ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

এবার শোবিজ তারকাদের সব গোমর ফাঁস করলেন হ্যাপি

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

মডেল ও অভিনেত্রী নাজনীন আক্তার হ্যাপি বাংলাদেশের মিডিয়া জগতের এক আলোচিত নাম। ২০১৫ ক্রিকেট বিশ্বকাপের আগে ক্রিকেটার রুবেল হোসেনের সঙ্গে স্ক্যান্ডালে জড়িয়েই মূলত সেই আলোচনা। যা নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি।

হ্যাপি দাবি করেছিলেন, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে রুবেল তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। এমনকি রুবেলকে পেতে আদালতের দারস্থও হয়েছিলেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত রুবেল-হ্যাপির সম্পর্ক আর টিকেনি। এরপর রুবেলের বিয়ের খবর জানার পর নিজের ‘লাইফস্ট্যাইল’ই পাল্টে ফেলেন এই অভিনেত্রী।

এক সময় রুপালি পর্দা কাঁপানো হ্যাপির আগের জীবনের সঙ্গে এখনকার জীবনের কোনো মিল নেই। এক কথায় সম্পূর্ণ বিপরীত। বিয়ে করে ইসলামি বিধান মেনেই এখন পুরোদস্তুর জীবনযাপন করছেন। ধর্মীয় জ্ঞান লাভের জন্য এখন পড়াশুনা করছেন মাদ্রাসায়। বিদায় জানিয়েছেন সিনেমাকে। তাবলীগ জামায়াতে যোগ দেয়ার সংকল্প করেছেন। চলাফেরা করেন বোরকা পরে।

ফেসবুক থেকে মুছে দিয়েছেন সব ছবি। মিডিয়ার আলোচিত হ্যাপি এখন নাম পরিবর্তন করে রেখেছেন ‘আমাতুল্লাহ’ (আল্লাহর দাসী)। হ্যাপির সেই বদলে যাওয়া জীবন নিয়ে একটি বই লিখেছেন সাদেকা সুলতানা সাকী এবং স্বামী আবদুল্লাহ আল ফারুক। বইটিতে তার বদলে যাওয়া জীবনের নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে।

বইটিতে হ্যাপি বলেছেন, শোবিজ তারকাদের ৯৫% তাদের ব্যক্তিজীবনে সুখী নন। দুনিয়ার সব কিছু পেয়েও তারা তাদের জীবন নিয়ে ভীষণ হতাশা বোধ করেন। সহকর্মী ও শিল্পীদের জীবন পর্যবেক্ষণ করেই এ অভিমত ব্যক্ত করেছেন তিনি।

হ্যাপি আরও বলেন, একজন হিরোইনের ক্যারিয়ার কয় বছরের? বড় জোর ১০ বছর। তার যত চাহিদা, খ্যাতি, আবেদন, সব ওই ১০ বছরেই। এরপর আর তাকে কেউ দাম দেবে না। তখন তার চাহিদা কমে যাবে, খ্যাতি কমে যাবে, গুরুত্ব কমে যাবে, পয়সা কমে যাবে।

যখন কোনো শিল্পীর জীবনে এমন খরা নেমে আসে তখন সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। আপনি খুঁজে দেখুন, সব চিত্রতারকার জীবনে এমন দুঃখের গল্প আছে।

এমন কাউকে পাবেন না, যে শেষ জীবনে এমন বিড়ম্বনার সম্মুখীন হননি। এটা কেন? এটা নিশ্চয়ই সেই নোংরা জীবনে জড়ানোর পরিণতি। যদি সে এমন নোংরা জীবনে না জড়াত তাহলে তাকে এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হতো না।

এগুলো কিন্তু মানুষ দেখে না। তারা শুধু ঝলমলে জীবনটাই দেখে। তারা জানে না, এই ঝলমলে জীবনের পেছনে আছে খুবই অন্ধকার একটি জগত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

