ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

তাইওয়ানকে আক্রমণের হুমকিতে বেইজিংয়ের ‘আক্রমণাত্মক নীতি

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গত সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে তাইওয়ানের ওপর পূর্ণ সার্বভৌমত্ব দাবি করে চীন। চীন বরাবরই তাইওয়ানকে আক্রমণের হুমকি দিয়ে আসছে এবং স্বশাসিত দ্বীপটিকে ভয় দেখানোর জন্য একটি ‘আক্রমণাত্মক নীতি’ গ্রহণ করেছে।

চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং গত ১ জুন স্বশাসিত তাইওয়ানকে চীনের অধীনে আনতে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতার যে কোনো প্রচেষ্টাকে ধ্বংস করার অঙ্গীকারও করেন। তিনি তাইওয়ানকে চীনের মূল ভূখণ্ডের সাথে পুনরায় মিলিত করার ব্যাপারে অটল। কারণ তিনি তাইওয়ানকে তার উত্তরাধিকারের অংশ হিসাবে দেখেন।

দ্য আমেরিকান স্পেক্টেটর পত্রিকায় প্রকাশিত এক মতামতে রাজনৈতিক ও পররাষ্ট্র বিষয়ক কেন্দ্রের (সিপিএফএ) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক পরিচালক কেলি আলখোলি লিখেছেন, তাইওয়ানকে বিচ্ছিন্ন একটি প্রদেশ হিসেবে দেখে বেইজিং।

চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিসিপি) মনে করে, তাইওয়ানের ওপর আক্রমণ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হবে, যদিও অসম্ভব নয়। তাদের লক্ষ্য হলো, তাইওয়ানের মনোবল কমাতে ক্রমাগত বিতর্কিত জলসীমায় উসকানি সৃষ্টি করা।

এদিকে, ফ্রাঙ্কো-সিরিয়ান একজন রাজনৈতিক পরামর্শক বলেছেন, তাইওয়ান আক্রমণ থেকে বেইজিংকে বিরত রাখার একমাত্র উপায় হচ্ছে স্বশাসিত দ্বীপটিকে সম্মিলিতভাবে এবং প্রকাশ্যে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তাইওয়ানকে আক্রমণের হুমকিতে বেইজিংয়ের ‘আক্রমণাত্মক নীতি

আপডেট সময় ০১:৪৭:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গত সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে তাইওয়ানের ওপর পূর্ণ সার্বভৌমত্ব দাবি করে চীন। চীন বরাবরই তাইওয়ানকে আক্রমণের হুমকি দিয়ে আসছে এবং স্বশাসিত দ্বীপটিকে ভয় দেখানোর জন্য একটি ‘আক্রমণাত্মক নীতি’ গ্রহণ করেছে।

চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং গত ১ জুন স্বশাসিত তাইওয়ানকে চীনের অধীনে আনতে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতার যে কোনো প্রচেষ্টাকে ধ্বংস করার অঙ্গীকারও করেন। তিনি তাইওয়ানকে চীনের মূল ভূখণ্ডের সাথে পুনরায় মিলিত করার ব্যাপারে অটল। কারণ তিনি তাইওয়ানকে তার উত্তরাধিকারের অংশ হিসাবে দেখেন।

দ্য আমেরিকান স্পেক্টেটর পত্রিকায় প্রকাশিত এক মতামতে রাজনৈতিক ও পররাষ্ট্র বিষয়ক কেন্দ্রের (সিপিএফএ) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক পরিচালক কেলি আলখোলি লিখেছেন, তাইওয়ানকে বিচ্ছিন্ন একটি প্রদেশ হিসেবে দেখে বেইজিং।

চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিসিপি) মনে করে, তাইওয়ানের ওপর আক্রমণ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হবে, যদিও অসম্ভব নয়। তাদের লক্ষ্য হলো, তাইওয়ানের মনোবল কমাতে ক্রমাগত বিতর্কিত জলসীমায় উসকানি সৃষ্টি করা।

এদিকে, ফ্রাঙ্কো-সিরিয়ান একজন রাজনৈতিক পরামর্শক বলেছেন, তাইওয়ান আক্রমণ থেকে বেইজিংকে বিরত রাখার একমাত্র উপায় হচ্ছে স্বশাসিত দ্বীপটিকে সম্মিলিতভাবে এবং প্রকাশ্যে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া।