ঢাকা ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

এবার শোবিজ তারকাদের সব গোমর ফাঁস করলেন হ্যাপি

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

মডেল ও অভিনেত্রী নাজনীন আক্তার হ্যাপি বাংলাদেশের মিডিয়া জগতের এক আলোচিত নাম। ২০১৫ ক্রিকেট বিশ্বকাপের আগে ক্রিকেটার রুবেল হোসেনের সঙ্গে স্ক্যান্ডালে জড়িয়েই মূলত সেই আলোচনা। যা নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি।

হ্যাপি দাবি করেছিলেন, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে রুবেল তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। এমনকি রুবেলকে পেতে আদালতের দারস্থও হয়েছিলেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত রুবেল-হ্যাপির সম্পর্ক আর টিকেনি। এরপর রুবেলের বিয়ের খবর জানার পর নিজের ‘লাইফস্ট্যাইল’ই পাল্টে ফেলেন এই অভিনেত্রী।

এক সময় রুপালি পর্দা কাঁপানো হ্যাপির আগের জীবনের সঙ্গে এখনকার জীবনের কোনো মিল নেই। এক কথায় সম্পূর্ণ বিপরীত। বিয়ে করে ইসলামি বিধান মেনেই এখন পুরোদস্তুর জীবনযাপন করছেন। ধর্মীয় জ্ঞান লাভের জন্য এখন পড়াশুনা করছেন মাদ্রাসায়। বিদায় জানিয়েছেন সিনেমাকে। তাবলীগ জামায়াতে যোগ দেয়ার সংকল্প করেছেন। চলাফেরা করেন বোরকা পরে।

ফেসবুক থেকে মুছে দিয়েছেন সব ছবি। মিডিয়ার আলোচিত হ্যাপি এখন নাম পরিবর্তন করে রেখেছেন ‘আমাতুল্লাহ’ (আল্লাহর দাসী)। হ্যাপির সেই বদলে যাওয়া জীবন নিয়ে একটি বই লিখেছেন সাদেকা সুলতানা সাকী এবং স্বামী আবদুল্লাহ আল ফারুক। বইটিতে তার বদলে যাওয়া জীবনের নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে।

বইটিতে হ্যাপি বলেছেন, শোবিজ তারকাদের ৯৫% তাদের ব্যক্তিজীবনে সুখী নন। দুনিয়ার সব কিছু পেয়েও তারা তাদের জীবন নিয়ে ভীষণ হতাশা বোধ করেন। সহকর্মী ও শিল্পীদের জীবন পর্যবেক্ষণ করেই এ অভিমত ব্যক্ত করেছেন তিনি।

হ্যাপি আরও বলেন, একজন হিরোইনের ক্যারিয়ার কয় বছরের? বড় জোর ১০ বছর। তার যত চাহিদা, খ্যাতি, আবেদন, সব ওই ১০ বছরেই। এরপর আর তাকে কেউ দাম দেবে না। তখন তার চাহিদা কমে যাবে, খ্যাতি কমে যাবে, গুরুত্ব কমে যাবে, পয়সা কমে যাবে।

যখন কোনো শিল্পীর জীবনে এমন খরা নেমে আসে তখন সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। আপনি খুঁজে দেখুন, সব চিত্রতারকার জীবনে এমন দুঃখের গল্প আছে।

এমন কাউকে পাবেন না, যে শেষ জীবনে এমন বিড়ম্বনার সম্মুখীন হননি। এটা কেন? এটা নিশ্চয়ই সেই নোংরা জীবনে জড়ানোর পরিণতি। যদি সে এমন নোংরা জীবনে না জড়াত তাহলে তাকে এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হতো না।

এগুলো কিন্তু মানুষ দেখে না। তারা শুধু ঝলমলে জীবনটাই দেখে। তারা জানে না, এই ঝলমলে জীবনের পেছনে আছে খুবই অন্ধকার একটি জগত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

