ঢাকা ০৪:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

তাইওয়ানকে আক্রমণের হুমকিতে বেইজিংয়ের ‘আক্রমণাত্মক নীতি

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গত সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে তাইওয়ানের ওপর পূর্ণ সার্বভৌমত্ব দাবি করে চীন। চীন বরাবরই তাইওয়ানকে আক্রমণের হুমকি দিয়ে আসছে এবং স্বশাসিত দ্বীপটিকে ভয় দেখানোর জন্য একটি ‘আক্রমণাত্মক নীতি’ গ্রহণ করেছে।

চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং গত ১ জুন স্বশাসিত তাইওয়ানকে চীনের অধীনে আনতে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতার যে কোনো প্রচেষ্টাকে ধ্বংস করার অঙ্গীকারও করেন। তিনি তাইওয়ানকে চীনের মূল ভূখণ্ডের সাথে পুনরায় মিলিত করার ব্যাপারে অটল। কারণ তিনি তাইওয়ানকে তার উত্তরাধিকারের অংশ হিসাবে দেখেন।

দ্য আমেরিকান স্পেক্টেটর পত্রিকায় প্রকাশিত এক মতামতে রাজনৈতিক ও পররাষ্ট্র বিষয়ক কেন্দ্রের (সিপিএফএ) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক পরিচালক কেলি আলখোলি লিখেছেন, তাইওয়ানকে বিচ্ছিন্ন একটি প্রদেশ হিসেবে দেখে বেইজিং।

চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিসিপি) মনে করে, তাইওয়ানের ওপর আক্রমণ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হবে, যদিও অসম্ভব নয়। তাদের লক্ষ্য হলো, তাইওয়ানের মনোবল কমাতে ক্রমাগত বিতর্কিত জলসীমায় উসকানি সৃষ্টি করা।

এদিকে, ফ্রাঙ্কো-সিরিয়ান একজন রাজনৈতিক পরামর্শক বলেছেন, তাইওয়ান আক্রমণ থেকে বেইজিংকে বিরত রাখার একমাত্র উপায় হচ্ছে স্বশাসিত দ্বীপটিকে সম্মিলিতভাবে এবং প্রকাশ্যে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

তাইওয়ানকে আক্রমণের হুমকিতে বেইজিংয়ের ‘আক্রমণাত্মক নীতি

আপডেট সময় ০১:৪৭:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গত সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে তাইওয়ানের ওপর পূর্ণ সার্বভৌমত্ব দাবি করে চীন। চীন বরাবরই তাইওয়ানকে আক্রমণের হুমকি দিয়ে আসছে এবং স্বশাসিত দ্বীপটিকে ভয় দেখানোর জন্য একটি ‘আক্রমণাত্মক নীতি’ গ্রহণ করেছে।

চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং গত ১ জুন স্বশাসিত তাইওয়ানকে চীনের অধীনে আনতে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতার যে কোনো প্রচেষ্টাকে ধ্বংস করার অঙ্গীকারও করেন। তিনি তাইওয়ানকে চীনের মূল ভূখণ্ডের সাথে পুনরায় মিলিত করার ব্যাপারে অটল। কারণ তিনি তাইওয়ানকে তার উত্তরাধিকারের অংশ হিসাবে দেখেন।

দ্য আমেরিকান স্পেক্টেটর পত্রিকায় প্রকাশিত এক মতামতে রাজনৈতিক ও পররাষ্ট্র বিষয়ক কেন্দ্রের (সিপিএফএ) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক পরিচালক কেলি আলখোলি লিখেছেন, তাইওয়ানকে বিচ্ছিন্ন একটি প্রদেশ হিসেবে দেখে বেইজিং।

চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিসিপি) মনে করে, তাইওয়ানের ওপর আক্রমণ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হবে, যদিও অসম্ভব নয়। তাদের লক্ষ্য হলো, তাইওয়ানের মনোবল কমাতে ক্রমাগত বিতর্কিত জলসীমায় উসকানি সৃষ্টি করা।

এদিকে, ফ্রাঙ্কো-সিরিয়ান একজন রাজনৈতিক পরামর্শক বলেছেন, তাইওয়ান আক্রমণ থেকে বেইজিংকে বিরত রাখার একমাত্র উপায় হচ্ছে স্বশাসিত দ্বীপটিকে সম্মিলিতভাবে এবং প্রকাশ্যে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া।