এবার শোবিজ তারকাদের সব গোমর ফাঁস করলেন হ্যাপি

আপডেট সময় ০১:০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

মডেল ও অভিনেত্রী নাজনীন আক্তার হ্যাপি বাংলাদেশের মিডিয়া জগতের এক আলোচিত নাম। ২০১৫ ক্রিকেট বিশ্বকাপের আগে ক্রিকেটার রুবেল হোসেনের সঙ্গে স্ক্যান্ডালে জড়িয়েই মূলত সেই আলোচনা। যা নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি।

হ্যাপি দাবি করেছিলেন, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে রুবেল তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। এমনকি রুবেলকে পেতে আদালতের দারস্থও হয়েছিলেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত রুবেল-হ্যাপির সম্পর্ক আর টিকেনি। এরপর রুবেলের বিয়ের খবর জানার পর নিজের ‘লাইফস্ট্যাইল’ই পাল্টে ফেলেন এই অভিনেত্রী।

এক সময় রুপালি পর্দা কাঁপানো হ্যাপির আগের জীবনের সঙ্গে এখনকার জীবনের কোনো মিল নেই। এক কথায় সম্পূর্ণ বিপরীত। বিয়ে করে ইসলামি বিধান মেনেই এখন পুরোদস্তুর জীবনযাপন করছেন। ধর্মীয় জ্ঞান লাভের জন্য এখন পড়াশুনা করছেন মাদ্রাসায়। বিদায় জানিয়েছেন সিনেমাকে। তাবলীগ জামায়াতে যোগ দেয়ার সংকল্প করেছেন। চলাফেরা করেন বোরকা পরে।

ফেসবুক থেকে মুছে দিয়েছেন সব ছবি। মিডিয়ার আলোচিত হ্যাপি এখন নাম পরিবর্তন করে রেখেছেন ‘আমাতুল্লাহ’ (আল্লাহর দাসী)। হ্যাপির সেই বদলে যাওয়া জীবন নিয়ে একটি বই লিখেছেন সাদেকা সুলতানা সাকী এবং স্বামী আবদুল্লাহ আল ফারুক। বইটিতে তার বদলে যাওয়া জীবনের নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে।

বইটিতে হ্যাপি বলেছেন, শোবিজ তারকাদের ৯৫% তাদের ব্যক্তিজীবনে সুখী নন। দুনিয়ার সব কিছু পেয়েও তারা তাদের জীবন নিয়ে ভীষণ হতাশা বোধ করেন। সহকর্মী ও শিল্পীদের জীবন পর্যবেক্ষণ করেই এ অভিমত ব্যক্ত করেছেন তিনি।

হ্যাপি আরও বলেন, একজন হিরোইনের ক্যারিয়ার কয় বছরের? বড় জোর ১০ বছর। তার যত চাহিদা, খ্যাতি, আবেদন, সব ওই ১০ বছরেই। এরপর আর তাকে কেউ দাম দেবে না। তখন তার চাহিদা কমে যাবে, খ্যাতি কমে যাবে, গুরুত্ব কমে যাবে, পয়সা কমে যাবে।

যখন কোনো শিল্পীর জীবনে এমন খরা নেমে আসে তখন সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। আপনি খুঁজে দেখুন, সব চিত্রতারকার জীবনে এমন দুঃখের গল্প আছে।

এমন কাউকে পাবেন না, যে শেষ জীবনে এমন বিড়ম্বনার সম্মুখীন হননি। এটা কেন? এটা নিশ্চয়ই সেই নোংরা জীবনে জড়ানোর পরিণতি। যদি সে এমন নোংরা জীবনে না জড়াত তাহলে তাকে এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হতো না।

এগুলো কিন্তু মানুষ দেখে না। তারা শুধু ঝলমলে জীবনটাই দেখে। তারা জানে না, এই ঝলমলে জীবনের পেছনে আছে খুবই অন্ধকার একটি জগত।