ঢাকা ০১:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না: ট্রাম্প একাদশ শ্রেণিতে ৬ হাজার টাকা ভর্তি সহায়তা পাবেন যেসব শিক্ষার্থীরা পাকিস্তানে পৌঁছেছে মার্কিন প্রতিনিধিদল চট্টগ্রামে শপিং কমপ্লেক্সে আগুন ইসরাইলি হামলায় বাংলাদেশি নারীর মৃত্যুতে নিন্দা আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান

নির্বাচন অবশ্যই অবাধ নিরপেক্ষ হবে: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতার হত্যার পর নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে। যারা অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসেছেন, তারাই নির্বাচন প্রক্রিয়াটাকে ধ্বংস করেন। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন এখন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। নির্বাচন অবশ্যই অবাধ নিরপেক্ষ হবে। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবে নির্বাচন কমিশন। তারাই সব করবে। ভয়েস অব আমেরিকাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আমরা দিনের পর দিন আন্দোলন-সংগ্রাম করে গণতান্ত্রিক ধারাটা আবার ফিরিয়ে এনেছি। আজ নির্বাচন যত সুষ্ঠু হচ্ছে, মানুষ ভোট দিতে পারছে- এটা আমাদের অবদান। মানুষ তার পছন্দমতো লোককেই নির্বাচন করবে। আমরা সেটাই চাই। নির্বাচন প্রক্রিয়া আমরাই উন্নতি করেছি।

আগামী নির্বাচন সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যে কাজ করেছি, তাতে যদি জনগণ খুশি হয় ভোট দেবে, না হলে দেবে না। যা দেবে তাই আমরা মেনে নেব। নির্বাচন কমিশন এখন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। নির্বাচন অবশ্যই অবাধ নিরপেক্ষ হবে। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবে নির্বাচন কমিশন। তারাই সব করবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সরকারের আমলে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে, প্রত্যেকটি অবাধ, নিরপেক্ষ এবং সুষ্ঠু হয়েছে। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেতো বিএনপির প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন যদি আমাদের আমলে নাই হতো, তাহলে কি বিএনপি জিততে পারত? বিএনপির আমলে কি কেউ জিতেছে?

সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের যেন মিয়ানমার সরকার ফিরিয়ে নিয়ে যথাযথ নিরাপত্তা দিয়ে রাখে সেই বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তাদের পরামর্শ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমার কথাটা স্পষ্ট, যারা মিয়ানমার থেকে এসেছে তাদেরকে সসম্মানে ফিরিয়ে নিতে হবে। তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং তারা যেন ভালোভাবে ফিরে যেতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে।

আন্তর্জাতিকভাবে মিয়ানমার সরকারের ওপর যেন সেই চাপটা দেয়া হয়, যেন তারা তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিয়ে যায়। এটাই হচ্ছে মূলত আমার কথা।

জাতিসংঘে গিয়ে অনেকের সঙ্গে কথা বলেছেন, দেখা হয়েছে- কাদের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বেশি সমর্থন পাচ্ছেন এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি প্রত্যেকের কাছ থেকেই ভালো সমর্থন পেয়েছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

স্কুলছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা, একজন গ্রেফতার

নির্বাচন অবশ্যই অবাধ নিরপেক্ষ হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৪১:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতার হত্যার পর নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে। যারা অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসেছেন, তারাই নির্বাচন প্রক্রিয়াটাকে ধ্বংস করেন। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন এখন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। নির্বাচন অবশ্যই অবাধ নিরপেক্ষ হবে। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবে নির্বাচন কমিশন। তারাই সব করবে। ভয়েস অব আমেরিকাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আমরা দিনের পর দিন আন্দোলন-সংগ্রাম করে গণতান্ত্রিক ধারাটা আবার ফিরিয়ে এনেছি। আজ নির্বাচন যত সুষ্ঠু হচ্ছে, মানুষ ভোট দিতে পারছে- এটা আমাদের অবদান। মানুষ তার পছন্দমতো লোককেই নির্বাচন করবে। আমরা সেটাই চাই। নির্বাচন প্রক্রিয়া আমরাই উন্নতি করেছি।

আগামী নির্বাচন সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যে কাজ করেছি, তাতে যদি জনগণ খুশি হয় ভোট দেবে, না হলে দেবে না। যা দেবে তাই আমরা মেনে নেব। নির্বাচন কমিশন এখন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। নির্বাচন অবশ্যই অবাধ নিরপেক্ষ হবে। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবে নির্বাচন কমিশন। তারাই সব করবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সরকারের আমলে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে, প্রত্যেকটি অবাধ, নিরপেক্ষ এবং সুষ্ঠু হয়েছে। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেতো বিএনপির প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন যদি আমাদের আমলে নাই হতো, তাহলে কি বিএনপি জিততে পারত? বিএনপির আমলে কি কেউ জিতেছে?

সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের যেন মিয়ানমার সরকার ফিরিয়ে নিয়ে যথাযথ নিরাপত্তা দিয়ে রাখে সেই বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তাদের পরামর্শ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমার কথাটা স্পষ্ট, যারা মিয়ানমার থেকে এসেছে তাদেরকে সসম্মানে ফিরিয়ে নিতে হবে। তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং তারা যেন ভালোভাবে ফিরে যেতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে।

আন্তর্জাতিকভাবে মিয়ানমার সরকারের ওপর যেন সেই চাপটা দেয়া হয়, যেন তারা তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিয়ে যায়। এটাই হচ্ছে মূলত আমার কথা।

জাতিসংঘে গিয়ে অনেকের সঙ্গে কথা বলেছেন, দেখা হয়েছে- কাদের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বেশি সমর্থন পাচ্ছেন এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি প্রত্যেকের কাছ থেকেই ভালো সমর্থন পেয়েছি।