৌনে ৬টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা ঘটনাস্থলে যান। ৪৫ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

মোহাম্মদ আলীর বাড়ি বাংলাদেশের চাঁদপুরে। সামিনা শামসের বাড়ি কুষ্টিয়ায়। ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে এই দম্পতি লং আইল্যান্ডের ওই বাড়িতে থাকছিলেন।

মেয়ে এবং দুই নাতিকে দেখার জন্য গত ২৫ জুলাই বাংলাদেশ থেকে নিউইয়র্কে যান সামিনার মা-বাবা। আগামী ২৫ অক্টোবর তাদের দেশে ফেরার কথা ছিল। তবে আগুনে তাদের পাসপোর্ট পুড়ে গেছে।

কীভাবে আগুন লাগল তা ফায়ার সার্ভিস খতিয়ে দেখছে।