ঢাকা ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দল দেখে না, মানুষ দেখে ভোট দেবেন: মেজর হাফিজ কোনও ধরনের চাঁদাবাজিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না : ইলিয়াসপত্নী লুনা অবশেষে মুক্তি পেলেন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম, স্ত্রী-সন্তানের কবর জিয়ারত ইসলামী নীতি অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করব: চরমোনাই পীর পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি প্রয়োজন: প্রধান উপদেষ্টা শেরপুরে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত ধানের শীষ প্রতীক তারেক রহমানের আমানত : রাশেদ খাঁন ফান্ড তৈরি করে বেকার শিক্ষার্থীদের জন্য পুঁজির ব্যবস্থা করব: তাসনিম জারা উত্তরায় ফার্নিচার মার্কেটে আগুন নির্বাচনী প্রস্তুতি প্রত্যাশার চেয়েও ভালো: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৫ বছরেই ড্রোন তৈরিতে অভাবনীয় চমক দেখাল তুরস্ক

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং চীনা ড্রোনগুলোর সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার স্বপ্ন থেকে মাত্র ১৫ বছরের মধ্যে সশস্ত্র ড্রোন প্রস্তুতকারী শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর কাতারে পৌঁছে গেছে তুরস্ক। একের পর এক ড্রোন তৈরিতে অভাবনীয় চমক দেখিয়েছে দেশটি।

দেশটির চারটি কোম্পানি ড্রোন উৎপাদন করে থাকে। এগুলোর মধ্যে মেশিনগান এবং গ্রেনেড বহনকারী ড্রোনও রয়েছে। ২০১৬ সাল থেকে সীমান্তে ড্রোন ব্যবহার করে আসছে তুরস্ক।

তুরস্কের প্রতিরক্ষা বিভাগের ঠিকাদার এসটিএমের তৈরি কার্গু-২ ড্রোন লিবিয়ায় সরকার এবং জেনারেল খলিফা হাফতারের মধ্যে সংঘাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
তুরস্কের কার্গু, বায়রাখতার, আনকা, কারায়েল এবং আলফাগু ড্রোনগুলো ‘যেমন কার্যকর তেমনই সাশ্রয়ী মূল্যের’।

সর্বশেষ তুরস্কের ড্রোন নাগর্নো-কারাবাখ যুদ্ধে মুন্সিয়ানা দেখিয়েছে। যুদ্ধে আজারবাইজানের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ইতোমধ্যে তুরস্কের কাছ থেকে ড্রোন কিনেছে আজারবাইজান, কাতার, ইউক্রেন, তিউনিসিয়া ও পোল্যান্ড। তুরস্কের ড্রোন কেনার জন্য আগ্রহ দেখিয়েছে সৌদি আরব, লাটভিয়া, হাঙ্গেরি এবং আলবেনিয়াও।

এছাড়া নিজস্ব স্যাটেলাইট এবং ভালো মানের রাডার আছে তুরস্কের। এখন তারা ক্রুজ মিসাইল তৈরির কাজ করছে। এর পাশাপাশি নৌ বাহিনীর জন্য তারা যেসব যুদ্ধ সরঞ্জাম তৈরি করছে, তার মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি শিপ মিসাইল, লাইটওয়েট টর্পেডো এবং সোনার সিস্টেম। তারা আন্ডারওয়াটার অ্যাটাক ড্রোন তৈরি নিয়েও কাজ করছে। বছর তিনেক আগে শুরু করেছে যুদ্ধজাহাজের ইঞ্জিন তৈরির কাজ।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান তার দেশকে ধীরে ধীরে বিশ্বের দরবারে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাচ্ছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দল দেখে না, মানুষ দেখে ভোট দেবেন: মেজর হাফিজ

১৫ বছরেই ড্রোন তৈরিতে অভাবনীয় চমক দেখাল তুরস্ক

আপডেট সময় ০৯:১৪:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জুলাই ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং চীনা ড্রোনগুলোর সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার স্বপ্ন থেকে মাত্র ১৫ বছরের মধ্যে সশস্ত্র ড্রোন প্রস্তুতকারী শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর কাতারে পৌঁছে গেছে তুরস্ক। একের পর এক ড্রোন তৈরিতে অভাবনীয় চমক দেখিয়েছে দেশটি।

দেশটির চারটি কোম্পানি ড্রোন উৎপাদন করে থাকে। এগুলোর মধ্যে মেশিনগান এবং গ্রেনেড বহনকারী ড্রোনও রয়েছে। ২০১৬ সাল থেকে সীমান্তে ড্রোন ব্যবহার করে আসছে তুরস্ক।

তুরস্কের প্রতিরক্ষা বিভাগের ঠিকাদার এসটিএমের তৈরি কার্গু-২ ড্রোন লিবিয়ায় সরকার এবং জেনারেল খলিফা হাফতারের মধ্যে সংঘাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
তুরস্কের কার্গু, বায়রাখতার, আনকা, কারায়েল এবং আলফাগু ড্রোনগুলো ‘যেমন কার্যকর তেমনই সাশ্রয়ী মূল্যের’।

সর্বশেষ তুরস্কের ড্রোন নাগর্নো-কারাবাখ যুদ্ধে মুন্সিয়ানা দেখিয়েছে। যুদ্ধে আজারবাইজানের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ইতোমধ্যে তুরস্কের কাছ থেকে ড্রোন কিনেছে আজারবাইজান, কাতার, ইউক্রেন, তিউনিসিয়া ও পোল্যান্ড। তুরস্কের ড্রোন কেনার জন্য আগ্রহ দেখিয়েছে সৌদি আরব, লাটভিয়া, হাঙ্গেরি এবং আলবেনিয়াও।

এছাড়া নিজস্ব স্যাটেলাইট এবং ভালো মানের রাডার আছে তুরস্কের। এখন তারা ক্রুজ মিসাইল তৈরির কাজ করছে। এর পাশাপাশি নৌ বাহিনীর জন্য তারা যেসব যুদ্ধ সরঞ্জাম তৈরি করছে, তার মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি শিপ মিসাইল, লাইটওয়েট টর্পেডো এবং সোনার সিস্টেম। তারা আন্ডারওয়াটার অ্যাটাক ড্রোন তৈরি নিয়েও কাজ করছে। বছর তিনেক আগে শুরু করেছে যুদ্ধজাহাজের ইঞ্জিন তৈরির কাজ।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান তার দেশকে ধীরে ধীরে বিশ্বের দরবারে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাচ্ছেন।