ঢাকা ০৪:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয় আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান গাওয়ায় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক গাজী নজরুলের আরেকটি ভিডিও ভাইরাল, ‘নতুন তরুণীকে’ ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ, যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তিন দাবিতে শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুফিবাদী সুন্নি মহাসমাবেশ ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি সরকারের স্বচ্ছতার নিদর্শন: ত্রাণমন্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে সরকারের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ককরোচ জনতা পার্টির চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা চলছে

অনুমোদন পেল আরও ৯ ব্রোকার হাউজ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তৃতীয় দফায় আরও নয়টি ব্রোকার হাউজকে শেয়ার কেনাবেচা (লেনদেন) করার জন্য ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট (ট্রেক) অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আর এতে করে গত তিন মাসে মোট ৫৫ ব্রোকার হাউজকে শেয়ার ব্যবসার জন্য ট্রেকের অনুমোদন দিল সংস্থাটি।

গত বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত চিঠিটি দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) পাঠিয়েছে বিএসইসি।

নতুন করে শেয়ার ব্যবসার জন্য অনুমোদন পাওয়া ট্রেকগুলো হলো- অ্যাসুরেন্ট সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, মেট্রিক্স সিকিউরিটিজ লিমিটেড, সিএএল সিকিউরিটিজ লিমিটেড, সোনার বাংলা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির সাবসিডিয়ারি এসবিআই সিকিউরিটিজ লিমিটেড, উইংস ফিন লিমিটেড, ফারইস্ট শেয়ারস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ, ট্রাস্ট রিজিওনাল ইকুইটি লিমিটেড, ইনোভা সিকিউরিটিজ লিমিটেড এবং ডিপি সেভেন লিমিটেড।

আইন অনুসারে, একটি ট্রেকের জন্য নিবন্ধন ফি এক কোটি টাকা। আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই ট্রেক পাওয়ার জন্য এক লাখ টাকা ফিসহ এক্সচেঞ্জে আবেদন করতে হয়। ট্রেক নেওয়ার জন্য কমপক্ষে পাঁচ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন থাকতে হবে এবং স্টক এক্সচেঞ্জে তিন কোটি টাকা জামানত দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে বিদেশিদের সঙ্গে যৌথভাবে ট্রেক নেওয়ার ক্ষেত্রে পরিশোধিত মূলধন আট কোটি টাকা এবং শুধু বিদেশিদের ক্ষেত্রে ১০ কোটি টাকার কথা বলা হয়েছে।

জামানতের ক্ষেত্রে বিদেশিদের সঙ্গে যৌথভাবে ট্রেক নেওয়ার জন্য চার কোটি টাকা এবং শুধু বিদেশিদের জন্য পাঁচ কোটি টাকা জমা দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। আর ট্রেকের বার্ষিক ফি হিসেবে এক লাখ টাকার কথা বলা হয়েছে আইনে।

তারল্য সংকট দূর করে পুঁজিবাজারের পরিধি বাড়াতে চলতি বছরের ১৯ মে প্রথম দফায় ৩০টি প্রতিষ্ঠানকে ট্রেকের অনুমোদন দেয় বিএসইসি। এরপর দ্বিতীয় দফায় আরও ১৬টি ট্রেকের অনুমোদন দেওয়ার জন্য গত ২১ জুন ডিএসইকে চিঠি দেয় বিএসইসি। গ্রাহকদের শেয়ার লেনদেন করতে যেকোনো কোম্পানি, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কমিশনের অনুমোদিত কোনো প্রতিষ্ঠান স্টক এক্সচেঞ্জের ট্রেক কিনতে পারবে। তবে এই ট্রেকের মালিক স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ারহোল্ডার হবেন না।

শুধু শেয়ার, বন্ড ও ইউনিট বেচাকেনা করার সুযোগ পাবেন। কোনো প্রতিষ্ঠান ট্রেক পেলে তা হস্তান্তর করা যাবে না। আবার নিবন্ধন পাওয়ার এক বছরের মধ্যে সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক ডিলার, স্টক ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালা ২০০০ অনুযায়ী স্টক-ডিলার বা স্টক-ব্রোকারের সনদ নিতে হবে। এই সনদ নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যে ব্যবসা শুরু করতে না পারলে ট্রেক বাতিল হয়ে যাবে।

বিএসইসি জানিয়েছে, বর্তমানে ট্রেক পেতে যেসব আবেদন জমা রয়েছে, তার মধ্যে চারটি কোম্পানিকে তাদের সংঘস্মারক পরিবর্তন করতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। উল্লিখিত সময়ের মধ্যে সংঘস্মারক পরিবর্তন না করলে তাদের আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়

অনুমোদন পেল আরও ৯ ব্রোকার হাউজ

আপডেট সময় ০১:২৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তৃতীয় দফায় আরও নয়টি ব্রোকার হাউজকে শেয়ার কেনাবেচা (লেনদেন) করার জন্য ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট (ট্রেক) অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আর এতে করে গত তিন মাসে মোট ৫৫ ব্রোকার হাউজকে শেয়ার ব্যবসার জন্য ট্রেকের অনুমোদন দিল সংস্থাটি।

গত বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত চিঠিটি দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) পাঠিয়েছে বিএসইসি।

নতুন করে শেয়ার ব্যবসার জন্য অনুমোদন পাওয়া ট্রেকগুলো হলো- অ্যাসুরেন্ট সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, মেট্রিক্স সিকিউরিটিজ লিমিটেড, সিএএল সিকিউরিটিজ লিমিটেড, সোনার বাংলা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির সাবসিডিয়ারি এসবিআই সিকিউরিটিজ লিমিটেড, উইংস ফিন লিমিটেড, ফারইস্ট শেয়ারস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ, ট্রাস্ট রিজিওনাল ইকুইটি লিমিটেড, ইনোভা সিকিউরিটিজ লিমিটেড এবং ডিপি সেভেন লিমিটেড।

আইন অনুসারে, একটি ট্রেকের জন্য নিবন্ধন ফি এক কোটি টাকা। আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই ট্রেক পাওয়ার জন্য এক লাখ টাকা ফিসহ এক্সচেঞ্জে আবেদন করতে হয়। ট্রেক নেওয়ার জন্য কমপক্ষে পাঁচ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন থাকতে হবে এবং স্টক এক্সচেঞ্জে তিন কোটি টাকা জামানত দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে বিদেশিদের সঙ্গে যৌথভাবে ট্রেক নেওয়ার ক্ষেত্রে পরিশোধিত মূলধন আট কোটি টাকা এবং শুধু বিদেশিদের ক্ষেত্রে ১০ কোটি টাকার কথা বলা হয়েছে।

জামানতের ক্ষেত্রে বিদেশিদের সঙ্গে যৌথভাবে ট্রেক নেওয়ার জন্য চার কোটি টাকা এবং শুধু বিদেশিদের জন্য পাঁচ কোটি টাকা জমা দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। আর ট্রেকের বার্ষিক ফি হিসেবে এক লাখ টাকার কথা বলা হয়েছে আইনে।

তারল্য সংকট দূর করে পুঁজিবাজারের পরিধি বাড়াতে চলতি বছরের ১৯ মে প্রথম দফায় ৩০টি প্রতিষ্ঠানকে ট্রেকের অনুমোদন দেয় বিএসইসি। এরপর দ্বিতীয় দফায় আরও ১৬টি ট্রেকের অনুমোদন দেওয়ার জন্য গত ২১ জুন ডিএসইকে চিঠি দেয় বিএসইসি। গ্রাহকদের শেয়ার লেনদেন করতে যেকোনো কোম্পানি, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কমিশনের অনুমোদিত কোনো প্রতিষ্ঠান স্টক এক্সচেঞ্জের ট্রেক কিনতে পারবে। তবে এই ট্রেকের মালিক স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ারহোল্ডার হবেন না।

শুধু শেয়ার, বন্ড ও ইউনিট বেচাকেনা করার সুযোগ পাবেন। কোনো প্রতিষ্ঠান ট্রেক পেলে তা হস্তান্তর করা যাবে না। আবার নিবন্ধন পাওয়ার এক বছরের মধ্যে সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক ডিলার, স্টক ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালা ২০০০ অনুযায়ী স্টক-ডিলার বা স্টক-ব্রোকারের সনদ নিতে হবে। এই সনদ নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যে ব্যবসা শুরু করতে না পারলে ট্রেক বাতিল হয়ে যাবে।

বিএসইসি জানিয়েছে, বর্তমানে ট্রেক পেতে যেসব আবেদন জমা রয়েছে, তার মধ্যে চারটি কোম্পানিকে তাদের সংঘস্মারক পরিবর্তন করতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। উল্লিখিত সময়ের মধ্যে সংঘস্মারক পরিবর্তন না করলে তাদের আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।