এবার শোবিজ তারকাদের সব গোমর ফাঁস করলেন হ্যাপি

আপডেট সময় ০১:০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

মডেল ও অভিনেত্রী নাজনীন আক্তার হ্যাপি বাংলাদেশের মিডিয়া জগতের এক আলোচিত নাম। ২০১৫ ক্রিকেট বিশ্বকাপের আগে ক্রিকেটার রুবেল হোসেনের সঙ্গে স্ক্যান্ডালে জড়িয়েই মূলত সেই আলোচনা। যা নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি।

হ্যাপি দাবি করেছিলেন, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে রুবেল তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। এমনকি রুবেলকে পেতে আদালতের দারস্থও হয়েছিলেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত রুবেল-হ্যাপির সম্পর্ক আর টিকেনি। এরপর রুবেলের বিয়ের খবর জানার পর নিজের ‘লাইফস্ট্যাইল’ই পাল্টে ফেলেন এই অভিনেত্রী।

এক সময় রুপালি পর্দা কাঁপানো হ্যাপির আগের জীবনের সঙ্গে এখনকার জীবনের কোনো মিল নেই। এক কথায় সম্পূর্ণ বিপরীত। বিয়ে করে ইসলামি বিধান মেনেই এখন পুরোদস্তুর জীবনযাপন করছেন। ধর্মীয় জ্ঞান লাভের জন্য এখন পড়াশুনা করছেন মাদ্রাসায়। বিদায় জানিয়েছেন সিনেমাকে। তাবলীগ জামায়াতে যোগ দেয়ার সংকল্প করেছেন। চলাফেরা করেন বোরকা পরে।

ফেসবুক থেকে মুছে দিয়েছেন সব ছবি। মিডিয়ার আলোচিত হ্যাপি এখন নাম পরিবর্তন করে রেখেছেন ‘আমাতুল্লাহ’ (আল্লাহর দাসী)। হ্যাপির সেই বদলে যাওয়া জীবন নিয়ে একটি বই লিখেছেন সাদেকা সুলতানা সাকী এবং স্বামী আবদুল্লাহ আল ফারুক। বইটিতে তার বদলে যাওয়া জীবনের নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে।

বইটিতে হ্যাপি বলেছেন, শোবিজ তারকাদের ৯৫% তাদের ব্যক্তিজীবনে সুখী নন। দুনিয়ার সব কিছু পেয়েও তারা তাদের জীবন নিয়ে ভীষণ হতাশা বোধ করেন। সহকর্মী ও শিল্পীদের জীবন পর্যবেক্ষণ করেই এ অভিমত ব্যক্ত করেছেন তিনি।

হ্যাপি আরও বলেন, একজন হিরোইনের ক্যারিয়ার কয় বছরের? বড় জোর ১০ বছর। তার যত চাহিদা, খ্যাতি, আবেদন, সব ওই ১০ বছরেই। এরপর আর তাকে কেউ দাম দেবে না। তখন তার চাহিদা কমে যাবে, খ্যাতি কমে যাবে, গুরুত্ব কমে যাবে, পয়সা কমে যাবে।

যখন কোনো শিল্পীর জীবনে এমন খরা নেমে আসে তখন সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। আপনি খুঁজে দেখুন, সব চিত্রতারকার জীবনে এমন দুঃখের গল্প আছে।

এমন কাউকে পাবেন না, যে শেষ জীবনে এমন বিড়ম্বনার সম্মুখীন হননি। এটা কেন? এটা নিশ্চয়ই সেই নোংরা জীবনে জড়ানোর পরিণতি। যদি সে এমন নোংরা জীবনে না জড়াত তাহলে তাকে এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হতো না।

এগুলো কিন্তু মানুষ দেখে না। তারা শুধু ঝলমলে জীবনটাই দেখে। তারা জানে না, এই ঝলমলে জীবনের পেছনে আছে খুবই অন্ধকার একটি জগত।