ঢাকা ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে দেশ গড়তে চাই রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু

যেহেতু তারা ক্ষমতায় এসেছে দায়বদ্ধতা স্বীকার করতে হবে: বিএনপি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জের কর্ণগোপ এলাকার হাসেম ফুডস কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ৫২ শ্রমিক নিহতের ঘটনায় কেন্দ্রীয় বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম বলেছেন, দেশের অসংখ্য শিল্প-কারখানায় হাসেম ফুডের মতো অবস্থা বিরাজ করছে। দেশে অস্বাস্থ্যকর ও অনিরাপদ কর্ম-পরিবেশে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক কাজ করছে। অসংখ্য শিল্প-কারখানায় এমন ঘটনা ঘটছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো যথাযথ ব্যবস্থা নিলে এ দুর্ঘটনা ঘটত না, আর এত শিশু শ্রমিক এখানে কাজ করতে পারত না।

মঙ্গলবার দুপুরে নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল অগ্নিকাণ্ডস্থল পরিদর্শনে যায়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার, কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভুইয়া দিপু, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাহমুদুর রহমান সুমন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান হুমায়ন, তারাব পৌর বিএনপির আহ্বায়ক নাসির উদ্দিনসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

নজরুল ইসলাম আরও বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আমরা এ প্রতিষ্ঠানের মালিকের অবহেলার তীব্র নিন্দা জানাই। আর সেইসঙ্গে তার চেয়ে বেশি নিন্দা জানাই সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর।এসব প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে রিপোর্ট নিতে হয় ও ট্যাক্স দিতে হয়। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করেনি। তাই এতগুলো মানুষ অকালে জীবন দিয়েছে। এখানে যারা কাজ করেছে তাদের কোনো নিয়োগপত্রও ছিল না। আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণের জন্য আমরা দাবি জানাই।

তিনি বলেন, রানা প্লাজায় যারা মারা গেছে তাদেরকে আইএলও কনভেনশন-১২১ অনুযায়ী ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। রানা প্লাজার শ্রমিকদের যে হারে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে হাসেম ফুডের শ্রমিকদের সে হারে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক। এ উদ্যোগ নেওয়ার দায়িত্ব সরকারের। নাগরিকের ও জীবন-মাল রক্ষার দায়িত্ব সরকারের। আমরা জানি, সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি, তাই জনগণের প্রতি তার দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতা থাকে না।কিন্তু যেহেতু তারা ক্ষমতায় এসেছে তাদের দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতা স্বীকার করতে হবে। অকালে মৃত ও আহত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো

যেহেতু তারা ক্ষমতায় এসেছে দায়বদ্ধতা স্বীকার করতে হবে: বিএনপি

আপডেট সময় ০৭:০৯:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জের কর্ণগোপ এলাকার হাসেম ফুডস কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ৫২ শ্রমিক নিহতের ঘটনায় কেন্দ্রীয় বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম বলেছেন, দেশের অসংখ্য শিল্প-কারখানায় হাসেম ফুডের মতো অবস্থা বিরাজ করছে। দেশে অস্বাস্থ্যকর ও অনিরাপদ কর্ম-পরিবেশে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক কাজ করছে। অসংখ্য শিল্প-কারখানায় এমন ঘটনা ঘটছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো যথাযথ ব্যবস্থা নিলে এ দুর্ঘটনা ঘটত না, আর এত শিশু শ্রমিক এখানে কাজ করতে পারত না।

মঙ্গলবার দুপুরে নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল অগ্নিকাণ্ডস্থল পরিদর্শনে যায়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার, কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভুইয়া দিপু, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাহমুদুর রহমান সুমন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান হুমায়ন, তারাব পৌর বিএনপির আহ্বায়ক নাসির উদ্দিনসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

নজরুল ইসলাম আরও বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আমরা এ প্রতিষ্ঠানের মালিকের অবহেলার তীব্র নিন্দা জানাই। আর সেইসঙ্গে তার চেয়ে বেশি নিন্দা জানাই সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর।এসব প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে রিপোর্ট নিতে হয় ও ট্যাক্স দিতে হয়। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করেনি। তাই এতগুলো মানুষ অকালে জীবন দিয়েছে। এখানে যারা কাজ করেছে তাদের কোনো নিয়োগপত্রও ছিল না। আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণের জন্য আমরা দাবি জানাই।

তিনি বলেন, রানা প্লাজায় যারা মারা গেছে তাদেরকে আইএলও কনভেনশন-১২১ অনুযায়ী ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। রানা প্লাজার শ্রমিকদের যে হারে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে হাসেম ফুডের শ্রমিকদের সে হারে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক। এ উদ্যোগ নেওয়ার দায়িত্ব সরকারের। নাগরিকের ও জীবন-মাল রক্ষার দায়িত্ব সরকারের। আমরা জানি, সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি, তাই জনগণের প্রতি তার দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতা থাকে না।কিন্তু যেহেতু তারা ক্ষমতায় এসেছে তাদের দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতা স্বীকার করতে হবে। অকালে মৃত ও আহত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।