ঢাকা ০৯:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি সব সুযোগ-সুবিধা নিয়ে চালু হবে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ থানায় গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা, উদ্ধার করল পুলিশ কাতারের সাবেক আমিরের স্মরণে রাজধানীতে সড়কের নামকরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জুলাইকে ইতিহাসের পাতায় তুলে ধরার আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার জুলাইয়ের প্রথম ১৪ দিনে দেশে এলো ১৫৪ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম হলেই ব্যবস্থা: ত্রাণমন্ত্রী জুলাই শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে কঠোর অভিযান চলবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রকৃত শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধার সঠিক তালিকা প্রণয়নে রাজনীতিকরণ হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী অংশ নিতে না পারাদের পুনঃপরীক্ষার সুযোগ, ভুল প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করতে হবে: গণফ্রন্ট

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বুধবার অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে গণফ্রন্ট দাবি জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারকে সংবিধান সংশোধন করে হলেও (তত্ত্বাবধায়ক নয়, অরাজনৈতিক সরকার নয়) একটি নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করতে হবে। এজন্য প্রয়োজনে সেনাবাহিনী মোতায়েনেরও দাবি করেছে দলটি।

তারা জানান, স্বাধীনতার পরে যেসব নিবন্ধিত দলের সংসদে প্রতিনিধিত্ব ছিল (বিতর্কিত নির্বাচন যেমন ৮৮, ৯৬ এবং ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ছাড়া), তাদের সমন্বয়ে একটি সরকার গঠন করা যেতে পারে। প্রয়োজনে সমঝোতার মাধ্যমে সে সরকারের প্রধান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। তবে নির্বাচনকালীন সরকারের কেউ জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না।

তারা আরো জানান, নির্বাচনে ভয়ভীতিমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে ইসির কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ ছাড়াও রাতারাতি গড়ে ওঠা অনিবন্ধিত দলগুলো যাতে নিবন্ধিত দলের সঙ্গে জোট করতে না পারে এজন্য নীতিমালার দাবি করা হয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছে ইসি। এরই ধারাবাহিকতায় আজকের এ সংলাপ। এছাড়া গত ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ১৬ ও ১৭ আগস্ট গণমাধ্যম প্রতিনিধির সঙ্গে সংলাপ করে ইসি। গত ২৪ আগস্ট থেকে দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছে ইসি।

দলটির অন্যান্য দাবির মধ্যে ছিল, নির্বাচনের কমপক্ষে ছয় মাস আগে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের দলীয় প্রধানের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ, জাতীয় সংসদের সীমানা পুনর্বিন্যাস করা, সংসদের আসন সংখ্যা ন্যূনতম ৩৫০/৪৫০টি করা, প্রবাসীদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা ও তাদের সহজে ভোটাধিকার প্রয়োগের ব্যবস্থা করা, একই পোস্টারে সব প্রার্থীর পরিচয় ও প্রতীক ব্যবহার, নির্বাচনী জনসভায় একই মঞ্চে সব প্রার্থীর বক্তব্যের ব্যবস্থা করা এবং সব দলের অংশগ্রহণে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি সব সুযোগ-সুবিধা নিয়ে চালু হবে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’

নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করতে হবে: গণফ্রন্ট

আপডেট সময় ০৫:২৮:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বুধবার অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে গণফ্রন্ট দাবি জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারকে সংবিধান সংশোধন করে হলেও (তত্ত্বাবধায়ক নয়, অরাজনৈতিক সরকার নয়) একটি নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করতে হবে। এজন্য প্রয়োজনে সেনাবাহিনী মোতায়েনেরও দাবি করেছে দলটি।

তারা জানান, স্বাধীনতার পরে যেসব নিবন্ধিত দলের সংসদে প্রতিনিধিত্ব ছিল (বিতর্কিত নির্বাচন যেমন ৮৮, ৯৬ এবং ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ছাড়া), তাদের সমন্বয়ে একটি সরকার গঠন করা যেতে পারে। প্রয়োজনে সমঝোতার মাধ্যমে সে সরকারের প্রধান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। তবে নির্বাচনকালীন সরকারের কেউ জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না।

তারা আরো জানান, নির্বাচনে ভয়ভীতিমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে ইসির কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ ছাড়াও রাতারাতি গড়ে ওঠা অনিবন্ধিত দলগুলো যাতে নিবন্ধিত দলের সঙ্গে জোট করতে না পারে এজন্য নীতিমালার দাবি করা হয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছে ইসি। এরই ধারাবাহিকতায় আজকের এ সংলাপ। এছাড়া গত ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ১৬ ও ১৭ আগস্ট গণমাধ্যম প্রতিনিধির সঙ্গে সংলাপ করে ইসি। গত ২৪ আগস্ট থেকে দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছে ইসি।

দলটির অন্যান্য দাবির মধ্যে ছিল, নির্বাচনের কমপক্ষে ছয় মাস আগে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের দলীয় প্রধানের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ, জাতীয় সংসদের সীমানা পুনর্বিন্যাস করা, সংসদের আসন সংখ্যা ন্যূনতম ৩৫০/৪৫০টি করা, প্রবাসীদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা ও তাদের সহজে ভোটাধিকার প্রয়োগের ব্যবস্থা করা, একই পোস্টারে সব প্রার্থীর পরিচয় ও প্রতীক ব্যবহার, নির্বাচনী জনসভায় একই মঞ্চে সব প্রার্থীর বক্তব্যের ব্যবস্থা করা এবং সব দলের অংশগ্রহণে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা।