ঢাকা ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দল দেখে না, মানুষ দেখে ভোট দেবেন: মেজর হাফিজ কোনও ধরনের চাঁদাবাজিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না : ইলিয়াসপত্নী লুনা অবশেষে মুক্তি পেলেন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম, স্ত্রী-সন্তানের কবর জিয়ারত ইসলামী নীতি অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করব: চরমোনাই পীর পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি প্রয়োজন: প্রধান উপদেষ্টা শেরপুরে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত ধানের শীষ প্রতীক তারেক রহমানের আমানত : রাশেদ খাঁন ফান্ড তৈরি করে বেকার শিক্ষার্থীদের জন্য পুঁজির ব্যবস্থা করব: তাসনিম জারা উত্তরায় ফার্নিচার মার্কেটে আগুন নির্বাচনী প্রস্তুতি প্রত্যাশার চেয়েও ভালো: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

অবশেষে গভীর রাতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ছাড়লেন নেতানিয়াহু

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে গভীর রাতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ছেড়েছেন ইসরাইলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

রোববার এ খবর জানিয়েছে ইসরাইলের সংবাদমাধ্যম হারেৎজ।

খবরে বলা হয়, নতুন প্রধানমন্ত্রী বেনেটের দেওয়া ডেটলাইনের ৫ ঘণ্টা আগে তিনি আলোচিত বাসভবন ছাড়েন।

স্থানীয় সময় রোববার সকালে নাফতালি বেনেটের কাছে ক্ষমতা হারানো নেতানিয়াহু তার দীর্ঘ ১২ বছর ধরে থাকা আলোচিত সেই বাসভবন ছাড়েন। নেতানিয়াহু তার পরিবার নিয়ে উত্তর ইসরাইলের কেয়সারিয়া এলাকায় নিজেদের বাসায় গিয়ে উঠেন।

নেতানিয়াহু ২০০৯ থেকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। পুরো সময়জুড়েই এ বাসভবনেই ছিলেন তিনি। এর আগে প্রথম দফায় ১৯৯৯ সালে নির্বাচনে হারার পর সরকারি বাসভবন ছাড়তে তার ছয় সপ্তাহ বেশি সময় লেগেছিল।

গত ১৪ জুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নাফতালি বেনেটের দায়িত্ব গ্রহণের একদিন পরেই নেতানিয়াহু এই বাসভবনে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক দূত নিকি হ্যালি এবং জায়নবাদের সমর্থক সংগঠন ক্রিশ্চিয়ান ইউনাইটেড পর ইসরাইলের নেতা প্যাস্টর জন হ্যাগির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ করেন।

তবে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন খালি হলেও ভবনে উঠছেন না নাফতালি বেনেট। বরং তিনি সরকারি দায়িত্ব পালনে কার্যালয় হিসাবেই একে ব্যবহার করবেন। তার স্ত্রী ও চার সন্তান রানানা শহরে তাদের বাসভবনেই থাকবেন।

গত সপ্তাহে নতুন সরকার গঠন করেন বেনেট। সরকার গঠনের বিষয়ে রোববার নেসেটের অধিবেশনে সদস্যদের আস্থা ভোট নেওয়া হয়। আস্থা ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য জোট সরকারের পক্ষে সমর্থন দেন। এতে ১২ বছর দীর্ঘ শাসনের পর বিরোধী দলের আসনে গিয়ে বসেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

ইসরাইলে সরকার গঠনে কোনো দলের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় গত দুই বছরের মধ্যে চার বার দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২৩ মার্চের চতুর্থ নির্বাচনের পরও কোনো পক্ষ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। ইসরাইলি আইন পরিষদ নেসেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য ১২০ আসনের মধ্যে ৬১ সদস্যের প্রয়োজন হয়। দেশটিতে সরকার গঠনের প্রশ্নে নির্বাচনের পর ইসরাইলি নেসেটের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেন ইসরাইলি প্রেসিডেন্ট রিওভেন রিভলিন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দল দেখে না, মানুষ দেখে ভোট দেবেন: মেজর হাফিজ

অবশেষে গভীর রাতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ছাড়লেন নেতানিয়াহু

আপডেট সময় ০৭:৫১:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জুলাই ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে গভীর রাতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ছেড়েছেন ইসরাইলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

রোববার এ খবর জানিয়েছে ইসরাইলের সংবাদমাধ্যম হারেৎজ।

খবরে বলা হয়, নতুন প্রধানমন্ত্রী বেনেটের দেওয়া ডেটলাইনের ৫ ঘণ্টা আগে তিনি আলোচিত বাসভবন ছাড়েন।

স্থানীয় সময় রোববার সকালে নাফতালি বেনেটের কাছে ক্ষমতা হারানো নেতানিয়াহু তার দীর্ঘ ১২ বছর ধরে থাকা আলোচিত সেই বাসভবন ছাড়েন। নেতানিয়াহু তার পরিবার নিয়ে উত্তর ইসরাইলের কেয়সারিয়া এলাকায় নিজেদের বাসায় গিয়ে উঠেন।

নেতানিয়াহু ২০০৯ থেকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। পুরো সময়জুড়েই এ বাসভবনেই ছিলেন তিনি। এর আগে প্রথম দফায় ১৯৯৯ সালে নির্বাচনে হারার পর সরকারি বাসভবন ছাড়তে তার ছয় সপ্তাহ বেশি সময় লেগেছিল।

গত ১৪ জুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নাফতালি বেনেটের দায়িত্ব গ্রহণের একদিন পরেই নেতানিয়াহু এই বাসভবনে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক দূত নিকি হ্যালি এবং জায়নবাদের সমর্থক সংগঠন ক্রিশ্চিয়ান ইউনাইটেড পর ইসরাইলের নেতা প্যাস্টর জন হ্যাগির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ করেন।

তবে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন খালি হলেও ভবনে উঠছেন না নাফতালি বেনেট। বরং তিনি সরকারি দায়িত্ব পালনে কার্যালয় হিসাবেই একে ব্যবহার করবেন। তার স্ত্রী ও চার সন্তান রানানা শহরে তাদের বাসভবনেই থাকবেন।

গত সপ্তাহে নতুন সরকার গঠন করেন বেনেট। সরকার গঠনের বিষয়ে রোববার নেসেটের অধিবেশনে সদস্যদের আস্থা ভোট নেওয়া হয়। আস্থা ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য জোট সরকারের পক্ষে সমর্থন দেন। এতে ১২ বছর দীর্ঘ শাসনের পর বিরোধী দলের আসনে গিয়ে বসেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

ইসরাইলে সরকার গঠনে কোনো দলের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় গত দুই বছরের মধ্যে চার বার দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২৩ মার্চের চতুর্থ নির্বাচনের পরও কোনো পক্ষ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। ইসরাইলি আইন পরিষদ নেসেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য ১২০ আসনের মধ্যে ৬১ সদস্যের প্রয়োজন হয়। দেশটিতে সরকার গঠনের প্রশ্নে নির্বাচনের পর ইসরাইলি নেসেটের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেন ইসরাইলি প্রেসিডেন্ট রিওভেন রিভলিন।